বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সেরা নির্বাচন হতে হবে -সারজিস আলম

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণে প্রভাব ফেলে। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করে, যারা দেশের উন্নয়ন এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা করবে। তবে, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যদি সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষতার অভাব থাকে, তবে তা দেশ ও জনগণের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে, বিশেষত আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে, […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৪:৫৮

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণে প্রভাব ফেলে। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করে, যারা দেশের উন্নয়ন এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা করবে। তবে, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যদি সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষতার অভাব থাকে, তবে তা দেশ ও জনগণের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে, বিশেষত আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা, সংঘাত এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, একাধিক বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং নাগরিক সমাজের সদস্যরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সেরা নির্বাচন হতে হবে।

এসব পরামর্শের মধ্যে রয়েছে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্বাধীনতা, এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে জনগণের পূর্ণ আস্থা সৃষ্টি করা।

এ প্রসঙ্গে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক সারজিস আলম বলেছেন, “আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সেরা নির্বাচন হতে হবে।” তিনি উল্লেখ করেন যে, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক হয়, তবে তা দেশের গণতান্ত্রিক ধারা আরও শক্তিশালী করবে।

সারজিস আলমের মতে, নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা তৈরি করতে হবে, যাতে তারা বিশ্বাস করতে পারে যে তাদের ভোটের মাধ্যমে প্রকৃত প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হচ্ছে।

সারজিস আলম আরো বলেন, যে কোনো নির্বাচনেই জনগণের অধিকার সুরক্ষিত থাকা জরুরি। নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। তার মতে, একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন এই ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, যাতে ভোটের ফলাফলের প্রতি সকল পক্ষের আস্থা থাকে।

নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপের মধ্যে যদি কোনো ধরনের ত্রুটি বা কারচুপির সন্দেহ থাকে, তবে তা দেশের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী নির্বাচনে প্রধান দৃষ্টিভঙ্গি হতে হবে যে সকল রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবে নির্বিঘ্নে। সারজিস আলম এরই মধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, যদি কোনো দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে, তবে সেই নির্বাচন বৈধতা হারাতে পারে।

সকল রাজনৈতিক দলকে সহমত থাকতে হবে যে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত প্রতিনিধি জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি হবে।

এছাড়া, সারজিস আলম আরও পরামর্শ দিয়েছেন যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত নির্বাচনকালীন সময়ে সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষ থেকে কাজ করা। তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কোনো পক্ষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করে, তবে তা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।”

সারজিস আলমের মতে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও স্থিতিশীল হবে এবং তা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করবে।

একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও সাহায্য করতে পারে। যখন জনগণ তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির উপর আস্থা রাখতে পারে, তখন তারা সরকারের প্রতি সহযোগিতা প্রদানে উৎসাহিত হয়। নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং সরকারকে জনগণের বিশ্বাসের উপরে দাঁড়িয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

তবে, সারজিস আলম সতর্ক করেছেন যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে সরকারের উচিত নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনতা প্রদান করা এবং দলীয় পদার্থের বাইরে গিয়ে দেশব্যাপী একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি করা।

তিনি উল্লেখ করেন, “একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেশের জনগণের জন্য চিরস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনতে পারে, যা দেশের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।”

উল্লেখযোগ্য যে, সারজিস আলমের এই বক্তব্য শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নয়, সাধারণ জনগণের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করেন, জনগণের সচেতনতা এবং অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। নির্বাচনে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের গণতন্ত্রকে আরও মজবুত করবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসের পরিসরও বাড়াবে।

অতএব, আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সেরা নির্বাচন হতে হলে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সারজিস আলমের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা যদি এমন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসেন, তবে বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনকে আরও একটি মাইলফলক হিসেবে দেখতে পাবে, যা দেশের গণতান্ত্রিক অর্জনকে আরও শক্তিশালী করবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৫

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৫

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২