চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
আগে যেসব কাজকর্ম হাতে হতো এখন সেসব কার্যক্রম মেশিনের সাহায্যে হচ্ছে। এককথায় বলাই যায় অ্যানালগ থেকে ডিজিটালে পরিণত হয়েছে দেশ। বর্তমানে বিভিন্ন খাদ্যপণ্য কৃষিপণ্যসহ দেশের অনেক কাজ হাতের পরিবর্তে জায়গা করে নিয়েছে অটোমেশিনপত্র। ঠিক তেমনী এবার সম্পূর্ণ সয়ঙ্ক্রিয় অটোমেশিনেই তৈরি হচ্ছে অ্যালকোহল কেরু মদ।
বাংলাদেশের অন্যতম এই ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানীর ডিস্ট্রিলারী বিভাগ ৮৭ বছর ধরে সম্পূর্ণ হাতের সাহায্যে মদ তৈরীর কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। অ্যানালগের দীর্ঘদিন পর তার পরিবর্তন ঘটেছে। এখন তা বাদ দিয়ে ডিজিটালের আওতায় সম্পূর্ণ অটোমেশিনের সাহায্যে তৈরী হচ্ছে অ্যালকোহল মদ।
এতে আগের থেকে যেমন সময় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে তেমনী বাড়বে উৎপাদনও। এরআগে প্লাস্টিকের বোতলে মদ তৈরী হলেও পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমপর্যায়ে এক লিটারের কাঁচের বোতল বাজার জাত করা হচ্ছে এখন এবং তা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবেই সারা পাচ্ছে। এতে করে মানসম্পন্ন হচ্ছে উৎপাদন।
এছাড়াও যেমন উৎপাদন নষ্টের হাত থেকে বাঁচবে ও কাজের ব্যাঘাত থেকে রক্ষা পাবে তেমনী খরচও কমমে প্রতিষ্ঠানটির। যে কারণে রাজস্ব আয় বাড়বে বলেও আশাবাদী কেরু কর্তৃপক্ষ। তবে আগের প্লাস্টিকের বোতলও থাকবে। ৮ কোটি টাকায় কেনা মেশিনটিতে বিভিন্ন ব্রান্ডের মদ কেরু ডিস্ট্রিলারী বিভাগে তৈরী হচ্ছে বলে জানিয়েছে কেরু কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, অ্যালকোহল মদের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় রাজস্ব আয়ও বেড়েছে। সেই মোতাবেক গত বছর ডিস্ট্রিলারী বিভাগ থেকে আয় বেড়েছে ১৫ কোটি টাকা।
এ বিষয়ে কেরু অ্যান্ড কোম্পানী বাংলাদেশ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান বলেন, আগে দেখা যেতো চাহিদা মতো ফরেন লিকার মদ বাজারে দিতে পারতাম না। এখন অটোমেশন হওয়ার কারণে বাজারে যে পরিমাণ মদের চাহিদা থাকবে আমরা তা দিতে পারবো।