শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নাটোরে অবৈধ সেচ পাম্প স্থাপন বৈধতার শর্তে বিএডিসির বিরুদ্ধে ঘুষের মামলা

নাটোর জেলা প্রতিনিধি, মনিরুল ইসলাম ডাবলু  সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই সেচ কমিটির অনুমতি ছাড়াই গভীর নলকূপ স্থাপনের অভিযোগ পাওয়া গেছে রাসেদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, অবৈধ সেচ পাম্প স্থাপনের বৈধতা পেতে আদালতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) নাটোর রিজিয়নের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন এবং বড়াইগ্রাম জোনের সহকারি প্রকৌশলী জিয়াউর রহমানের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০৩:৪৩

নাটোর জেলা প্রতিনিধি, মনিরুল ইসলাম ডাবলু 

সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই সেচ কমিটির অনুমতি ছাড়াই গভীর নলকূপ স্থাপনের অভিযোগ পাওয়া গেছে রাসেদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, অবৈধ সেচ পাম্প স্থাপনের বৈধতা পেতে আদালতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) নাটোর রিজিয়নের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন এবং বড়াইগ্রাম জোনের সহকারি প্রকৌশলী জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন রাসেদুল ইসলাম। মামলায় রাসেদুল ইসলামের দাবি,

প্রায় সাড়ে তিন লক্ষাধিক টাকা লেনদেনের পরেও পাম্প স্থাপনের ছাড়পত্র না পেয়েই মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলার বিবাদী ও সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি সঠিক নয়, বরং অবৈধভাবে বসানো সেচ পাম্পের ছাড়পত্র পেতেই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মানহানিকর মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই বিষয়ে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী।

এদিকে অবৈধভাবে সেচ স্থাপন করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস। রাসেদুল ইসলাম নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকার রওশন আলীর ছেলে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালে বড়াইগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর পেট্রোল পাম্প এলাকায় ১ কিউসেক সেচ পাম্প স্থাপনের জন্য সেচ কমিটির কাছে আবেদন করেন রওশন আলী।

আবেদনের প্রেক্ষিতে বিএডিসির প্রতিনিধিরা সরেজমিন পরিদর্শণ করেন। কিন্তু সেচ পাম্প স্থাপনের নীতিমালার সাথে রওশনের আবেদনের বিষয়টি সাংঘর্ষিক ও ছাড়পত্র প্রদানসাপেক্ষ না হওয়ায় সেচ কমিটি পাম্প স্থাপনের ছাড়পত্র দেয়নি। পরে এক প্রকার জোর করেই নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই রাসেদুল ইসলাম ও তার দুলাভাই মাহবুর গভীর নলকূপ স্থাপন করে।

অথচ ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১৮ এর ৫ এর (১) ধারায় বলা হয়েছে, উপজেলা পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স ব্যতীত কৃষি কাজের জন্য কোন স্থানে কোন নলকূপ স্থাপন করা যাইবে না। এছাড়া, কোন ব্যক্তি এই আইনের কোন বিধান লঙ্ঘন করিলে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৩০(ত্রিশ) দিন বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হবেন।

অথচ রাসেদুল সেচ কমিটির ছাড়পত্র ছাড়াই পাম্প স্থাপন করেছেন। এছাড়াও তিনি অবৈধভাবে ছাড়পত্র পেতে নির্বাহী প্রকৌশলী ও সহকারি প্রকৌশলীকে ৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা দিয়েও ছাড়পত্র না পাওয়ার অভিযোগ এনে গত ২৮ জানুয়ারি আদালতে মামলা দায়ের করেন।

এদিকে মামলার বিবাদীরা বলছেন ভিন্ন কথা। বিএডিসির প্রকৌশলীরা জানান, অবৈধভাবে বসানো সেচ পাম্পের ছাড়পত্র পেতেই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও মানহানিকর মামলা করা হয়েছে। একমাত্র উপজেলা সেচ কমিটি সেচ বসানোর ছাড়পত্র দিতে পারে। যে কমিটির সভাপতি হলেন ইউএনও। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-বনপাড়া মহাসড়কের পাশে শ্রীরামপুর পেট্রোল পাম্প এলাকায় ছাড়পত্র ছাড়াই গভীর নলকূপ স্থাপন করে সেচ দিচ্ছেন রাসেদুল ও তার দুলাভাই মাহবুর। এছাড়া মামলায় উল্লেখিত নির্বাহী প্রকৌশলীকে ঘুষ দিয়ে মাড়িয়া মৌজায় জেএল-৫৫ এর ৩০৬৫ নং দাগে

সাজজারুল ইসলাম শুভ ম্যানেজার করে অবৈধভাবে বিএডিসির নলকূপ স্থাপনের কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া কবে, কখন, কোন কর্মকর্তাকে কত টাকা দিয়েছেন এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেননি মামলার বাদী রাসেদুল ও তার দুলাভাই মাহবুব।

এমন কি নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেনকে চেনেন না বলেও স্বীকার করেন তারা। শ্রীরামপুর গ্রামের অপর কৃষক শামীম জানান, আমি দুই বছর আগে সেচ পাম্পের অনুমতি নিয়ে নলকূপ স্থাপন করে সেচ দিয়ে আসছি।

কিন্তু রাসেদুল সেচ কমিটি থেকে অনুমতি না নিয়ে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে গায়ের জোরে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করেছে। এছাড়া আমার আউটলেট বন্ধ করে দিয়ে আমাকে নানা হুমকি দেওয়া দিচ্ছে।

বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) এর অধীনে শ্রীরামপুর এলাকার সেচ পরিচালক শহিদুল ইসলাম জানান, সেচের ছাড়পত্র পেতে নির্বাহী প্রকৌশলীকে ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি বিশ^াসযোগ্য নয়। বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।

মামলার বাদী রাসেদুল ইসলাম জানান, সেচ পাম্প বসানোর ছাড়পত্র পেতেই মামলা করা হয়েছে। ছাড়পত্র পেলে আর কোন সমস্যা নেই। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। 

বিএডিসি বড়াইগ্রাম জোনের সহকারী প্রকৌশলী জিয়াউর রহমান জানান, ঘুষ নিয়ে একক ভাবে কাউকে সেচ ছাড়পত্র দেয়ার কোন সুযোগ নেই। কয়েকটি সরকারি অফিসের প্রতিনিধি কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত ৯ সদস্য বিশিষ্ট সেচ কমিটির সভাপতি হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

এখানে এককভাবে কাউকে ক্ষমতা দেওয়া হয় নাই। বিএডিসি কি করে আবেদনকারীকে ছারপত্র দিবে? টাকা লেনদেন করেও ছাড়পত্র না পেয়ে মামলার বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রণেদিত এবং মানহানিকর। 

বিএডিসি নাটোর রিজিয়নের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন জানান, উপজেলা সেচ কমিটির সাথে জেলা পর্যায়ের দপ্তরের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। বিএডিসি নির্বাহী প্রকৌশলী ও সহকারি প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরর বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও মানহানিকর।

রাসেদুল সেচ পাম্পের জন্য সেচ কমিটির কাছে আবেদন করে। কিন্তু নিয়ম অনুসারে নির্দিষ্ট দুরুত্ব না মেনে সেচ পাম্প বসানোর কারণে সেচ কমিটি ছাড়পত্র দেয়নি। সেই পাম্পের বৈধতা নেওয়ার জন্য বিএডিসির বিরুদ্ধে এই ধরনের মিথ্যা, মানহানিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর বিষয়ে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।

বড়াইগ্রাম উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, রাসেদুল ইসলাম নামে ওই ব্যক্তি সেচ কমিটির ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে গভীর নলকূপ স্থাপন করেছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।