বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

বিনিময় প্লাটফর্ম ছিল শেখ হাসিনার ছেলের শেল কোম্পানি: গভর্নর

আন্তঃব্যাংক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) এগোতে না পারার পেছনে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেওয়াকে একটি বড় কারণ বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।তিনি বলেন, আন্তঃব্যাংক এমএফএস পরিচালনার জন্য বিনিময় নামে যে প্লাটফর্ম করা হয়েছিল, সেটি ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের শেল কোম্পানি। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীতে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৫, ১৭:৪৬

আন্তঃব্যাংক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) এগোতে না পারার পেছনে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেওয়াকে একটি বড় কারণ বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
তিনি বলেন, আন্তঃব্যাংক এমএফএস পরিচালনার জন্য বিনিময় নামে যে প্লাটফর্ম করা হয়েছিল, সেটি ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের শেল কোম্পানি।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীতে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
এ সময় ছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের এমডি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান চৌধুরী, প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান তানজিল এ চৌধুরী, সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন প্রমুখ।

গভর্নর বলেন, আমাদের কর ব্যবস্থাপনার পূর্ণ অনলাইন প্রয়োজন, ভ্যাট- ট্যাক্স দেওয়ার ক্ষেত্রে পূর্ণ অনলাইন না হলে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি বন্ধ হবে না।
তিনি আরও বলেন, একটি পণ্য আমদানি থেকে উৎপাদন ও বিক্রি পর্যন্ত ১০ শতাংশের ওপরে ভ্যাট হওয়া উচিত না। বর্তমানে যে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ভ্যাট দিতে হচ্ছে তা সবার জন্য কঠিন হবে বলেও মনে করেন তিনি।
জানান, ইমিডিয়েটলি রাজস্ব খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন হবে না। এখানে অনেক ধরনের সংস্কার দরকার, যা করতে ৩ থেকে ৪ বছর লাগবে। বর্তমান সরকার হয়তো এই সময়টা পাবে না, তবে আমরা শুরু করব।

‘মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে পলিসি কাজ করছে না’ এমন আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে গভর্নর জানান, আমি বলব পলিসি ইজ ওয়ার্কিং একটু কন্ট্রোল ইনফ্লেশন। উন্নতশীল দেশগুলোতেও পদক্ষেপ নেওয়ার পর ১০ থেকে ১২ মাস সময় প্রয়োজন হয়।
আশা করছি আগামী জুনের মধ্যে ভালো একটা সুফল পাব।

বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরে এখন যে ডিপোজিট গ্রোথ রয়েছে তা খুবই কম বলেও মনে করেন গভর্নর। তার মতে, আমাদের ব্যাংকিং সেক্টরের ন্যূনতম ১৪ থেকে ১৬% পর্যন্ত ডিপোজিট গ্রোথ হওয়া দরকার।

অর্থনীতি

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে এবং বছর শেষে তা আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছবে। ড. আহসান এইচ মনসুর […]

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে এবং বছর শেষে তা আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছবে।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বিগত সময়ে এই খাতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগবে।

তবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমগুলো পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এগিয়ে নেবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

অর্থনীতির ভঙ্গুরতা এখনো পুরোপুরি না কাটলেও পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে বলে জানান গভর্নর। যদিও মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা এখনই ছোঁয়া সম্ভব হয়নি, তবে সে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য নতুন সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

এদিন দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় সক্ষম করে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি জানান, সরকার কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ চায় না। বরং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে অর্থনীতির সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করবে নতুন সরকার।

অর্থনীতি

চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাব : ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)–এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, দেশে অসহনীয় চাঁদাবাজি ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ‘ বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় নবগঠিত সরকারের নিকট প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:১১

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)–এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, দেশে অসহনীয় চাঁদাবাজি ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ‘

বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় নবগঠিত সরকারের নিকট প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে যে হারে চাঁদা দিতে হতো, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পরও ব্যবসায়ীদের একই হারে, এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি চাঁদা দিতে হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ডিসিসিআই সভাপতির মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতা, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, জ্বালানি সংকট ও ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতার কারণে বিনিয়োগ ও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে গেছে এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও তলানিতে। এসব সমস্যা সমাধানে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ব্যবসায়ীরা কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

অর্থনীতি

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুর মুক্তাদির। সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান। এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার সাংবাদিকদের জানান, দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। আজ বাণিজ্যমন্ত্রীর […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মার্চ ২০২৬, ১৪:০১

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুর মুক্তাদির।

সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।

এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার সাংবাদিকদের জানান, দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। আজ বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার সময় আমরা ভারতের পক্ষ থেকে নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করা ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃড় করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছি। দুদেশের জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক উন্নয়নে বিষয়ে আলোচনা করেছি।

​বৈঠকের আলোচ্য বিষয় তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী এবং একটি বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। তাদের সঙ্গে আমাদের প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে, যার মধ্যে ৯.৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি এবং ১.৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি।

এই বিশাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নিতে আমরা ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও প্রযুক্তির আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছি।

​বৈঠকে বন্ধ থাকা বর্ডার হাটগুলো পুনরায় চালু করা এবং ল্যান্ড বর্ডারগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, ভারতের সাবরুমে নির্মিত নতুন ল্যান্ড পোর্ট বা বন্দর অবকাঠামো ব্যবহারের বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া বেনাপোলসহ অন্যান্য স্থলবন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়েও সাধারণ আলোচনা হয়েছে।

​এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের সময়সীমা পেছানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ইআরডি (অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ) ইতোমধ্যে জাতিসংঘে আবেদন জানিয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

​মধ্যপ্রাচ্যের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হরমোজ প্রণালীতে সম্ভাব্য নৌ-চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, হরমোজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌ-রুট। এটি দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ থাকলে জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধি পায়, যার প্রভাব পণ্যের মূল্যের ওপর পড়ে। তবে আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আশা করছি দ্রুতই এর সমাধান হবে। বর্তমানে আমাদের নিত্যপণ্য বা জ্বালানি আমদানিতে কোনো শঙ্কার কারণ নেই।

​হাইকমিশনারের এই বৈঠককে একটি ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করে খন্দকার আবদুর মুক্তাদির বলেন, আজকের এই পরিচিতি সভা ও আলোচনা আগামী দিনে দুই দেশের বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে এবং সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।