সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

লালমনিরহাটে আখ চাষ অর্থনীতি ও সম্ভাবনার প্রতিচ্ছবি

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় লালমনিরহাট জেলা তার উর্বর মাটি এবং বৈচিত্র্যময় কৃষি উৎপাদনের জন্য পরিচিত। এ জেলার কৃষকদের মধ্যে আখ চাষ এক উল্লেখযোগ্য স্থান অধিকার করে আছে। আখ থেকে গুড়, চিনির মতো বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করা হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকার এ বছর থেকে দেশীয় চিনি কারখানা গুলো আবার উৎপাদন মুখী […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ জানুয়ারী ২০২৫, ২০:৪৫

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় লালমনিরহাট জেলা তার উর্বর মাটি এবং বৈচিত্র্যময় কৃষি উৎপাদনের জন্য পরিচিত। এ জেলার কৃষকদের মধ্যে আখ চাষ এক উল্লেখযোগ্য স্থান অধিকার করে আছে। আখ থেকে গুড়, চিনির মতো বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করা হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকার এ বছর থেকে দেশীয় চিনি কারখানা গুলো আবার উৎপাদন মুখী করার ফলে কৃষকরা আবার আখ চাষে লাভের আশ্বাস ফিরে পাচ্ছে।

রংপুর অঞ্চলে আখ চাষের ক্ষেত্রে গত কয়েক বছরে ধারাবাহিকভাবে হ্রাস লক্ষ্য করা গেছে। ২০২২ সালে রংপুর অঞ্চলে আখ চাষ হয়েছিল ৩৬,৫০০ হেক্টর জমিতে, যা এর আগের বছরগুলোতে ৫০ হাজারের বেশি হেক্টর জমিতে ছিল। সুগার মিল বন্ধ হওয়ার পর থেকে আখের চাষ ক্রমশ কমতে শুরু করেছে।

প্রতি হেক্টর জমি থেকে গড়ে ৫২ মেট্রিক টন আখ উৎপন্ন হয় এবং আখ থেকে ৪ মেট্রিক টন গুড় উৎপন্ন হয়। প্রতি হেক্টর জমিতে আখ উৎপন্ন এবং আখ থেকে গুড় উৎপাদন করতে খরচ হয় প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত।

আখ চাষ বাংলাদেশের কৃষি খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল। দেশের খাদ্যশস্য এবং শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আখ থেকে গুড়, চিনি এবং আখের রস উৎপাদিত হয়, যা দেশের মিষ্টান্ন এবং পানীয় শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এছাড়াও, আখের খড় পশুখাদ্য এবং জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। লালমনিরহাটে আখ চাষের মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক উন্নতি ঘটে এবং স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হয়।

লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ব্যাপকভাবে আখ চাষ করা হয়। বিশেষ করে হাতীবান্ধা, আদিতমারী এবং কালীগঞ্জ উপজেলায় আখ চাষের জন্য পরিচিত। আখ চাষের জন্য উর্বর মাটি এবং উপযুক্ত জলবায়ু লালমনিরহাটের কৃষকদের আখ চাষে উৎসাহিত করে। প্রতি বছর কৃষকেরা হাজার হাজার একর জমিতে আখ চাষ করেন এবং এ থেকে উল্লেখযোগ্য উৎপাদন লাভ করেন।

আখ চাষের জন্য প্রয়োজনীয় মাটি প্রস্তুতি, সঠিক সময়ে বীজ বপন, সঠিক সেচ এবং রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লালমনিরহাটে কৃষকেরা সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে আখের বীজ বপন করেন এবং ১০-১২ মাস পর ফসল কাটা হয়। আখের বীজ বপনের পর প্রায় প্রতি সপ্তাহে সেচ দেওয়া হয় এবং সুষম সার এবং কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে ফসলের রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

আখের ফসল সংগ্রহের পর, সেগুলো স্থানীয় গুড় কারখানায় পাঠানো হয়, যেখানে গুড় এবং চিনি উৎপাদিত হয়। স্থানীয় কৃষকেরা গুড় এবং চিনি উৎপাদনের মাধ্যমে তাদের আয় বাড়ায় এবং স্থানীয় বাজারে এ পণ্যগুলির সরবরাহ নিশ্চিত হয়। বাজারজাতকরণে চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে সঠিক সামঞ্জস্য না থাকলে কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য পায় না। 

লালমনিরহাটে আখ চাষের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। উন্নত কৃষি প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আখ চাষের পরিমাণ এবং গুণগত মান বৃদ্ধি করা সম্ভব। কৃষকদের আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি এবং নতুন বীজ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করে এ লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করা যায় । আখ সংরক্ষণের জন্য উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পচন কমানো সম্ভব। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গুদাম এবং সঠিক সংরক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে আখের দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণ নিশ্চিত করা যায়। উন্নত বিপণন নেটওয়ার্ক এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে আখের বাজারজাতকরণ সহজ করা যেতে পারে। কৃষকদের জন্য সরাসরি বাজার সংযোগ তৈরি করে এবং বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তাদের মুনাফা বৃদ্ধি করা যায়। সরকার এবং ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা যেতে পারে। এতে করে কৃষকরা আখ চাষের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করতে সক্ষম হবে।

কৃষক আবেদ আলী (৭০) যিনি ময়মনসিংহ থেকে লালমনিরহাটে এসেছিলেন শোনা যায় তারাই অনেক আগে থেকেই আখ চাষ করে থাকে। আখ চাষ সম্পর্কে তার সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, ‘আমরা বংশীয়ভাবে এখানে আখ চাষ করে থাকি। আমরা আশাহত হই নাই। আমরা এখনো নিয়মিতভাবে আখ চাষ করি। ইদানিং শোনা যাচ্ছে সরকার চিনি মিল গুলো চালু করে দিবে তো এটা আমাদের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ।’

জেলা কৃষি উপ-পরিচালক ড. মোঃ সাইখুল আরিফিন আগাম আখ চাষ সম্পর্কে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা এবার আখ চাষে কৃষকদের বেশি উৎসাহ দিব। কারণ সরকার চিনি কল গুলো চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সে ক্ষেত্রে সামনের মৌসুমে আখের একটি ব্যাপক চাহিদা লক্ষণীয়।’

আখ চাষ লালমনিরহাটের স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। এই চাষাবাদ বিভিন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে, যা স্থানীয় জনগণের জীবিকা নির্বাহের একটি মাধ্যম হয়ে ওঠে। কৃষক, কাজের মানুষ এবং পরিবহন ব্যবস্থার সাথে যুক্ত লোকজন সবাই এর থেকে উপকৃত হয়। এছাড়াও, আখ চাষের মাধ্যমে উৎপাদিত গুড় এবং চিনি স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।