শনিবার দুপুরে রাজধানীর বিআরটিএ ভবনে আলোচনা সভায় তিনি বলেন, যানবাহনের ফিটনেস, লাইসেন্স ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে দায় নিতে হবে বিআরটিএকে।
প্রতিদিনই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। তদন্তে বেরিয়ে আসে চালকের লাইসেন্স নেই, ফিটনেস ছাড়াও চলছে অনেক গাড়ি। এসবের পেছনে বিআরটিএ’র দায় দেখছেন দুর্ঘটনা বিশ্লেষকরা। তাদের অভিযোগ, যানবাহনের ফিটনেস নবায়ন, চালকদের লাইসেন্স, মালিকানা পরিবর্তন করতে বিআরটিতে হয়রান হতে হয়। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না।
বিআরটিএ’র আচরণে ক্ষুব্ধ সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সংশোধন না হলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
সড়ক উপদেষ্টা জানান, বিআরটিরএ’র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এমন আচরণ সহ্য করা হবে না। সবাইকে শুধরে যাওয়ার জন্য সতর্ক করেন তিনি।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘কন্ট্রোলার অব ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট বলে একটা অফিস ছিল। রমরমা অফিস ছিল। সেই অফিসটা এখন আর নাই। এর কারণটা হলো ওরা মানুষকে যে সেবাটা দেওয়ার কথা ছিল, দিতে পারে নি। ফলে আমরা ওটা বন্ধ করে দিই। আমরা এটাও বলেছি বিআরটিএ’র পারফরমেন্সে যদি উন্নতি না হয় তাহলে আমরা এটা বন্ধ করে দেওয়ার কথাও চিন্তা করব।’
উপদেষ্টা আরও জানান, যানবাহনের ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে দায় নিতে বিআরটিকে। সড়কের সমস্যার জন্য অভিযুক্ত হবেন প্রকৌশলী।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার কারণে যে সব দুর্ঘটনা হবে সেগুলোর জন্য বিআরটিএ অফিসকে দায়ী করা হবে। এগুলোর দায়িত্ব তাদের ওপর বর্তাবে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপদেষ্টা বলেন, ৩ মাসের মধ্যে সব সিটি করপোরেশনে সরকারি হাসপাতালের ড্রাইভারদের ডোপ টেস্ট করা হবে।