মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ইসলাম ও জীবন

হজ্ব নিবন্ধনের মাত্র বাকি ১দিন, এখনও কোটা খালি ৫০ হাজার

২০২৫ সালে হজে যেতে নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। এদিন অফিস সময়ের পরও হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংকগুলোর শাখা খোলা থাকবে। যেন শেষ সময়ে কোনো হাজি নিবন্ধন নিয়ে জটিলতায় না পড়েন। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি মিলে নিবন্ধন করেছেন ৭৬ হাজার ৯৪২ জন হজযাত্রী। কোটা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে পারবেন এক লাখ ২৭ […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৮:৩৯

২০২৫ সালে হজে যেতে নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। এদিন অফিস সময়ের পরও হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংকগুলোর শাখা খোলা থাকবে। যেন শেষ সময়ে কোনো হাজি নিবন্ধন নিয়ে জটিলতায় না পড়েন।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি মিলে নিবন্ধন করেছেন ৭৬ হাজার ৯৪২ জন হজযাত্রী। কোটা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে পারবেন এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত কোটা খালি আছে ৫০ হাজার ২৫৬টি।

মাত্র একদিন সময় বাকি থাকলেও কাঙ্ক্ষিত সাড়া মিলছে না হজ নিবন্ধনে। শেষ দিনে আরও কিছু হাজি নিবন্ধন করতে পারেন। কিন্তু এ সংখ্যা খুব উল্লেখ করার মতো নয়। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন সরকার। এমতাবস্থায় হজ এজেন্সির মালিকরা আরেক দফা সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। যদিও আর সময় বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

তিনি বলেন, ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত হজযাত্রী নিবন্ধনের শেষ সময় দেওয়া হয়েছে। সৌদি সরকার আমাদের কাছে বারবার জানতে চাচ্ছে আমরা কত সংখ্যক হাজি পাঠাবো। কিন্তু শেষ না হওয়ায় আমরা জানাতে পারছি না। এজন্য ২৬ ডিসেম্বরের পর আর সময় বাড়ানোর সুযোগ নেই। নিবন্ধন শেষ হলে আমরা প্রকৃত সংখ্যাটি সৌদিকে জানাতে পারবো। আর এ সংখ্যা অনুসারে বাড়ি ভাড়া, মিনায় তাঁবু নির্ধারণ ইত্যাদি কাজ শেষ করতে হবে। আমরা ইতোমধ্যে এসব কাজের জন্য সৌদিতে এক কোটি টাকার বেশি পাঠিয়েছি।

ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, হজ ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে আমাদের আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই। আমরা বেসরকারি এজেন্সির সঙ্গে সমন্বয় করে হাজিদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আশা করি, আগামী হজ অত্যন্ত সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারবো আমরা।

এদিকে বৃহস্পতিবার নিবন্ধনের শেষ দিন হওয়ায় পবিত্র হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংকগুলোর সব শাখাসমূহে ২৬ ডিসেম্বর অফিস সময়ের পরেও খোলা রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২০২৫ সনের হজের নিবন্ধন কার্যক্রম ২৬ ডিসেম্বর শেষ হবে। হজযাত্রীদের নিবন্ধনের অর্থ জমাদানের স্বার্থে ওইদিন সারাদেশে হজের অর্থ গ্রহণকারী সব ব্যাংকের শাখাসমূহ অফিস সময়ের পরেও খোলা রাখা প্রয়োজন।

বর্ণিতাবস্থায়, ১৫ ডিসেম্বর সারাদেশে হজের অর্থ গ্রহণকারী ব্যাংকের শাখাসমূহ অফিস সময়ের পরেও যতক্ষণ অর্থ জমাদানকারী থাকেন ততক্ষণ পর্যন্ত হজের নিবন্ধনের অর্থ গ্রহণের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের হজের জন্য গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় প্রাথমিক নিবন্ধন। নিবন্ধনের শেষ সময় ছিল ৩০ নভেম্বর। কিন্তু কাঙ্খিত সাড়া না মেলায় এক দফা সময় বাড়ানো হলো। এর পর আরও দুই দফা সময় বাড়ানো হয়।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ৫ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে একলাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। এর মধ্যে ১০ হাজার ১৯৮ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং বাকি একলাখ ১৭ হাজার হজযাত্রী যাবেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে।

২০২৪ সালের হজে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের বিপরীতে হজে গিয়েছিলেন ৮৫ হাজার ২৫৭ জন। ৪১ হাজার ৯৪১ জনের কোটা ফাঁকা ছিল।

ইসলাম ও জীবন

মিসরে কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ী চ্যাম্পিয়ন হাফেজ আনাসকে বিমানবন্দরে সংবর্ধনা

মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরেছেন হাফেজ আনাস বিন আতিক। এ উপলক্ষে তাকে দেওয়া হয়েছে নাগরিক সংবর্ধনা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াতে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে আবারও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন এই কিশোর হাফেজ। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রথমে তাকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪:৫২

মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরেছেন হাফেজ আনাস বিন আতিক। এ উপলক্ষে তাকে দেওয়া হয়েছে নাগরিক সংবর্ধনা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াতে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে আবারও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন এই কিশোর হাফেজ।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রথমে তাকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে ছাদখোলা বাসে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে তাকে সংবর্ধিত করা হয়। এ সময় ধর্মপ্রাণ মানুষের পাশাপাশি সাধারণ জনগণও বিশ্বজয়ী এই হাফেজকে এক নজর দেখার জন্য রাজপথে ভিড় করেন।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে হাফেজ আনাস বলেন, আমরা যে দেশের ক্বারীদের তিলাওয়াত শুনে কেরাত শিখি, সেই দেশের প্রতিযোগিতায় বিজয় অর্জন করা আমার জন্য পরম সৌভাগ্যের। কেরাতের রাজধানী হিসেবে পরিচিত মিসরে গিয়ে প্রথম হওয়া সহজ ছিল না। তবে আমার ওস্তাদ, মা–বাবা এবং দেশবাসীর দোয়ায় এটি সম্ভব হয়েছে।

হাফেজ আনাসের ওস্তাদ শায়খ নেছার আহমদ আন নাছিরী বলেন, তৃতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয় করেছে আমার ছাত্র। কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ৭০টি দেশের প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রথম স্থান অর্জন করে সে সবাইকে চমকে দিয়েছে।

তিনি জানান, গত ৭ ডিসেম্বর কায়রোতে চার দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়। বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত জাতীয় বাছাইপর্বে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে হাফেজ আনাস আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।

প্রসঙ্গত, হাফেজ আনাস রাজধানীর মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের লোপাড়া গ্রামে। এর আগেও তিনি সৌদি আরব ও লিবিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন।

ইসলাম ও জীবন

শবে বরাত: ক্ষমা, রহমত ও ভাগ্যনির্ধারণের বরকতময় রজনী

মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের প্রতি অসীম দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি বিভিন্ন সময় ও উপলক্ষ নির্ধারণ করে দেন, যাতে গুনাহগার বান্দারা অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারে। এমনই একটি বিশেষ রজনী হলো শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত, যা মুসলমানদের কাছে শবে বরাত নামে পরিচিত। কোরআনুল কারিমে এই রাতকে বলা হয়েছে ‘লাইলাতুম মুবারাকা’—বরকতময় […]

শবে বরাত: ক্ষমা, রহমত ও ভাগ্যনির্ধারণের বরকতময় রজনী

শবে বরাত: ক্ষমা, রহমত ও ভাগ্যনির্ধারণের বরকতময় রজনী

নিউজ ডেস্ক

০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের প্রতি অসীম দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি বিভিন্ন সময় ও উপলক্ষ নির্ধারণ করে দেন, যাতে গুনাহগার বান্দারা অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারে। এমনই একটি বিশেষ রজনী হলো শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত, যা মুসলমানদের কাছে শবে বরাত নামে পরিচিত।

কোরআনুল কারিমে এই রাতকে বলা হয়েছে ‘লাইলাতুম মুবারাকা’—বরকতময় রাত। আর হাদিসে একে উল্লেখ করা হয়েছে ‘লাইলাতুন নিস্ফ মিন শাবান’ হিসেবে।

শবে বরাতের ফজিলত ও তাৎপর্য
হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) সূত্রে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,
“শাবান মাসের অর্ধ রজনীতে আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টিজগতের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন।”
(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস: ৫৬৬৫)

অষ্টম শতাব্দীর প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ আল্লামা নূরুদ্দীন হাইসামি (রহ.) এই হাদিসের সব বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

এ বিষয়ে হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে জানা যায়, শবে বরাতের রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) দীর্ঘ সময় সিজদায় মগ্ন ছিলেন। পরে তিনি বলেন,
“এ রাতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের প্রতি বিশেষ করুণার দৃষ্টি দেন এবং ক্ষমাপ্রার্থীদের ক্ষমা করেন।”
(শুআবুল ইমান)

শবে বরাতে ইবাদত ও রোজার গুরুত্ব
হজরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন,
“১৪ শাবানের রাত তোমরা ইবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করো এবং পরদিন রোজা রাখো।”
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৩৮৮)

হাদিস বিশারদদের মতে, ফজিলতের ক্ষেত্রে এই হাদিস গ্রহণযোগ্য।

ভাগ্য নির্ধারণের রাত
পবিত্র কোরআনে সুরা দুখানে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন—
“এই বরকতময় রাতে হেকমতপূর্ণ সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।”
(সুরা দুখান: ২–৩)

তাফসিরকারদের একাংশের মতে, এখানে শবে বরাতের কথাই বোঝানো হয়েছে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন,
“অর্ধ শাবানের রাতে সব ফয়সালা নির্ধারিত হয়, আর শবে কদরে তা দায়িত্বপ্রাপ্ত ফেরেশতাদের কাছে অর্পণ করা হয়।”

হাদিসে আরও এসেছে—এই রাতে মানুষের জন্ম-মৃত্যু, রিজিক ও আমলনামা নির্ধারণ করা হয়।

করণীয় কী?

শবে বরাতের রাতে বেশি বেশি—

  • তসবিহ-তাহলিল
  • ইসতিগফার
  • দরুদ শরিফ
  • কোরআন তেলাওয়াত
  • নফল ও কাজা নামাজ
  • দোয়া ও মুনাজাত
  • কবর জিয়ারত
  • করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উপসংহার
শবে বরাত কোনো বিদআত নয়; বরং কোরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত একটি ফজিলতপূর্ণ রাত। এই রাতে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা, আত্মশুদ্ধি ও ইবাদতের মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের সবাইকে শবে বরাতের ফজিলত উপলব্ধি করে যথাযথভাবে আমল করার তাওফিক দান করেন। আমিন।

লেখক:
মাওলানা মির্জা নাইমুল হাসান বেগ

ইসলাম ও জীবন

পবিত্র শবে বরাত : মসজিদে মসজিদে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল মুসল্লিরা

আজ পবিত্র লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত। শাবান মাসের মধ্যরাত—মুসলমানদের কাছে আত্মশুদ্ধি, তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার এক মহিমান্বিত রাত। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, এই রাতে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন এবং অসংখ্য মানুষ গুনাহ মাফের সুযোগ লাভ করেন। এ কারণে শবে বরাত মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি রাত। শবে […]

পবিত্র শবে বরাত : মসজিদে মসজিদে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল মুসল্লিরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩০

আজ পবিত্র লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত। শাবান মাসের মধ্যরাত—মুসলমানদের কাছে আত্মশুদ্ধি, তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার এক মহিমান্বিত রাত।

হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, এই রাতে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন এবং অসংখ্য মানুষ গুনাহ মাফের সুযোগ লাভ করেন। এ কারণে শবে বরাত মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি রাত।

শবে বরাত উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নেমেছে। নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে তারা আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করছেন।

লাইলাতুল বরাত পালন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-না’ত, ওয়াজ মাহফিল ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।

মাগরিবের নামাজের আগ থেকেই বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিরা জড়ো হতে থাকেন। নামাজ শেষে শবে বরাতের ফজিলত ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বাদ এশা আবারও ধর্মীয় আলোচনা শেষে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ব্যক্তি, সমাজ ও দেশের কল্যাণ, শান্তি-সমৃদ্ধি এবং গুনাহ মাফের জন্য দোয়া করা হয়।

মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা জানান, তারা নিজেদের গুনাহ মাফ এবং দেশ ও জাতির শান্তি কামনা করে দোয়া করেছেন।

এই পবিত্র রাতে নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও তওবার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকেন। ফলে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের মসজিদগুলোতে আজ সারারাত ইবাদতের পরিবেশ বিরাজ করছে।