বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেহেরপুরে মাদক পাচারে জড়িয়ে পড়ছে নারীরা

মজনুর রহমান , মেহেরপুরঃ মেহেরপুরে আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অনবদ্য ভূমিক রেখে চলেছে নারীরা। তবে সমাজের নারীদের একটি অংশ জড়িয়ে পড়ছে মাদক পাচারে। মাদক পাচারের সাথে সাথে নিজেরাও জড়িয়ে পড়ছে মাদক সেবনে। তারা হরেক কিছিমের মাদক পাচার ও সেবনে জড়িয়ে যাচ্ছে। একের পর এক মামলা হলেও মাদক পাচার ও সেবন থেকে কোন মতেই ফেরানো সম্ভব হচ্ছে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ মার্চ ২০২৬, ১৫:৩৮

মজনুর রহমান , মেহেরপুরঃ

মেহেরপুরে আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অনবদ্য ভূমিক রেখে চলেছে নারীরা। তবে সমাজের নারীদের একটি অংশ জড়িয়ে পড়ছে মাদক পাচারে। মাদক পাচারের সাথে সাথে নিজেরাও জড়িয়ে পড়ছে মাদক সেবনে। তারা হরেক কিছিমের মাদক পাচার ও সেবনে জড়িয়ে যাচ্ছে। একের পর এক মামলা হলেও মাদক পাচার ও সেবন থেকে কোন মতেই ফেরানো সম্ভব হচ্ছে না। পুরুষরা প্রশাসনের টার্গেটে থাকলেও নারীরা সহজে প্রশাসনের চোখ ফাকি দিতে পারে। এজেন্য মাদক পাচারে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বেড়েছে। 

মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদন এবং আদালতের নথিতে দেখা গেছে, গত এক বছরে জেলায় অন্তত তিন ডজন নারী মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। এদের অনেকেই জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন। আদালতৈ মামলা চালানোর খরচ ও সাংসারিক প্রয়োজনে তারা আবারো মাদক পাচারের পথে পা বাড়াচ্ছে।

প্রশাসনের ভাষ্য, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়; বরং গড়ে উঠছে সুসংগঠিত একটি মাদক সরবরাহ চক্র, যেখানে নারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে তুলনামূলক নিরাপদ বাহক হিসেবে। অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের পুরুষ সদস্য গ্রেপ্তার বা পলাতক হওয়ার পর ব্যবসার দায়িত্ব নিচ্ছেন স্ত্রী, মা কিংবা বোনেরা। ফলে মাদক কারবার এখন পরিবারভিত্তিক রূপ নিচ্ছে।

মেহেরপুর জেলা পুলিশ, ডিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদক উদ্ধার হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে গাঁজা, ইয়াবা ও ফেনসিডিল বেশি উদ্ধার হলেও ২০২৬ সালে হেরোইনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেড়েছে। সব মিলিয়ে মেহেরপুরে মাদক এখন আর শুধু অপরাধ নয়; এটি একটি গভীর সামাজিক সংকটে রূপ নিয়েছে। সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়ত নতুন চালান ঢুকছে, আর সেই সরবরাহ ব্যবস্থায় নারীদের যুক্ত করে গড়ে উঠছে নতুন নেটওয়ার্ক।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ভারত থেকে ফেনসিডিল, গাঁজা, ইয়াবা ও হেরোইনের বড় চালান সীমান্তপথে মেহেরপুর ও গাংনীতে প্রবেশ করে। প্রথমে এসব মাদক সীমান্তসংলগ্ন গ্রামগুলোতে মজুত রাখা হয়, পরে সেখান থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকা ও আশপাশের জেলায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এই পরিবহন ব্যবস্থায় নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গৃহস্থালির জিনিসপত্র বা পারিবারিক চলাচলের আড়ালে সহজে মাদক পরিবহন সম্ভব হওয়ায় চক্রগুলো এই কৌশল বেছে নিচ্ছে।

বর্তমানে মেহেরপুরের আদালতে প্রায় ৪ হাজার ২০০টি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে, যার মধ্যে নারী আসামির সংখ্যা দুই শতাধিক। বিভিন্ন অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া নারীদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা ও হেরোইনের বড় চালান। গাংনী উপজেলার এক ঘটনায় হেলেনা আক্তারের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া দেড়শ বোতল ফেনসিডিল সাম্প্রতিক সময়ের বড় চালানগুলোর একটি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

গাংনী ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রমজান আলী জানান, নারীদের মাদক পাচার শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়; বরং গভীর সামাজিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত। দারিদ্র্য, দ্রুত অর্থ উপার্জনের প্রলোভন এবং সীমান্ত এলাকার দীর্ঘদিনের চোরাচালান সংস্কৃতি মিলিয়ে নারীরা এই পথে জড়িয়ে পড়ছেন। আর্থিক আকর্ষণ ও সামাজিক পরিবর্তন তাদের এই পথে ঠেলে দিচ্ছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বিদ্যুৎ বিহারি জানান, গত ২০২৫ সালে ৩১ জন নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার হলেও মূল হোতাদের অনেকেই ধরাছোঁয়ার বাইরে। নারী সদস্যের অভাবে অনেক সময় অভিযান পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হয়। এ কারণে দপ্তরে নারী সদস্য নিয়োগের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান জানান, মাদক ব্যবসা নারী-পুরুষ কারও জন্যই সহনীয় নয়। সম্প্রতি কিছু নারী সরাসরি মাদক পরিবহন ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন, যা উদ্বেগজনক। জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। তিনি আরও জানান, অনেক ক্ষেত্রে মূল হোতারা আড়ালে থেকে পরিবারের নারী সদস্যদের ব্যবহার করছে। আবার কেউ কেউ দ্রুত অর্থের লোভে নিজেরাই এই নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছেন। 

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।