তেহরান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ইরান থেকে তুরস্কের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে কোনো প্রকার ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইল নিক্ষেপ করা হয়নি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ, ২০২৬) তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে তিনি এই নিশ্চয়তা প্রদান করেন।
আরাঘচি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা এবং ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে একটি মহল তেহরানের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি এই ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
টেলিফোন সংলাপে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ সৈয়দ মুজতবা খামেনির নির্বাচিত হওয়ার ঘটনায় অভিনন্দন জানান। দুই দেশের মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও গভীর সম্পর্ক বজায় রাখার ওপরও তিনি জোর দেন।
সাম্প্রতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইরান কর্তৃক তুরস্কের ওপর হামলার যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে দুই দেশ দ্রুতই একটি যৌথ সামরিক বিশেষজ্ঞ দল (Joint military expert group) গঠনের বিষয়ে একমত হয়েছে। এর আগে গত সোমবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সাথে আলাপকালে এই অভিযোগগুলো নাকচ করে দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনির শাহাদাত এবং পরবর্তী সামরিক উত্তজনা শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইরান বারবার দাবি করে আসছে যে, তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর এবং কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন তাদের উদ্দেশ্য নয়।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই-ও আজারবাইজান এবং সাইপ্রাসে ইরানি হামলার দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?