মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইসরাইলের গণহত্যাকে জার্মানি কেন নিঃশর্ত সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে?

গাজায় চলমান ইসরাইলি বর্বরোচিত আগ্রাসনের পক্ষে জার্মান সরকারের সমর্থন অনেককেই বিস্মিত করেছে। ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর দেশটির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ বলেছিলেন,‘এ মুহূর্তে জার্মানবাসীর একটাই পথ। আমরা ইসরাইলের পাশে আছি। ইসরাইলের নিরাপত্তা জার্মান রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত– এর মধ্য দিয়ে মূলত আমরা সে কথাই তুলে ধরি।’ জার্মান সংবাদমাধ্যমের ভাষ্যকাররা আন্তর্জাতিক আদালত-আইসিজে ইসরাইরের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার মামলাটিকে ‘স্পষ্টত […]

নিউজ ডেস্ক

০২ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৮:৫৩

গাজায় চলমান ইসরাইলি বর্বরোচিত আগ্রাসনের পক্ষে জার্মান সরকারের সমর্থন অনেককেই বিস্মিত করেছে। ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর দেশটির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ বলেছিলেন,‘এ মুহূর্তে জার্মানবাসীর একটাই পথ। আমরা ইসরাইলের পাশে আছি। ইসরাইলের নিরাপত্তা জার্মান রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত– এর মধ্য দিয়ে মূলত আমরা সে কথাই তুলে ধরি।’ জার্মান সংবাদমাধ্যমের ভাষ্যকাররা আন্তর্জাতিক আদালত-আইসিজে ইসরাইরের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার মামলাটিকে ‘স্পষ্টত একতরফা’ ঘোষণা করে একে অবৈধ প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে ইসরাইলের ভিতরে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের আল আকসা তুফান অভিযানের পর থেকে পাঁচ মাসে গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের সমালোচনাকে বন্ধ করার জন্য জার্মানি হলোকাস্টকে কীভাবে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করেছে বিশ্ব তা দেখেছে। এই সংকটে জার্মান সরকারের আচরণ কার্যত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের থেকে আলাদা ছিল না: উভয় দেশই ইসরাইলি শাসক গোষ্ঠীর কাছে অস্ত্র পাঠিয়েছিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরাইলকে সমর্থন করেছিল। কিন্তু অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে, জার্মানি আরও এগিয়ে গেছে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে তাদের একাত্মতা ঘোষণাকারী প্রতিবাদকারী শিল্পী এবং বুদ্ধিজীবীদের দমনে আরও আক্রমনাত্মকভাবে কাজ করেছে।

জার্মানি হচ্ছে সেই দেশ যেটির ওপর কথিত হলোকাস্টের প্রেতাত্মা ভর করে রয়েছে। নিজের নামের পাশ থেকে সেই কলঙ্ক মুছে ফেলার জন্য দেশটি শুরু থেকে ইসরাইল নামক অবৈধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও এটিকে টিকিয়ে রাখার কাজে সাহায্য করেছে। সেইসঙ্গে গত বছরের অক্টোবরে ইহুদিবাদী ইসরাইল গাজায় আগ্রাসন চালানোর পর থেকেই ওই হামলাকে সমর্থন জানিয়ে এসেছে জার্মানি।

জার্মানিতে হলোকাস্ট স্মরণ সংস্কৃতির গঠন এবং বিবর্তনের প্রক্রিয়ার বিষয়ে খুব কমই আলোচনা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেকেই জার্মানিকে একটি নেতৃস্থানীয় দেশ হিসাবে দেখেন যে দেশটিতে হলোকাস্ট স্মরণের এই সংস্কৃতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে যা ইসরায়েলের জন্য নিঃশর্ত সমর্থনের দিকে পরিচালিত করেছে। কিন্তু বাস্তবতা এর চেয়েও জটিল। ১৯৮০ সাল থেকে ফেডারেল রিপাবলিক অফ জার্মানির রাজনৈতিক কাঠামোতে হলোকাস্ট স্মরণের এই সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

এই পরিবর্তনগুলোর জন্য বেশিরভাগ দায়ী অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের উপর যিনি গত দুই দশক ধরে জার্মান রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করেছেন। কিন্তু এটি লক্ষ করা উচিত যে এই সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক শক্তিগুলো জার্মানির বাম এবং আমেরিকা ও ইসরাইলের ডানপন্থীদের মধ্যে একটি অপ্রত্যাশিত জোট তৈরি করেছিল। আজ, জার্মান জোট সরকার সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট, গ্রিনস এবং ফ্রি ডেমোক্র্যাটদের নিয়ে গঠিত। নেইম্যানের মতে ইসরাইল সম্পর্কে এই সরকারের অবস্থান “মার্কিন-ইসরাইল জনসংযোগ কমিটি বা আইপেকের অবস্থানের চেয়ে বেশি রক্ষণশীল এবং সহায়ক।”

২০০৫ সালে যখন লাল-সবুজ সরকারের অবসান ঘটে যখন মার্কেল জার্মানির চ্যান্সেলর হন এবং ১৬ বছর ধরে এই পদে অধিষ্ঠিত হন। ২০০৮ সালে ইসরাইলের পার্লামেন্টে বক্তৃতা দেওয়ার সময় যেটি জার্মান চ্যান্সেলরের প্রথম বক্তৃতা ছিল মার্কেল জোর দিয়েছিলেন যে তার সমস্ত পূর্বসূরিরা ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য জার্মানির বিশেষ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন ছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে “এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব আমার দেশের জাতীয় স্বার্থের অংশ।”

২০০০ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে ইসরাইলে জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডলফ ড্রেসার দ্বারা মার্কেলের অবস্থান স্পষ্টভাবে প্রভাবিত হয়েছিল। ড্রেসার ২০০৫ সালে একটি নিবন্ধে লিখেছিলেন যে ইসরাইলের নিরাপত্তা আমাদের জাতীয় স্বার্থের অংশ।

যদিও শব্দটি মূলত জোশকা ফিশারের কাছ থেকে ধার করা হয়েছিল মার্কেলের উপদেষ্টারা এটিকে তার “খ্রিস্টান গণতান্ত্রিক বক্তৃতা শৈলীর” চেয়ে বেশি উপযুক্ত বলে মনে করেছেন। স্পিগেল রিপোর্ট অনুযায়ী মার্কেলের এই পদক্ষেপটি কোনো বিকল্প নেই নীতি হিসাবে পরিচিত ছিল যেটি কার্যত গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার বৃত্ত থেকে ইসরাইলের প্রতি জার্মানির নীতিকে সরিয়ে দেয় এবং ঐতিহাসিক জার্গেন জিমারারের মতে এই নীতিটিকে “নো-ননসেন্স” নীতিতে পরিণত করে।

মার্কেল এক্ষেত্রে সফল ছিলেন। জার্মানির প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক দল এই বিষয়ে একমত যে ইসরাইলের প্রতি দায়িত্ব দেশের জাতীয় স্বার্থের অন্যতম নীতি। ২০২১ সালে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট, গ্রিনস এবং ফ্রি ডেমোক্র্যাটদের সমন্বয়ে গঠিত নতুন জোট সরকার একটি চুক্তি প্রকাশ করেছে যাতে বিস্ময়করভাবে এই ধারাটি অন্তর্ভুক্ত ছিল যে ইসরাইলের নিরাপত্তাই আমাদের জাতীয় স্বার্থ।

আল-আকসা তুফান অভিযান শুরু হওয়ার পর গাজা যুদ্ধের ব্যাপারে জার্মানির মানবতাবিরোধী সমর্থন বিশ্বব্যাপী বার্লিনের গ্রহণযোগ্যতা আগের চেয়েও কমিয়ে দিয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর আল-আকসা তুফান অভিযান শুরু হওয়ার পাঁচ দিন পর জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎস এক বক্তৃতায় গাজা যুদ্ধের ব্যাপারে তার দেশের নীতি সুস্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে জার্মানি শুধুমাত্র ইসরাইলের পাশে থাকতে চায়।”

চ্যান্সেলরের ওই ঘোষণার পর জার্মানি ইসরাইলের কাছে নিজের অস্ত্র রপ্তানি প্রায় ১০ গুণ বাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে গাজার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর প্রয়োগ করার জন্য আমেরিকার পর ইসরাইলকে সবচেয়ে বেশি সমরাস্ত্র সরবরাহ করে যাচ্ছে জার্মানি।

ইসরাইলের প্রতি জার্মানির এই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ আরব দেশগুলোর জনগণ ভালোভাবে নেয়নি। উত্তর আফ্রিকার আরব দেশ তিউনিশিয়ায় জার্মানির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা শিশু হত্যাকারী ইসরাইলের প্রতি জার্মানির অকুণ্ঠ সমর্থনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। গত বছরের অক্টোবরে তিউনিশিয়ার রাজধানী তিউনিসে একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার প্রোগল যে বক্তব্য দেন তার বিরুদ্ধে তিউনিশিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

ওই অনুষ্ঠানে তিউনিশিয়ার শিক্ষামন্ত্রী ইসরাইলি আগ্রাসনের শিকার গাজাবাসীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। এরপর জার্মান রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে ইসরাইলের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনা তিউনিশিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যে জার্মান দূতাবাসের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ হয় এবং বিক্ষোভকারীরা জার্মান রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবি জানান।

ইসরাইলের প্রতি জার্মানির সমর্থনের কারণে পশ্চিম এশিয়ায় তৎপর জার্মানির বহু প্রতিষ্ঠান স্থানীয় জনগণের রোষাণলে পড়েছে।

মার্কেল অফিস ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে তার পররাষ্ট্র নীতির উত্তরাধিকারের সমালোচনা বেড়েছে বিশেষ করে চীন এবং রাশিয়ার তুলনায় নিরাপত্তার চেয়ে অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে। কিন্তু ৭ই অক্টোবরের পরের ঘটনাগুলো দেখায় যে ইসরাইলের প্রতি জার্মানির পররাষ্ট্রনীতিতে মার্কেলের পূর্বসরীরাও ধ্বংসাত্মকভাবে কাজ করেছে। ২০০৯ ইসরাইলি পার্লামেন্টে মার্কেলের বক্তৃতার এক বছর পরে নেতানিয়াহু দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসেন এবং তারপর থেকে ইসরাইল ক্রমবর্ধমানভাবে চরম ডানদিকে ঝুঁকেছে। এখন জার্মানি ইসরাইলের সমালোচনা করতে অক্ষম বা অনিচ্ছুক এমনকি ইসরাইল তাদের ভূমি থেকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ এবং তাদের উপর বোমাবর্ষণ করা অব্যাহত রাখলেও।#

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৪৬০

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৪৬০

আন্তর্জাতিক

‘ভারত যদি বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে মিসাইল ছুঁড়ে জবাব দেবে পাকিস্তান’ : পাকিস্তানি নেতা

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি। ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৬

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি।

ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে পাকিস্তান তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশকে উসকানি দিচ্ছে এবং দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।

এ সময় কামরান উসমানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা উচিত।

তবে উসমানির এসব বক্তব্য ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৪৬০

আন্তর্জাতিক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত : ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন, এমন দাবি করেছে ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম। যদিও কোনো পক্ষেরই আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ নেই। ইসরায়েলের টেলিভিশন চ্যানেল-১২ অজ্ঞাতনামা ইসরায়েলি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, আজ শনিবারের এক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি সম্ভবত নিহত হয়েছেন। এমন মূল্যায়ন করছে ইসরায়েলের কর্মকর্তারা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে ক্রমবর্ধমান ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ২০ জুন […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১:৩৮

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন, এমন দাবি করেছে ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম। যদিও কোনো পক্ষেরই আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ নেই।

ইসরায়েলের টেলিভিশন চ্যানেল-১২ অজ্ঞাতনামা ইসরায়েলি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, আজ শনিবারের এক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি সম্ভবত নিহত হয়েছেন। এমন মূল্যায়ন করছে ইসরায়েলের কর্মকর্তারা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে ক্রমবর্ধমান ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৪৬০