বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সুবর্ণচরে প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে সরকারি খাসজমি দখলের মহোৎসব

(সুবর্ণচর প্রতিনিধি) নোয়াখালী নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলাতে চলছে সরকারি খাসজমি দখলের মহোৎসব। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় কিছু ব্যক্তি প্রশাসনের নিরব সমর্থন এবং নামমাত্র “ম্যানেজমেন্ট”-এর আশীর্বাদে খাসজমি দখল করে স্থায়ী ইমারত নির্মাণ করছেন। সবকিছু হচ্ছে উপজেলা প্রশাসনের চোখের সামনেই। সরেজমিনে দেখা যায়, খোদ উপজেলা প্রশাসন ও জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন আঞ্চলিক হাইওয়ে সড়কটির পাশে ২নং চরবাটা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ মার্চ ২০২৬, ১৬:৫৪

(সুবর্ণচর প্রতিনিধি) নোয়াখালী

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলাতে চলছে সরকারি খাসজমি দখলের মহোৎসব। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় কিছু ব্যক্তি প্রশাসনের নিরব সমর্থন এবং নামমাত্র “ম্যানেজমেন্ট”-এর আশীর্বাদে খাসজমি দখল করে স্থায়ী ইমারত নির্মাণ করছেন। সবকিছু হচ্ছে উপজেলা প্রশাসনের চোখের সামনেই।

সরেজমিনে দেখা যায়, খোদ উপজেলা প্রশাসন ও জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন আঞ্চলিক হাইওয়ে সড়কটির পাশে ২নং চরবাটা ইউনিয়নের ৩০৩ নং চরমজিদ মৌজার খাস খতিয়ানের আন্দরে ২১৪৬ দাগে সড়কের অংশে ০.৭২ একর ভূমিতে ভূঞারহাট এলাকায় সরকারি খাস জমি দখলের মহোৎসব চলছে।

উক্ত দাগে যেটুকু বাকি আছে সেটাও দখল হয়ে যাওয়ার উপক্রম। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ করে জনবসতি সংলগ্ন খাসজমি গুলোতে এখন একের পর এক দখল অভিযানে মেতে উঠেছে ভূমিদস্যুরা। উল্লেখ্য পূর্বে উক্ত ভূমিতে অবৈধ খাস জমি দখলের কারণে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয় এবং জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিট্রেট দেবাশীষ দাস কর্তৃক খাস জমি হইতে অবৈধ স্থাপনায় গড়ে উঠা ২০টি দোকানঘর গুড়িয়ে দেন। পূর্বের উচ্ছেদ অভিযানের একটি কপি এ প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।

অনুসন্ধানে জানাগেছে, প্রভাবশালীদের একটি সিন্ডিকেট কেউ আবার মিথ্যা তথ্যে দিয়ে নিজেদের ভূমিহীন দাবি করে, কেউ আবার নিজেদের নিকট আত্নীয়স্বজন, রাজনৈতিক দলের কর্মী- সমর্থকদের স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ভূমিহীন সনদ নেন। এরপর নামে-বেনামে একসনা বনধোবন্ত নথি সৃজন করে খাসজমি দখল করে স্থায়ী ঘর তুলে মাসে লাখ লাখ টাকা ভাড়া আদায় করছেন।

এসব প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মূলত নামধারী ভূমিহীন ও জমি-ব্যবসায়ী। সমাজে এদের মূল্যায়ন তোলা তোলা। যদিও ভূমি নীতিমালা অনুযারী প্রকৃত ব্যবসায়ী ছাড়া কোথাও কোন (চান্দিনা) দোকান ভিটি বনধোবন্ত দেওয়ার বিধান নেই। এছাড়াও দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে, কোন স্থায়ী সম্পদ নেই এমন শ্রেণীর ব্যক্তিরা খাস জমি ভূমিহীন হিসেবে বনধোবস্ত দেওয়ার বিধান রয়েছে ভূমি আইনে। অথচ প্রকৃত ভূমিহীনরা পাচ্ছে না ভূমি বনধোবস্ত।

প্রশাসনের এক শ্রেণীর লোভী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে প্রভাবশালীদের কব্জায় সরকারি খাস জমির আজ অস্তিত্ব সংকটে।

সরেজমিনে দেখাযায়, ভূমিদস্যুরা এসব ক্যাটাগরির কোনটিতে নেই। পারিবারিক ও স্থানীয় মদদে প্রশাসনের উদাসীনতায় চলছে জমি দখল ও স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ।

আরও জানা গেছে, কিছু কিছু দখলকারী উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে ওই সুযোগেই নির্বিঘ্নে দখল কার্যক্রম চালাচ্ছে।

অনুসন্ধানে আরো জানাগেছে, স্বৈরশাসন আমলে দখল করা ফ্যাসিস্ট সরকারের লোকজন দোকান ভিটি, খাস জমি দখল করে বর্তমান সরকার আমলের অনেকের নিকট লাখ লাখ টাকা বিক্রি করে  দেশের বাহিরে অর্থ পাচার করছেন। কেউ কেউ অন্যত্র সম্পদ গড়ে তুলছেন, নানা ব্যবসার অংশীদার হচ্ছেন। প্রশাসনের স্বেচ্ছাচারিতায় অত্র উপজেলায় ভূমি খাতটি থেকে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় বার বার প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। তথ্যসহ সকল কিছু জানলেও নিরব থাকে প্রশাসন! সরকারি ভূমি রক্ষায় আইন কাগজে কলমে বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি ভূমিকা নেই সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোর।  

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে ইউএনও অবগত থাকলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

দখলকারীরা প্রকাশ্যেই বলে বেড়ায়-‘সব ম্যানেজ করা আছে।’ সরকারি খাসজমি ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার দায়িত্ব প্রশাসনের হলেও বছরের পর বছর ধরে এসব জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে- আর এসব বিষয়ে প্রশাসনের নীরব সমর্থন রয়েছে বলে খবর নিয়ে জানা গেছে। খাসজমি দখল ঠেকাতে সরকারের কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও সুবর্ণচরে যেন তার কোনো প্রয়োগ নেই। দিন দিন বাড়ছে দখলের পরিধি, আর কমছে সরকারি সম্পত্তি।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এভাবে যদি প্রশাসন নিরব থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে সরকারি খাসজমি নামমাত্র কাগজে থাকলেও বাস্তবে পুরোপুরি দখল হয়ে যাবে কিছু প্রভাবশালীর হাতে।

অপরদিকে এমনও অনেক ভিপি সম্পত্তি লিজ দেওয়া আছে যেগুলোর প্রকৃত লিজাররা জমি বুঝে পায়নি কিন্তু প্রতি বছর খাজনা পরিশোধ করেন। অথচ সেই জায়গা দখল করে বাড়ি-ঘর করে আছে অন্য কেউ সেদিকেও নজর নেই প্রশাসনের। প্রকৃত লিজাররা ইউএনও এসিল্যান্ড এর কাছে বহুবার অভিযোগ করেও কোন সমাধান পাননি। বরং তারা অন্য আইনের গল্প শুনিয়ে ছেড়ে দেয় ভিকটিমদের। দেখলে মনে হয় এখন সব মগের মুল্লুক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাজারের প্রকৃত সচেতন ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ, একাধিক পথচারীদের দাবি, খাসজমি দখল বন্ধে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি ইতোমধ্যেই যারা সরকারি খাসজমি দখল করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকিব ওসমান বলেন, আচ্ছা আমি বিষয়টি জানি না। জেনে বিস্তারিত আইনগত পদক্ষেপ নিবো। রিপোর্টটি লেখার আগ পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি প্রশাসনের তরফ হতে। এতে কানাঘুষা করছে সচেতন নাগরিক সমাজের মানুষজন তাহলে মনে হচ্ছে ‘সর্ষের মধ্যে কি ভূত??

এ ব্যাপারে সুবর্ণচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছেনমং রাখাইন জানান, আসলে অর্পিত বা ভিপি সম্পত্তি বাদে অন্যান্য খাস জায়গাগুলো তেমন ভাবে তদারকি করা হয় না। তবে আমরা চেষ্টা করছি সরকারি সম্পদ রক্ষায়।

যখন যেটা প্রয়োজন হয় তখন সে জায়গা আমরা নিয়ে নেই। প্রয়োজন হলে উচ্ছেদ অভিযানও পরিচালনা করা হয়। উচ্ছেদকৃত জমিতে স্থায়ী ইমারত নির্মাণে না কি আপনি অনুমতি দিয়েছেন গুঞ্জন উঠেছে ? তাই কোন পদক্ষেপ না নিয়ে নিরব আছেন। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি? আপনি কি সড়ক ও ফুটপাত দখল করে দোকান ভিটি করার অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার রাখেন?? রাখলে সেই আইন কোনটি, জানান। 

বিগত সময়ে আমরা অনেক জায়গা উদ্ধার করে সরকারি ভাবে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এখন যারা খাস জায়গা দখল করে আছে তাদের কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে আমরা সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেবো। তারপরও এ বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নেব।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।