রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ওসমান হাদীর খুনিদের বিচার এই বাংলার মাটিতে হতেই হবে: নাহিদ ইসলাম

মুক্তিযুদ্ধ, ৭ই মার্চ কিংবা শেখ মুজিবের নাম ব্যবহার করে ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পুনর্বাসনের কোনো চেষ্টা হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

নিউজ ডেস্ক

০৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫১

মুক্তিযুদ্ধ, ৭ই মার্চ কিংবা শেখ মুজিবের নাম ব্যবহার করে ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পুনর্বাসনের কোনো চেষ্টা হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শনিবার ৭ মার্চ ফরিদপুরের আম্বিকা ময়দানে এনসিপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন এবং বলেন, ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আবারও অন্যায়কে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা হলে জনগণ তা প্রতিহত করবে।

সমাবেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, ফ্যাসিস্টদের কোনো ক্ষমা নাই। ফ্যাসিস্টদের ও তাদের দোসরদের বিচার এই বাংলার মাটিতে হবেই। ওসমান হাদীকে যারা হত্যা করেছে, সেই খুনিদের বিচার এই বাংলার মাটিতে হতেই হবে। এ পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা দাঁড়াবো। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণ দাঁড়াবে। তার বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল প্রতিশোধ নয়, বরং বিচার প্রতিষ্ঠার দাবি এবং রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের অংশ। কিন্তু সেই ইতিহাসের নাম ব্যবহার করে যারা জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ধ্বংস করেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তার অভিযোগ, গত ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট শক্তি শেখ মুজিবের নাম, ৭ই মার্চের নাম এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে নিজেদের অপকর্মকে আড়াল করার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের নামে লুণ্ঠন, গুম, খুন ও গণহত্যাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এখনো একই প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—এই ধরনের অপচেষ্টা করে কোনো লাভ হবে না। যারা সত্যিকার অর্থে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করে তাদের সংস্কারের পক্ষে দাঁড়াতে হবে, বিচারের পক্ষে দাঁড়াতে হবে এবং একটি নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের আন্দোলনে যুক্ত হতে হবে। তার মতে, রাজনৈতিক পুনর্গঠন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই দেশের সামনে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ।

সরকারের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, বিগত শেখ হাসিনার আমলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে দলীয়করণ করা হয়েছিল, তা দেশের গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি বলেন, বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও পুলিশ—সবকিছু একদলীয় প্রভাবের অধীনে চলে গিয়েছিল। একই প্রবণতা বর্তমান সরকারের শুরুতেই দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, দিনের শুরুতেই আকাশ দেখলে বোঝা যায় দিনটি কেমন যাবে। এই সরকারের শুরু দেখেই বোঝা যাচ্ছে তারা বাংলাদেশকে কোন দিকে নিয়ে যেতে চায়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারের প্রাথমিক পদক্ষেপগুলোই ভবিষ্যতের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা সম্পর্কে ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন প্রত্যাশা নিয়ে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্বাচনও বিতর্কমুক্ত থাকেনি। তার দাবি, সেই নির্বাচনকে নানা উপায়ে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই সনদের আদেশ অনুযায়ী দুইটি শপথ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকারি দল সেই শপথ নেওয়ার পরই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা এবং জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বেইমানি করেছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৪