ইরানের ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) একটি জাহাজ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে অবস্থানকালে জাহাজটির মাত্র একশ’ গজ দূরে একটি ইরানি ড্রোন বিস্ফোরিত হয়।
এতে বাংলাদেশি পতাকাবাহী ‘বাংলার জয়যাত্রা’ এবং এর ৩১ জন নাবিক অক্ষত থাকেন। গত শনিবারের ওই ঘটনার পর সাময়িকভাবে পণ্য খালাস বন্ধ রাখা হলেও দুই দিন পর তা পুনরায় শুরু হয়। পণ্য খালাস সম্পন্ন হলেও জাহাজটি এখনো হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারেনি।
এদিকে হরমুজ প্রণালির আশপাশে বাংলাদেশি পতাকাবাহী আরও তিনটি জাহাজ অবস্থান করছে। নিরাপত্তার স্বার্থে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে এসব জাহাজকে গতি কমানোসহ বিশেষ সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে বিএসসি ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মেরিন ট্রাফিক সূত্রে জানা গেছে, প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী বন্দরগামী জাহাজগুলোর মধ্যে কেএসআরএম গ্রুপের দুটি এবং মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) একটি জাহাজ রয়েছে।
কেএসআরএম গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মেহেরুল করিম জানান, তাদের একটি জাহাজ ওমানের সালালা বন্দরের পথে এবং অন্যটি কুয়েতগামী ছিল। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে তিন থেকে চার দিনের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা থাকলেও ঝুঁকি এড়াতে উভয় জাহাজের গতি কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে মেঘনা গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান মার্কেন্টাইল শিপিং লাইনসের একটি জাহাজের সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ অঞ্চলের খোর ফাক্কান বন্দরে জ্বালানি নেওয়ার কথা ছিল। তবে নাবিকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সেই যাত্রা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি আরব সাগরে অবস্থান করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?