রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি :
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শিক্ষক সমিতি গঠনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার এ সভা আহ্বান করেন।
সোমবার (৩ মার্চ) দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের টিচার্স লাউঞ্জে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দীন, ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম এবং রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।
ইউট্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘শিক্ষক সমিতি গঠনের লক্ষ্যে আজকের এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৬ জন শিক্ষকের মধ্যে ১৬৮ জন শিক্ষক সমিতি গঠনের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন। আজও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকের সভায় সবার সম্মতি ও প্রস্তাবনার ভিত্তিতে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির প্রধান দায়িত্ব হবে শিক্ষকদের মতামতের ভিত্তিতে সাধারণ সভা ডেকে নির্বাচন কমিশন গঠন করা এবং নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।
আহ্বায়ক কমিটি চাইলে তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে পারে, আবার প্রয়োজনে ছয় মাস পরেও নির্বাচন দিতে পারে।’
মতবিনিময় সভা আহ্বানকারী মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, ‘বর্তমানে পূর্বের শিক্ষক সমিতির কোনো আইনগত বৈধতা নেই। গত দুই বছর ধরে শিক্ষক সমিতি না থাকায় এবং বর্তমান প্রশাসনের কাছে শিক্ষকদের বেশ কিছু ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়ায় একটি শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
শিক্ষক সমিতির মতো একটি প্ল্যাটফর্ম না থাকলে শিক্ষকদের দাবিদাওয়া প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করার সুযোগ থাকে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষক সমিতি না থাকার কারণে অনেক শিক্ষক তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং এসব বিষয় নিয়ে কথা বলার মতো কোনো নির্বাচিত প্রতিনিধিত্বমূলক কাঠামো নেই।
একটি নির্বাচিত শিক্ষক সমিতি থাকলে শিক্ষকদের দাবিদাওয়া এবং প্রশাসনের অনিয়ম নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলার একটি কার্যকর প্লাটফর্ম থাকবে। এ লক্ষ্যেই শিক্ষক সমিতির নির্বাচন প্রয়োজন বলে মনে করছি।’