বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

লালমনিরহাটে ৭৭% বেশি দামে সার বিক্রি সিন্ডিকেটে জিম্মি কৃষক

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি  উত্তরের কৃষিপ্রধান জেলা লালমনিরহাটে সারের বাজারে চলছে চরম নৈরাজ্য। সরকারিভাবে নির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি দিয়েও মিলছে না প্রয়োজনীয় সার। ডিলারদের কৃত্রিম সংকট ও শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কারণে টিএসপি ও পটাশ সারের দাম এখন আকাশচুম্বী। ফলে আলু, ভুট্টা ও চলতি বোরো মৌসুমের ধান চাষ নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন […]

লালমনিরহাটে ৭৭% বেশি দামে সার বিক্রি সিন্ডিকেটে জিম্মি কৃষক

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৫০

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি 

উত্তরের কৃষিপ্রধান জেলা লালমনিরহাটে সারের বাজারে চলছে চরম নৈরাজ্য। সরকারিভাবে নির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি দিয়েও মিলছে না প্রয়োজনীয় সার। ডিলারদের কৃত্রিম সংকট ও শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কারণে টিএসপি ও পটাশ সারের দাম এখন আকাশচুম্বী। ফলে আলু, ভুট্টা ও চলতি বোরো মৌসুমের ধান চাষ নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন জেলার কয়েক লাখ কৃষক। সময়মতো সুষম সার দিতে না পারলে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সারের বাজারে ‘গোপন’ লেনদেন

সরেজমিনে জেলার আদিতমারী, কালীগঞ্জ ও সদর উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ডিলারদের গুদামে সারের বস্তার অভাব না থাকলেও কৃষকদের বলা হচ্ছে “সার নেই”। অথচ গোপনে বেশি দাম দিলেই মিলছে কাঙ্ক্ষিত বস্তা। সরকারিভাবে প্রতি বস্তা টিএসপি সারের দাম ১৩৫০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ২০০০ থেকে ২৪০০ টাকায়। একইভাবে ১০৫০ টাকার ডিএপি বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ টাকায়।

কৃষকদের অভিযোগ, ডিলাররা সারের বরাদ্দ পেলেও তা সরাসরি কৃষকদের না দিয়ে অবৈধ মজুতদার ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দিচ্ছেন। সদর উপজেলার মোগলহাট এলাকার এক কৃষক ক্ষোভের সাথে বলেন, “জমিতে সার দেওয়ার এখনই সময়, কিন্তু দোকানে গেলে বলে সার নাই। বেশি টাকা দিলে আবার রাতারাতি সার বের হয়। আমরা গরিব মানুষ, এত টাকা দিয়ে সার কিনলে খাব কী?”

তিস্তা ও ধরলা নদীর অববাহিকায় বিস্তৃত এই জেলার মাটির উর্বরতা বেশি থাকলেও সারের সংকটে সেই সম্ভাবনা এখন ফিকে হতে চলেছে।

লালমনিরহাট জেলার কৃষি কাঠামোর দিকে তাকালে দেখা যায়, এখানে মোট কৃষি জমির পরিমাণ প্রায় ১,০১,০৩৪ হেক্টর, যেখানে মূলত আমন, বোরো, ভুট্টা, আলু ও তামাকের ব্যাপক চাষাবাদ হয়। জেলার প্রায় ২,৫০,০০০-এর বেশি কৃষিজীবী পরিবার সরাসরি এই জমির ওপর নির্ভরশীল, যাদের চাষাবাদের জন্য বছরে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি মিলিয়ে প্রায় ১,৮০,০০০ মেট্রিক টন সারের প্রয়োজন পড়ে। তবে বর্তমান মৌসুমে চাহিদার বিপরীতে টিএসপি সারের প্রায় ৩৫% থেকে ৪০% ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা জেলার সামগ্রিক কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তথ্যমতে, জেলায় বছরে প্রায় ৬৫,০০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া এবং ৩০,০০০ মেট্রিক টন টিএসপি সারের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ডিলারদের অসহযোগিতা ও বরাদ্দের ধীরগতির কারণে প্রান্তিক কৃষকরা বরাবরের মতোই বঞ্চিত হচ্ছেন।

কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, ধান ও আলু চাষে টিএসপি এবং পটাশ সার অপরিহার্য। চারা রোপণের প্রাথমিক পর্যায়ে এই সার না দিলে গাছের বৃদ্ধি থমকে যায় এবং ধান চিটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আদিতমারী উপজেলার একজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “সারের এই অস্বাভাবিক দামের কারণে অনেক কৃষক পর্যাপ্ত সার দিতে পারছেন না। এতে জেলায় হেক্টর প্রতি ধানের উৎপাদন ১৫% থেকে ২০% কমে যেতে পারে।”

সার সংকটের বিষয়টি অস্বীকার করে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, সরকারি গুদামে পর্যাপ্ত সার মজুদ রয়েছে। তবে মাঠ পর্যায়ে কেন দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে জানানো হয়। জেলা প্রশাসক জানান, সারের কোনো কৃত্রিম সংকট বা সিন্ডিকেট সহ্য করা হবে না এবং অভিযুক্ত ডিলারদের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে।

লালমনিরহাটের সাধারণ কৃষকদের বাঁচাতে হলে কেবল আশ্বাস নয়, প্রয়োজন কার্যকর বাজার মনিটরিং। সিন্ডিকেট ভেঙে না দিলে উত্তরাঞ্চলের এই জেলাটিতে বড় ধরনের খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।