শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

জালিয়াতির ভিডিও যেন কেউ না করতে পারে সেজন্য মোবাইল নিষিদ্ধ করেছে ইসি : হাসনাত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম বা জালিয়াতির ভিডিও ধারণ ঠেকাতেই মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের […]

জালিয়াতির ভিডিও যেন কেউ না করতে পারে সেজন্য মোবাইল নিষিদ্ধ করেছে ইসি : হাসনাত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৫৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম বা জালিয়াতির ভিডিও ধারণ ঠেকাতেই মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের অর্থ হলো ভোটারদের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে বাধ্য করা। এতে মোজো সাংবাদিকতা কিংবা সিটিজেন জার্নালিজমের কোনো সুযোগ থাকছে না। তার ভাষায়, এটি একটি স্পষ্টতই হঠকারী সিদ্ধান্ত, যা ইঞ্জিনিয়ারিং বা জালিয়াতির উদ্দেশ্য ছাড়া নেওয়া হতে পারে না।

তিনি আরও লেখেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল বহনের ওপর নিষেধাজ্ঞার কোনো যৌক্তিকতা নেই এবং এমন সিদ্ধান্ত আগে কখনো দেখা যায়নি। এর ফলে কোনো জরুরি পরিস্থিতি হলেও কাউকে ফোন করে জানানো সম্ভব হবে না। অনেক ভোটার নিরাপত্তাহীনতার কারণে মোবাইল ছাড়া কেন্দ্রে যেতে অনিচ্ছুক হতে পারেন, যা ভোটগ্রহণে অংশগ্রহণ কমিয়ে দিতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

সিসি ক্যামেরা থাকলেও তাৎক্ষণিকভাবে অনিয়ম প্রতিরোধে সেগুলো কার্যকর নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ যেভাবে দ্রুত ভিডিও ধারণ করে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরতে পারেন, স্থাপিত ক্যামেরা তা পারে না।

কেন্দ্র দখল বা ভোট চুরি ঠেকাতে ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন তাৎক্ষণিক প্রমাণ হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তার মতে, হয়তো এসব জালিয়াতির ভিডিও যাতে কেউ ধারণ করতে না পারে, সেজন্যই নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ করেছে। তিনি এটিকে স্পষ্টভাবে ভোট চুরির সুযোগ তৈরি করার পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন এবং অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে নির্বাচন কমিশন। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি সারা দেশের রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়।

ইসির নির্দেশনায় বলা হয়, ভোটের দিন কেবল ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন। অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে ওই এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

অন্যান্য খবর

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ পরস্পরের ‘অল্টার ইগো’। তার ভাষায়, দেশের রাজনীতিতে একটি টিকে থাকলে অন্যটিও থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত সাড়ে ১৪ মিনিটের সাক্ষাৎকারে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংস্কারের অগ্রগতি, নতুন […]

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

নিউজ ডেস্ক

৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:৫৮

জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ পরস্পরের ‘অল্টার ইগো’। তার ভাষায়, দেশের রাজনীতিতে একটি টিকে থাকলে অন্যটিও থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত সাড়ে ১৪ মিনিটের সাক্ষাৎকারে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংস্কারের অগ্রগতি, নতুন ও পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনআস্থা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ–এর বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো স্বচ্ছ ভিশন বা পরিকল্পনা নেই। তার মতে, আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও থাকবে এবং জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে—দুটোই একই রাজনৈতিক সমীকরণের অংশ।

আসন্ন ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিজে না দাঁড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর পেছনে মূল কারণ হলো জামায়াত–আওয়ামী লীগের এই পারস্পরিক অস্তিত্বের বাস্তবতা। তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ার চেষ্টা ছিল। তবে এনসিপি যখন পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।

জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে তিনি বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা পুরোনো কাঠামোর অংশ। এ ধরনের জোটে এমন প্রশ্ন তৈরি হয়, যার সন্তোষজনক উত্তর নেই। আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতির দিক থেকে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের মেলবন্ধন সম্ভব নয় বলেও মত দেন তিনি।

ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সতর্ক করে মাহফুজ আলম বলেন, ক্ষমতায় যে দলই আসুক—বিএনপি বা জামায়াত—সমাজের ভেতরের ক্ষত সারাতে না পারলে কোনো সরকারই টিকবে না। তার মতে, কাগজে–কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা না হলে মব সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতে থাকবে।

সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমেছে; সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে তাদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় আসতে হবে।

বর্তমানে রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম বই পড়া ও হতাশ তরুণদের সঙ্গে আলাপে সময় দিচ্ছেন বলে জানান। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো কেন বাস্তবায়িত হয়নি এবং সামনে কীভাবে এগোনো উচিত।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ২৮ আগস্ট মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হন এবং ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যান্য খবর

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

বিএনপির সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ থেকে তাকে টেলিফোনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র। এদিকে আজ সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকালে মন্ত্রিসভার […]

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

নিউজ ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১১

বিএনপির সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ থেকে তাকে টেলিফোনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র।


এদিকে আজ সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকালে মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর উপজেলা) আসনের সাংসদ। তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি তৃতীয়বারের মতো এই আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫। এ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৯ ভোট।

অন্যান্য খবর

ইরাকের আল-আসাদ বিমানঘাঁটি ছেড়ে চলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা

ইরাকের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে চলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা। সেখানে মার্কিনি ছাড়াও তাদের নেতৃত্বাধীন অন্যান্য দেশের সেনারাও ছিল। তারা ঘাঁটি ছাড়ার পর এটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইরাকের সেনাবাহিনী। গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২০ সালে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের চৌকস ইউনিট কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪১

ইরাকের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে চলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা। সেখানে মার্কিনি ছাড়াও তাদের নেতৃত্বাধীন অন্যান্য দেশের সেনারাও ছিল। তারা ঘাঁটি ছাড়ার পর এটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইরাকের সেনাবাহিনী।

গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

২০২০ সালে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের চৌকস ইউনিট কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এর বদলা নিয়ে আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে বিপুল মিসাইল ছুঁড়েছিল ইরান। এতে এ ঘাঁটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ইরানের হামলার তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে ওই সময় সেখানে থাকা মার্কিন সেনাদের অনেকের মানসিক সমস্যা দেখা দিয়েছিল।

২০২৪ সালে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে চুক্তি হয়। এর অংশ হিসেবেই ঘাঁটি থেকে সরে গেছে মার্কিন সেনারা।

ইরাকি সেনাবাহিনীর এক কর্নেল যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের ঘাঁটি ছাড়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে অল্প কয়েকজন সেখানে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তারা শুধুমাত্র কিছু লজিস্টিক কাজের জন্য এখানো এ ঘাঁটিতে আছেন। কাজ শেষ হলে তারাও চলে যাবেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে এর বেশি তথ্য জানাননি ইরাকের সেনাবাহিনীর এ কর্মকর্তা।

যুক্তরাষ্ট্র কখন সেনাদের প্রত্যাহার করা শুরু করেছিল সেটি নিশ্চিত নয়। শোনা গিয়েছিল ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে শত শত সেনা এখান থেকে চলে যাবেন। আর ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো ঘাঁটি খালি করে দেবেন তারা।