অতীতের ১০ টাকার চাল বিতরণের মতো কৌশলে ফ্যামিলি কার্ড ও হেলথ কার্ডের নামে ডামি কার্ড বিলি করে ভোটারদের প্রতারিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, এ ধরনের প্রচারণা চলতে থাকলে ভোটাররা বিভ্রান্ত হবে এবং সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের সুযোগ ব্যাহত হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এসব অভিযোগ করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ডা. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ।
তিনি বলেন, “অতীতে ১০ টাকার চাল দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছিল। এখন একই কৌশলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ডসহ নানা ধরনের ডামি কার্ড ঘরে ঘরে বিতরণ করা হচ্ছে। এতে ভোটাররা প্রতারিত ও প্রলুব্ধ হচ্ছে।” তিনি দাবি করেন, এসব কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ না করলে নির্বাচনের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
হামিদুর রহমান আজাদ আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ও ২২ জানুয়ারি প্রচারণা শুরুর কথা থাকলেও কিছু এলাকায় প্রার্থীরা আগেই প্রচারণা চালাচ্ছেন, যা আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ বিষয়েও কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে একাধিক অভিযোগ দেওয়া হলেও কমিশনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। তবে কমিশন আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবিও জানানো হয়েছে।