জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জকসু) নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ছাত্ররাজনীতিতে ইসলামী ছাত্রশিবির–সমর্থিত প্যানেলের স্পষ্ট আধিপত্য আবারও আলোচনায় এসেছে। একের পর এক দেশের শীর্ষ পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মধ্য দিয়ে যে ‘শিবির প্রভাব’ তৈরি হয়েছে, তা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কাজে লাগানোর কৌশল নিচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
এই লক্ষ্যেই বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াত তাদের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেয়। পুনর্গঠিত কমিটিতে ইসলামী ছাত্রশিবির–এর সদ্য বিদায়ী একাধিক কেন্দ্রীয় সভাপতিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংসদ নির্বাচন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ছাত্রসংসদ নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে শিবিরের প্রার্থীদের পক্ষে। সেই অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে জাতীয় নির্বাচনে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কমিটিতে যুব ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিত্বও নিশ্চিত করা হয়েছে। দলটির নেতারা বলছেন, জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় তরুণ সমাজ ও শ্রমজীবী মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যালট বাক্সে যে পরিবর্তনের বার্তা মিলেছে, সেটিকে জাতীয় নির্বাচনে পৌঁছে দিতেই জামায়াত সংগঠিতভাবে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে।