বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নতুন করে ব্যয় বাড়ছে ১০ হাজার কোটি টাকা

ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে নকশা পরিবর্তনের কারণে নতুন করে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী, শুরুতে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের মোট খরচ বেড়ে প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়াতে পারে। ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, নতুন করহার নির্ধারণ এবং নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধিও ব্যয় বাড়ার অন্যতম কারণ […]

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নতুন করে ব্যয় বাড়ছে ১০ হাজার কোটি টাকা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৪৩

ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে নকশা পরিবর্তনের কারণে নতুন করে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী, শুরুতে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের মোট খরচ বেড়ে প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়াতে পারে। ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, নতুন করহার নির্ধারণ এবং নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধিও ব্যয় বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) ইতোমধ্যে ব্যয় বাড়ানোর একটি সংশোধিত প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ব্যয়বৃদ্ধির এই প্রস্তাবে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান চীনের এক্সিম ব্যাংক সম্মতি দিয়েছে। তবে প্রস্তাবটি কার্যকর করতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর অনুমোদন প্রয়োজন হবে। পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়িত প্রকল্পটিতে অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা সরকার ও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কীভাবে বণ্টন হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নকশা পরিবর্তনের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তুরাগ নদ। প্রকল্পের একটি অংশ এই নদীর ওপর দিয়ে নির্মিত হচ্ছে। প্রাথমিক নকশার সময় তুরাগ নদ তৃতীয় শ্রেণির ছিল, বর্তমানে সেটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় নৌযান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে সেতুর উচ্চতা ও খুঁটির মধ্যবর্তী দূরত্ব বাড়াতে হচ্ছে।

আগে যেখানে খুঁটির দূরত্ব ছিল ৩০ দশমিক ৪৮ মিটার, নতুন নকশায় তা বাড়িয়ে ৯০ মিটার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নদীর উপরিভাগ থেকে সেতুর তলদেশের উচ্চতা ৭ দশমিক ৬ মিটার থেকে বাড়িয়ে ১২ দশমিক ২ মিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সেতুর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থেও পরিবর্তন আসছে।

নতুন নকশা অনুযায়ী, সাভারের বাইপাইল এলাকায় একটি নতুন সেতু ও ইন্টারসেকশন যুক্ত হচ্ছে। পাশাপাশি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর তৃতীয় টার্মিনালের সঙ্গে এক্সপ্রেসওয়ের সরাসরি সংযোগ এবং মেট্রোরেলের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কাঞ্চন থেকে আসা মেট্রোরেল তৃতীয় টার্মিনালে থেমে আবার যাত্রা শুরু করবে।

সেতু বিভাগের সচিব ও বিবিএর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, ব্যয়বৃদ্ধির সংশোধিত প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং শিগগিরই একনেকে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। তিনি জানান, ২০১৭ সালে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২২ সালের নভেম্বরে। সর্বশেষ হিসাবে প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি ৬৪ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ভৌত অগ্রগতি ৫৬ দশমিক ৫০ শতাংশ। সংশোধিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, নগরের দ্রুত সম্প্রসারণ ও যানবাহনের বাড়তি চাপ বিবেচনায় নকশা পরিবর্তন এখন অনিবার্য হয়ে পড়েছে। ভবিষ্যতে যানজট কমানো ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত কিছু কাঠামো যুক্ত করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, প্রাথমিকভাবে ব্যয় বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদে এই প্রকল্প নগরবাসীর জন্য সুফল বয়ে আনবে।

তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব ও বারবার ব্যয় বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকের মতে, ঘনঘন নকশা পরিবর্তনের ফলে করদাতাদের অর্থের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে ব্যয় আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তাঁরা।

অন্যান্য খবর

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ পরস্পরের ‘অল্টার ইগো’। তার ভাষায়, দেশের রাজনীতিতে একটি টিকে থাকলে অন্যটিও থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত সাড়ে ১৪ মিনিটের সাক্ষাৎকারে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংস্কারের অগ্রগতি, নতুন […]

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

নিউজ ডেস্ক

৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:৫৮

জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ পরস্পরের ‘অল্টার ইগো’। তার ভাষায়, দেশের রাজনীতিতে একটি টিকে থাকলে অন্যটিও থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত সাড়ে ১৪ মিনিটের সাক্ষাৎকারে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংস্কারের অগ্রগতি, নতুন ও পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনআস্থা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ–এর বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো স্বচ্ছ ভিশন বা পরিকল্পনা নেই। তার মতে, আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও থাকবে এবং জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে—দুটোই একই রাজনৈতিক সমীকরণের অংশ।

আসন্ন ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিজে না দাঁড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর পেছনে মূল কারণ হলো জামায়াত–আওয়ামী লীগের এই পারস্পরিক অস্তিত্বের বাস্তবতা। তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ার চেষ্টা ছিল। তবে এনসিপি যখন পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।

জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে তিনি বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা পুরোনো কাঠামোর অংশ। এ ধরনের জোটে এমন প্রশ্ন তৈরি হয়, যার সন্তোষজনক উত্তর নেই। আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতির দিক থেকে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের মেলবন্ধন সম্ভব নয় বলেও মত দেন তিনি।

ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সতর্ক করে মাহফুজ আলম বলেন, ক্ষমতায় যে দলই আসুক—বিএনপি বা জামায়াত—সমাজের ভেতরের ক্ষত সারাতে না পারলে কোনো সরকারই টিকবে না। তার মতে, কাগজে–কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা না হলে মব সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতে থাকবে।

সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমেছে; সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে তাদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় আসতে হবে।

বর্তমানে রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম বই পড়া ও হতাশ তরুণদের সঙ্গে আলাপে সময় দিচ্ছেন বলে জানান। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো কেন বাস্তবায়িত হয়নি এবং সামনে কীভাবে এগোনো উচিত।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ২৮ আগস্ট মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হন এবং ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যান্য খবর

নিরাপত্তা ও সম্মানের খাতিরে তারেক রহমানের জন্য শাহবাগ ছাড়লো ইনকিলাব মঞ্চ

নিরাপত্তা ও সম্মানের খাতিরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় সাময়িকভাবে ছেড়ে দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীরা। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড় থেকে সরে গিয়ে পার্শ্ববর্তী আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে অবস্থান নিয়ে তাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন। ইনকিলাব মঞ্চ সূত্র জানায়, শহীদ শরীফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত উপলক্ষে তারেক […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৪৯

নিরাপত্তা ও সম্মানের খাতিরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় সাময়িকভাবে ছেড়ে দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীরা। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড় থেকে সরে গিয়ে পার্শ্ববর্তী আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে অবস্থান নিয়ে তাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন।

ইনকিলাব মঞ্চ সূত্র জানায়, শহীদ শরীফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত উপলক্ষে তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত সফর এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন,

“আমরা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দিতে চাই না। শহীদ হাদির বিচারের দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। তবে সম্মান ও নিরাপত্তার স্বার্থে আপাতত শাহবাগ মোড় ছেড়ে পাশের এলাকায় অবস্থান নিয়েছি।” তিনি আরও জানান, তারেক রহমানের কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে আবারও শাহবাগ মোড়ে ফিরে অবরোধ কর্মসূচি শুরু করা হবে।

উল্লেখ্য, শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যুর এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছেন আন্দোলনকারীরা। গত শুক্রবার রাতভর কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশার মধ্যেও তারা শাহবাগ এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালান এবং সরকারের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদ জানান। তাদের দাবি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকৃত হত্যাকারীদের আইনের আওতায় না আনা হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা ১১টার দিকে তারেক রহমান শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করবেন। এ সময় তার সঙ্গে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। কবর জিয়ারত শেষে তিনি পঙ্গু হাসপাতালে আহতদের দেখতে যাবেন বলেও দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে শাহবাগ এলাকায় সম্ভাব্য উত্তেজনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য রাজনৈতিক সংঘাত নয়; শহীদ হাদির হত্যার বিচার নিশ্চিত করাই তাদের একমাত্র দাবি।

অন্যান্য খবর

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

বিএনপির সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ থেকে তাকে টেলিফোনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র। এদিকে আজ সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকালে মন্ত্রিসভার […]

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

নিউজ ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১১

বিএনপির সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ থেকে তাকে টেলিফোনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র।


এদিকে আজ সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকালে মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর উপজেলা) আসনের সাংসদ। তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি তৃতীয়বারের মতো এই আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫। এ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৯ ভোট।