মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

এবার ভারতের ১৫ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পাকিস্তানের, দাবি দিল্লির

ভারতের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলীয় অন্তত ১৫টি শহরে সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাকিস্তান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার বলেছে, বৃহস্পতিবার রাতভর ও সকালের দিকে জম্মু-কাশ্মির, পাঞ্জাব এবং গুজরাটসহ দেশের ১৫টি শহরে সামরিক স্থাপনা নিশানা করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে পাকিস্তান। তবে এসব হামলায় ভারতে কোনও হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে […]

এবার ভারতের ১৫ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পাকিস্তানের, দাবি দিল্লির

এবার ভারতের ১৫ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পাকিস্তানের, দাবি দিল্লির

নিউজ ডেস্ক

০৯ মে ২০২৫, ০০:১৬

ভারতের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলীয় অন্তত ১৫টি শহরে সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাকিস্তান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার বলেছে, বৃহস্পতিবার রাতভর ও সকালের দিকে জম্মু-কাশ্মির, পাঞ্জাব এবং গুজরাটসহ দেশের ১৫টি শহরে সামরিক স্থাপনা নিশানা করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে পাকিস্তান। তবে এসব হামলায় ভারতে কোনও হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার বলেছে, ভারতীয় বাহিনী শ্রীনগর, পাঠানকোট, অমৃতসর, লুধিয়ানা, চণ্ডীগড় এবং অন্যান্য স্থানের সামরিক স্থাপনায় পাকিস্তানের হামলার চেষ্টার জবাবে লাহোরসহ কয়েকটি স্থানে পাকিস্তানি আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার ও অন্যান্য ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের একাধিক স্থানের সামরিক স্থাপনা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে ভারতীয় সামরিক বাহিনী।

ভারতের বিভিন্ন শহরে পাকিস্তানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের জবাবে বৃহস্পতিবার সকালে একই মাত্রার হামলা পাকিস্তানে করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ভারতের সামরিক বাহিনী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। তবে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে পাকিস্তানের ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিস্ক্রিয় করা হয়েছে।

রাডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার কাজে ব্যবহারের লক্ষ্যে তৈরি হারপি ড্রোনের মাধ্যমে পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় হামলা করা হয়েছে বলে ভারতের একাধিক সরকারি সূত্র দাবি করেছে।


তারা বলেছে, ভারতের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলীয় ১৫ শহরে পাকিস্তানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করার জন্য ভারতীয় সামরিক বাহিনী রাশিয়ার তৈরি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ ব্যবহার করেছে। ভারতের সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, পাকিস্তানের ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

জম্মু-কাশ্মিরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলার দুই সপ্তাহ পর বুধবার মধ্যরাতে পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মিরের অন্তত ৯টি স্থানে হামলা চালিয়েছে ভারতীয় সামরিক বাহিনী। এই হামলায় ভারতীয় সামরিক বাহিনী মাত্র ২৫ মিনিটে অন্তত ২৪ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে পাকিস্তানে। এরপর বৃহস্পতিবার রাতভর পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় আরও কয়েক ডজন ড্রোন হামলা চালিয়েছে ভারত।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বলেছে, তারা এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে গুলি চালিয়ে ইসরায়েলের তৈরি ২৫টি হারোপ ড্রোন ভূপাতিত করেছে। রাওয়ালপিন্ডিতে সেনাবাহিনীর সদরদপ্তর থেকে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র আহমেদ শরীফ চৌধুরী এএফপিকে বলেছেন, গত রাতে ভারত একাধিক স্থানে ড্রোন পাঠিয়ে আরও একটি আগ্রাসনের কাজ করেছে। ভারতের ছোড়া একটি ড্রোন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর এই সদরদপ্তরের কাছে ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, লাহোরের কাছে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ভারতীয় একটি ড্রোন আঘাত করেছে। এতে সেখানে অন্তত চার সৈন্য আহত হয়েছেন। এর আগে, তিনি বলেছিলেন অভিযান এখনও চলছে। ভারতীয় ড্রোনের আঘাতে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের সিন্ধুতে এক বেসামরিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন।

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় ড্রোনের বিধ্বস্ত স্থলে অনেক মানুষ জমায়েত হয়েছেন। এ সময় অনেকেই সামরিক স্থাপনার কাছাকাছি ভিড় জমান। লাহোরজুড়ে বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দ শোনা গেছে বলে বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

অন্যান্য খবর

ছাত্রশিবিরের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

নোয়াখালী সদর উপজেলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত কুরআন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। এ ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ছাত্রশিবির। ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে দাবি করেছেন, স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের ‘সন্ত্রাসীরা’ ওই হামলা চালিয়েছে। তিনি লেখেন, নব্য ফ্যাসিস্ট ও কুরআন বিদ্বেষী রাজনীতি, নোয়াখালী সদরে […]

নিউজ ডেস্ক

২০ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৪৭

নোয়াখালী সদর উপজেলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত কুরআন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। এ ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ছাত্রশিবির।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে দাবি করেছেন, স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের ‘সন্ত্রাসীরা’ ওই হামলা চালিয়েছে।

তিনি লেখেন, নব্য ফ্যাসিস্ট ও কুরআন বিদ্বেষী রাজনীতি, নোয়াখালী সদরে ছাত্রশিবির আয়োজিত কুরআন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে হামলা চালিয়েছে স্থানীয় বিএনপি-যুবদলের সন্ত্রাসীরা। কুরআন শিক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের রক্তাক্ত করা হয়েছে।

কুরআন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে হামলা কোনো সভ্য মানুষ করতে পারে না দাবি করে জাহিদুল ইসলাম বলেন, অসভ্যতারও একটা সীমা থাকা উচিত। ৩৬ জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিবাদী কার্যক্রম এই প্রজন্ম সহ্য করবে না। আওয়ামী চরিত্রের চাঁদাবাজ, দখলদার ও সন্ত্রাসীদের রাজনীতি আর চলবে না, চলতে দেওয়া হবে না।

ছাত্রশিবির সভাপতি এ সময় আলটিমেটাম দিয়ে বলেন, আমরা দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। নতুবা যেকোনো পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে। আমাদের উদারতাকে দুর্বলতা ভেবে ভুল করবেন না।

উল্লেখ্য যে, নোয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি মসজিদে ছাত্রশিবিরের কুরআন ক্লাসে যুবদল নেতাকর্মীদের হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছাত্রশিবিরের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকালে নোয়াখালীর নেওয়াজপুর ইউনিয়নের কাসেম বাজার জামে মসজিদে আসর নামাজের পর এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নোয়াখালী জেলা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক ফজলে রাব্বী বলেন, কাসেম বাজার জামে মসজিদে শনিবার ছাত্রশিবির দারসুল কুরআন প্রোগ্রামের আয়োজন করেছিল। সেখানে কিছু যুবদল নেতার নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। এ হামলার প্রতিবাদে রোববার আসরের নামাজের পর আবারও একই মসজিদে কুরআন তালিমের কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রশিবির।

নামাজের পর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মসজিদে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালায়। পরে মসজিদে তালা মেরে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। তাদের ইটপাটকেল নিক্ষেপে আমাদের ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের আনতে অ্যাম্বুলেন্স গেলে তা ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

এর মধ্যে নোয়াখালী শহর ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক তানভীর সিয়াম, আইন সম্পাদক নাঈম হোসেন, শিবিরের সাথী ছালাউদ্দিন, কেরামতিয়া মাদ্রাসার ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরাফাত আলীসহ ১৬ জন গুরুতর আহত হন।

অন্যান্য খবর

‘আমার কোনো দোষ নাই, আমি জানিও না জামায়াতের ওপর হামলা হয়েছে’: বিএনপি নেতা হাবিব

পাবনার ঈশ্বরদীতে পাবনা-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকদের দফায় দফায় হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। তবে এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি জানিয়েছেন, তিনি এ ব্যাপারে জানেনই না এবং তার কোনো দায় […]

‘আমার কোনো দোষ নাই, আমি জানিও না জামায়াতের ওপর হামলা হয়েছে’: বিএনপি নেতা হাবিব

‘আমার কোনো দোষ নাই, আমি জানিও না জামায়াতের ওপর হামলা হয়েছে’: বিএনপি নেতা হাবিব

নিউজ ডেস্ক

২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০৩

পাবনার ঈশ্বরদীতে পাবনা-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকদের দফায় দফায় হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। তবে এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি জানিয়েছেন, তিনি এ ব্যাপারে জানেনই না এবং তার কোনো দায় নেই।

তার দাবি, জামায়াতের নেতাকর্মীরাই তার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছেন। পরে তারা জনরোষের শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে এক অডিও বার্তায় তিনি এসব মন্তব্য ও দাবি করেন।


অডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, আমার এখানে কোনো দোষ ছিল? তারা ওখানে গিয়েছে। তারা গিয়ে আমাদের লোকদেরকে মারধর শুরু করেছে। মারধর শুরু করে আমাদের অনেক লোক আহত করেছে। আমাদের লোকজন তো একসাথে ছিল না। তারা ওখানে গিয়ে আমাদের লোকদের মারধর শুরু করছে। পরে ওই এলাকার সব লোক আমাদের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদেরকে ধাওয়া করে। ধাওয়া করলে তখন গুলি করতে করতে তারা বের হয়ে আসে সেখান থেকে।

তিনি আরও বলেন, তারা বিভিন্ন দিক দিয়ে জনরোষের শিকার হয়েছে। আর এখানে আমি জানিও না। আমার কোন দায় নাই। টোটালি মিথ্যা কথা। গাড়িতে কারা গুলি করেছে, গুলির ভিডিও ফুটেজ আছে। আমি তো যাইও নাই। জানিও না। তাহলে এখানে আমাকে দায়ী করাটা কোনো কারণ নেই।

অন্যান্য খবর

ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী: সায়ের

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে আগেই দাবি করেছেন আল জাজিরার প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। এবার আরেক দাবি করলেন তিনি। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন […]

ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী: সায়ের

ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী: সায়ের

নিউজ ডেস্ক

১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৭

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে আগেই দাবি করেছেন আল জাজিরার প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। এবার আরেক দাবি করলেন তিনি।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী ফয়সাল করিম মাসুদ।

সায়ের লেখেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের সংগঠক ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্য গুলি করার ঘটনার সাথে জড়িত শ‍্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান এবং তার সহযোগী মোটরবাইক চালক আলমগীর হোসেন গতকাল সন্ধ্যায় (১২ ডিসেম্বর) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করার পর জাহাঙ্গীর কবির নানকের পিএস মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব, ফয়সাল করিম মাসুদকে এই ভারতীয় নম্বরটি জোগাড় করে দেন বলে বিশেষ গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়।’

পোস্টে তিনি একটি নাম্বারও যোগ করেন (+৯১৬০০১৩৯৪০**)। তিনি লেখেন, ‘এই নম্বরটি ব্যবহার করে গতকাল রাতে কয়েকটি নম্বরে নিজেদের এই সেলফি পাঠান ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান।’

তার দাবি, ‘যে সকল নম্বরে এই ছবিটি পাঠানো হয় তার একটি ইন্টারসেপ্ট করে এই ছবিটি পাওয়া যায়, যা গতকাল ভারতের আসাম রাজ‍্যের গুয়াহাটিতে তোলা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।’

এদিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, অত্যন্ত সংকটাপন্ন ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে।

ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বলেছে, তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া ও প্রার্থনা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি বর্তমানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনার পর থেকেই সারা দেশে প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।