সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

গাংনীতে আইন শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ মেহেরপুরের গাংনীতে আইন শৃংখলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপজেলার সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন, গাংনী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সামসুল আলম সোনা, উপজেলা স্বাস্থ্য […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৪:০৩

মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ

মেহেরপুরের গাংনীতে আইন শৃংখলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপজেলার সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন, গাংনী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সামসুল আলম সোনা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুপ্রভা রানী, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আরশেদ আলী, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, গাংনী প্রেসক্লাবের সভাপতি তৌহিদ উদ দৌলা রেজা, কাজিপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলম হোসাইন, সাহারবাটি ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আসমা খাতুন, গাংনী থানার উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন, গাংনী বাজার কমিটির সভাপতি সালাউদ্দীন শাওনসহ বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তাগন।

 আলোচনায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং, সড়কে শৃঙখলা ফেরাতে ট্রাফিকিং জোরদার করা, পুলিশের কার্যক্রম গতিশীল করতে আহবান জানানো হয়।

অন্যান্য খবর

ছাত্রশিবিরের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

নোয়াখালী সদর উপজেলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত কুরআন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। এ ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ছাত্রশিবির। ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে দাবি করেছেন, স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের ‘সন্ত্রাসীরা’ ওই হামলা চালিয়েছে। তিনি লেখেন, নব্য ফ্যাসিস্ট ও কুরআন বিদ্বেষী রাজনীতি, নোয়াখালী সদরে […]

নিউজ ডেস্ক

২০ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৪৭

নোয়াখালী সদর উপজেলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত কুরআন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। এ ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ছাত্রশিবির।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে দাবি করেছেন, স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের ‘সন্ত্রাসীরা’ ওই হামলা চালিয়েছে।

তিনি লেখেন, নব্য ফ্যাসিস্ট ও কুরআন বিদ্বেষী রাজনীতি, নোয়াখালী সদরে ছাত্রশিবির আয়োজিত কুরআন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে হামলা চালিয়েছে স্থানীয় বিএনপি-যুবদলের সন্ত্রাসীরা। কুরআন শিক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের রক্তাক্ত করা হয়েছে।

কুরআন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে হামলা কোনো সভ্য মানুষ করতে পারে না দাবি করে জাহিদুল ইসলাম বলেন, অসভ্যতারও একটা সীমা থাকা উচিত। ৩৬ জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিবাদী কার্যক্রম এই প্রজন্ম সহ্য করবে না। আওয়ামী চরিত্রের চাঁদাবাজ, দখলদার ও সন্ত্রাসীদের রাজনীতি আর চলবে না, চলতে দেওয়া হবে না।

ছাত্রশিবির সভাপতি এ সময় আলটিমেটাম দিয়ে বলেন, আমরা দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। নতুবা যেকোনো পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে। আমাদের উদারতাকে দুর্বলতা ভেবে ভুল করবেন না।

উল্লেখ্য যে, নোয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি মসজিদে ছাত্রশিবিরের কুরআন ক্লাসে যুবদল নেতাকর্মীদের হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছাত্রশিবিরের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকালে নোয়াখালীর নেওয়াজপুর ইউনিয়নের কাসেম বাজার জামে মসজিদে আসর নামাজের পর এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নোয়াখালী জেলা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক ফজলে রাব্বী বলেন, কাসেম বাজার জামে মসজিদে শনিবার ছাত্রশিবির দারসুল কুরআন প্রোগ্রামের আয়োজন করেছিল। সেখানে কিছু যুবদল নেতার নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। এ হামলার প্রতিবাদে রোববার আসরের নামাজের পর আবারও একই মসজিদে কুরআন তালিমের কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রশিবির।

নামাজের পর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মসজিদে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালায়। পরে মসজিদে তালা মেরে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। তাদের ইটপাটকেল নিক্ষেপে আমাদের ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের আনতে অ্যাম্বুলেন্স গেলে তা ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

এর মধ্যে নোয়াখালী শহর ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক তানভীর সিয়াম, আইন সম্পাদক নাঈম হোসেন, শিবিরের সাথী ছালাউদ্দিন, কেরামতিয়া মাদ্রাসার ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরাফাত আলীসহ ১৬ জন গুরুতর আহত হন।

অন্যান্য খবর

‘আমার কোনো দোষ নাই, আমি জানিও না জামায়াতের ওপর হামলা হয়েছে’: বিএনপি নেতা হাবিব

পাবনার ঈশ্বরদীতে পাবনা-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকদের দফায় দফায় হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। তবে এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি জানিয়েছেন, তিনি এ ব্যাপারে জানেনই না এবং তার কোনো দায় […]

‘আমার কোনো দোষ নাই, আমি জানিও না জামায়াতের ওপর হামলা হয়েছে’: বিএনপি নেতা হাবিব

‘আমার কোনো দোষ নাই, আমি জানিও না জামায়াতের ওপর হামলা হয়েছে’: বিএনপি নেতা হাবিব

নিউজ ডেস্ক

২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০৩

পাবনার ঈশ্বরদীতে পাবনা-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকদের দফায় দফায় হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। তবে এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি জানিয়েছেন, তিনি এ ব্যাপারে জানেনই না এবং তার কোনো দায় নেই।

তার দাবি, জামায়াতের নেতাকর্মীরাই তার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছেন। পরে তারা জনরোষের শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে এক অডিও বার্তায় তিনি এসব মন্তব্য ও দাবি করেন।


অডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, আমার এখানে কোনো দোষ ছিল? তারা ওখানে গিয়েছে। তারা গিয়ে আমাদের লোকদেরকে মারধর শুরু করেছে। মারধর শুরু করে আমাদের অনেক লোক আহত করেছে। আমাদের লোকজন তো একসাথে ছিল না। তারা ওখানে গিয়ে আমাদের লোকদের মারধর শুরু করছে। পরে ওই এলাকার সব লোক আমাদের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদেরকে ধাওয়া করে। ধাওয়া করলে তখন গুলি করতে করতে তারা বের হয়ে আসে সেখান থেকে।

তিনি আরও বলেন, তারা বিভিন্ন দিক দিয়ে জনরোষের শিকার হয়েছে। আর এখানে আমি জানিও না। আমার কোন দায় নাই। টোটালি মিথ্যা কথা। গাড়িতে কারা গুলি করেছে, গুলির ভিডিও ফুটেজ আছে। আমি তো যাইও নাই। জানিও না। তাহলে এখানে আমাকে দায়ী করাটা কোনো কারণ নেই।

অন্যান্য খবর

ইতালি-চীন-পাকিস্তান-তুরস্ক থেকে যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার কিনছে বাংলাদেশ

দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত আধুনিক যুদ্ধবিমান ও আক্রমণাত্মক হেলিকপ্টারের ঘাটতি দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ও অপারেশনাল সক্ষমতায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই সংকট দূর করতে অন্তর্বর্তী সরকার বিমানবাহিনী আধুনিকায়নে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সূত্রের খবর অনুযায়ী ইতালি থেকে ইউরোফাইটার টাইফুন, চাইনিজ জে-১০সি, পাকিস্তানের জে এফ-১৭ এবং তুরস্কের টি-১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার ক্রয়ের পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। মোঃ রবিউল […]

ইতালি-চীন-পাকিস্তান-তুরস্ক থেকে যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার কিনছে বাংলাদেশ

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৫ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:০৭

দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত আধুনিক যুদ্ধবিমান ও আক্রমণাত্মক হেলিকপ্টারের ঘাটতি দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ও অপারেশনাল সক্ষমতায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই সংকট দূর করতে অন্তর্বর্তী সরকার বিমানবাহিনী আধুনিকায়নে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে

সূত্রের খবর অনুযায়ী ইতালি থেকে ইউরোফাইটার টাইফুন, চাইনিজ জে-১০সি, পাকিস্তানের জে এফ-১৭ এবং তুরস্কের টি-১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার ক্রয়ের পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। মোঃ রবিউল আলম, ঢাকা থেকে জানান—গঠিত আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি দ্রুত বিকল্প যাচাই করে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের মধ্যে ক্রয়চুক্তি সম্পন্নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

সূত্র জানান, পরিকল্পনা অনুসারে ইতালি থেকে ১০টি ইউরোফাইটার, তুরস্ক থেকে ৬টি টি-১২৯ হেলিকপ্টার আনার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। চীনের সঙ্গে জে-১০সি নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে ২০টি প্লেন সম্পর্কিত প্রস্তাব জমা পড়েছিল, এবং পাকিস্তান থেকে ১৬টি জে এফ-১৭ কেনার খরচ হিসেবে প্রায় ৭২০ মিলিয়ন ডলার ধরা হয়েছে। ক্রয়প্রক্রিয়া সরকার-টু-গভর্নমেন্ট (G2G) পদ্ধতিতে হবে; চুক্তিতে থাকবে হেপিসন, প্রশিক্ষণ, খুচরা অংশ ও রক্ষণাবেক্ষণের শর্তাবলি।

বিমান সদর এক এয়ার ভাইস মার্শালকে সভাপতি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১২ সদস্যের যৌথ কমিটি গঠন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। কমিটি দরকষাকষি, চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণ ও অর্থপরিশোধ পদ্ধতি নির্ধারণ করবে।

বিমানবাহিনীর সাবেক সহকারী প্রধান এয়ার কমোডর (অব.) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “প্লেন ও হেলিকপ্টার কেনা হচ্ছে বলেই আধুনিকায়ন শুরু হবে; সঙ্গে সার্ভেইল্যান্স, কমিউনিকেশন ও প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ জোর দিতে হবে।”

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ও অঞ্চলে স্থিতিশীলতা রক্ষায় তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে — তবে স্বচ্ছতা, অর্থায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা সফলতার চাবিকাঠি।

বিষয়টি নিয়ে সরকার ও সরকারের প্রতিনিধিরা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি; চূড়ান্ত চুক্তি ও সময়সূচি সম্পর্কে পরবর্তী দরকষাকষি ও বৈঠকে চূড়ান্ত তথ্য জানা যাবে।