মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

খেলা

আজ আইপিএলের মেগা নিলাম

তিন বছর পর আবারো ঘুরে এলো মেগা নিলাম। প্রতিবছরই আইপিএলে খেলোয়াড় বিক্রির জন্য নিলাম হয়। তবে মেগা নিলাম হয় তিন বছর পর পর। মেগা নিলামের বছর দলগুলো আগের মৌসুম থেকে সর্বোচ্চ ছয়জন খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারে। দলগুলোকে বাকি সব খেলোয়াড়কে ছেড়ে দিয়ে নিলাম থেকে আবার কিনতে হয়। মেগা নিলাম ছাড়া বাকি নিলামগুলোয় খেলোয়াড় বিক্রির পরিমাণ […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ নভেম্বর ২০২৪, ১৫:০৪

তিন বছর পর আবারো ঘুরে এলো মেগা নিলাম। প্রতিবছরই আইপিএলে খেলোয়াড় বিক্রির জন্য নিলাম হয়। তবে মেগা নিলাম হয় তিন বছর পর পর। মেগা নিলামের বছর দলগুলো আগের মৌসুম থেকে সর্বোচ্চ ছয়জন খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারে।

দলগুলোকে বাকি সব খেলোয়াড়কে ছেড়ে দিয়ে নিলাম থেকে আবার কিনতে হয়।
মেগা নিলাম ছাড়া বাকি নিলামগুলোয় খেলোয়াড় বিক্রির পরিমাণ থাকে কম। কারণ, জায়গাই তখন কম খালি থাকে। মেগা নিলামে বেশি খেলোয়াড় বিক্রি হয় বলে এটি দুই দিনব্যাপী হয়।

আইপিএল ২০২৫-এর মেগা নিলামের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন মোট ১৫৭৪ জন খেলোয়াড়। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর আগ্রহের ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত নিলামে জায়গা পেয়েছেন ৫৭৫ জন খেলোয়াড়। এর মধ্যে ৩৬৬ জন ভারতীয়, ২০৯ জন বিদেশি (অ-ভারতীয়)। ভারতীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে ৪৮ জনের এর মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা আছে (ক্যাপড), ৩১৮ জন এখনো অভিষেকের অপেক্ষায় (আনক্যাপড)।

বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইংল্যান্ডের ৩৮ জন। এরপর অস্ট্রেলিয়ার ৩৭ জন। দক্ষিণ আফ্রিকার আছেন ৩১ জন, নিউজিল্যান্ডের ২৪, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২২, শ্রীলঙ্কার ১৯, আফগানিস্তানের ১৮, বাংলাদেশের ১২, জিম্বাবুয়ের ৩, আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের ২ জন করে, স্কটল্যান্ডের ১ জন
এবারের নিলামে অংশ নেবে ২০২৫ আইপিএলের ১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি। একটা ফ্র্যাঞ্চাইজি সর্বোচ্চ ২৫ ও সর্বনিম্ন ১৮ জনের স্কোয়াড তৈরি করতে পারবে।

সুতরাং ১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলে সর্বোচ্চ ২৫০ জন খেলোয়াড় নিতে পারবে। এর মধ্যে ১০টি দল মিলে আগেই তাদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ৪৬ জন খেলোয়াড়কে ধরে রেখেছে। তার মানে সর্বোচ্চ ২০৪ জন খেলোয়াড় বিক্রি হবেন এবারের নিলামে। কোনো দল যদি ২৫ জনের স্কোয়াড না করে আরও ছোট স্কোয়াড করে, তাহলে সংখ্যাটা আরও কমে আসবে।

মেগা নিলামে একটা দল সর্বোচ্চ ১২০ কোটি ভারতীয় রুপি খরচ করতে পারবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মুম্বাই ইন্ডিয়ানস আগেই চুক্তিবদ্ধ ৫ জন খেলোয়াড়কে ধরে রেখেছে, যাঁদের পেছনে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির এরই মধ্যে ৭৫ কোটি রুপি খরচ হয়ে গেছে। সুতরাং অন্তত ১৮ জনের স্কোয়াড গঠন করতে হলে মুম্বাইকে বাকি ৪৫ কোটি রুপি দিয়ে আরও ১৩ জন খেলোয়াড় কিনতে হবে।

কোন দল কাদের ধরে রেখেছে
মুম্বাই ইন্ডিয়ানস: জসপ্রীত বুমরা (১৮ কোটি), সূর্যকুমার যাদব (১৬.৩৫), হার্দিক পান্ডিয়া (১৬.৩৫), রোহিত শর্মা (১৬.৩০), তিলক বর্মা (৮ কোটি)।

চেন্নাই সুপার কিংস: রুতুরাজ গায়কোয়াড় (১৮ কোটি), মাতিশা পাতিরানা (১৩ কোটি), শিবম দুবে (১২ কোটি), রবীন্দ্র জাদেজা (১৮ কোটি), মহেন্দ্র সিং ধোনি (৪ কোটি)।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু: বিরাট কোহলি (২১ কোটি), রজত পাতিদার (১১ কোটি), যশ দয়াল (৫ কোটি)।

দিল্লি ক্যাপিটালস: অক্ষর প্যাটেল (১৬.৫ কোটি), কুলদীপ যাদব (১৩.২৫ কোটি), ট্রিস্টান স্টাবস (১০ কোটি), অভিষেক পোরেল (৪ কোটি)।
কলকাতা নাইট রাইডার্স: রিংকু সিং (১৩ কোটি), বরুণ চক্রবর্তী (১২ কোটি), সুনীল নারাইন (১২ কোটি), আন্দ্রে রাসেল (১২ কোটি), হর্ষিত রানা (৪ কোটি), রমনদীপ সিং (৪ কোটি)।

লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস: নিকোলাস পুরান (২১ কোটি), রবি বিষ্ণয় (১১ কোটি), মায়াঙ্ক যাদব (১১ কোটি), মহসিন খান (৪ কোটি), আয়ুশ বাদোনি (৪ কোটি)।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ: প্যাট কামিন্স (১৮ কোটি), অভিষেক শর্মা (১৪ কোটি), নীতিশ রেড্ডি (৬ কোটি), হাইনরিখ ক্লাসেন (২৩ কোটি), ট্রাভিস হেড (১৪ কোটি)।

গুজরাট টাইটানস: রশিদ খান (১৮ কোটি), শুবমান গিল (১৬.৫ কোটি), সাই সুদর্শন (৮.৫ কোটি), রাহুল তেওয়াতিয়া (৪ কোটি), শাহরুখ খান (৪ কোটি)।

পাঞ্জাব কিংস: শশাঙ্ক সিং (৫.৫ কোটি), প্রভসিমরন সিং (৪ কোটি)।

রাজস্থান রয়্যালস: সঞ্জু স্যামসন (১৮ কোটি), যশস্বী জয়সোয়াল (১৮ কোটি), রিয়ান পরাগ (১৪ কোটি), ধ্রুব জুরেল (১৪ কোটি), শিমরন হেটমায়ার (১১ কোটি), সন্দীপ শর্মা (৪ কোটি)।

মেগা নিলামে মার্কি খেলোয়াড়

দলগুলোর আগ্রহের ভিত্তিতে নিলামে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত খেলোয়াড়দের একটা তালিকা করা হয়েছে। তাঁদের বলা হচ্ছে মার্কি খেলোয়াড়। এবার নিলামে মার্কি খেলোয়াড়দের দুটি সেট করা হয়েছে। প্রতি সেটে থাকছেন ৬ জন খেলোয়াড়। প্রথম সেটে থাকছে জস বাটলার, শ্রেয়াস আইয়ার, ঋষভ পন্ত, কাগিসো রাবাদা, অর্শদীপ সিং ও মিচেল স্টার্ক। দ্বিতীয় সেটে থাকছে যুজবেন্দ্র চাহাল, লিয়াম লিভিংস্টোন, ডেভিড মিলার, লোকেশ রাহুল, মোহাম্মদ শামি ও মোহাম্মদ সিরাজ।

যেভাবে হবে নিলাম
সবার আগে নিলামে উঠবেন মার্কি খেলোয়াড়েরা। তারপর এরই মধ্যে যাঁদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে, তাঁদের নিজ নিজ বিশেষত্ব অনুযায়ী ভাগ করে নিলামে তোলা হবে, যেমন ব্যাটসম্যান, অলরাউন্ডার, উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান, ফাস্ট বোলার, স্পিনার। এরপর একইভাবে এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা খেলোয়াড়দের তোলা হবে নিলামে। ৫৭৪ জনের নিলাম শেষ হলে দলগুলো অবিক্রীত খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে কাঙ্ক্ষিত খেলোয়াড়দের একটা তালিকা দেবে। সেই তালিকায় থাকা খেলোয়াড়দের আবার নিলামে তোলা হবে।

খেলা

আসিফ আকবর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি পরিচালক

দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের আগে বুধবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা ছিল, এর মধ্যে তামিম ইকবালসহ মোট ১৬ জন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

নিউজ ডেস্ক

০১ অক্টোবর ২০২৫, ১৮:৪৪

দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের আগে বুধবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা ছিল, এর মধ্যে তামিম ইকবালসহ মোট ১৬ জন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন মীর হেলাল উদ্দিন। ফলে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে থেকে যান কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর আসিফ আকবর ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার আহসান ইকবাল চৌধুরী। দুই পরিচালক পদের বিপরীতে অতিরিক্ত প্রার্থী না থাকায় ভোটাভুটি ছাড়াই তারা নির্বাচিত হন।

চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে মোট চারটি মনোনয়ন জমা পড়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ে চাঁদপুরের শওকতের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় তিনজন বৈধ প্রার্থী ছিলেন। পরে আজ আরও একজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় নির্বাচনের প্রয়োজন হয়নি। ফলে আসিফ আকবর ও আহসান ইকবাল চৌধুরী সরাসরি পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য, গত তিন মেয়াদে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে বিসিবির পরিচালক ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার আকরাম খান ও আজম নাসির। এ বছর নতুন মুখ হিসেবে আসিফ আকবরের যোগদান দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে ভিন্নমাত্রা যোগ করল। একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে ক্রিকেট বোর্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ কেমন হয়, সেটি এখন ক্রীড়ামহলে আলোচনার কেন্দ্রে।

যে ১৫ জন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন

ক্যাটাগরি ১

মীর হেলাল (চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা)

তৌহিদ তারেক (পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থা)

ক্যাটাগরি ২

তামিম ইকবাল (ওল্ড ডিওএইচএস)

রফিকুল ইসলাম বাবু (ইন্দিরা রোড ক্রীড়াচক্র)

মাসুদুজ্জামান (মোহামেডান)

সাঈদ ইব্রাহীম আহমেদ (ফেয়ার ফাইটার্স)

সৈয়দ বুরহান হোসেন পাপ্পু (তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমি)

ইসরাফিল খশরু (এক্সিউম ক্রিকেটার্স)

সাব্বির আহমেদ রুবেল (প্রগতি সেবা সংঘ)

অসিফ রাব্বানী (শাইনপুকুর)

ইয়াসির আব্বাস (আজাদ স্পোর্টিং)

ফাহিম সিনহা (সুর্যতরুণ)

সাইফুল ইসলাম সপু (গোপীবাগ ফ্রেন্ডস)

ওমর শরীফ মোহাম্মদ ইমরান (বাংলাদেশ বয়েজ)

ক্যাটাগরি ৩

সিরাজউদ্দিন আলমগীর (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)।

খেলা

বিসিবি পরিচালক পদে জয়ী হলেন যারা

আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশনার। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরি থেকে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন

নিউজ ডেস্ক

০৬ অক্টোবর ২০২৫, ২০:১৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে পরিচালনা পরিষদের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশনার। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরি থেকে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন, পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে আরও দুজন পরিচালক মনোনীত হয়েছেন।

সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দিনের শেষে কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।

ক্যাটাগরি-১ (বিভাগীয় প্রতিনিধি):
ঢাকা বিভাগ থেকে নাজমুল আবেদিন ফাহিমআমিনুল ইসলাম বুলবুল,
চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে আহসান ইকবাল চৌধুরিআসিফ আকবর,
খুলনা বিভাগ থেকে আব্দুর রাজ্জাকজুলফিকার আলি খান,
বরিশাল বিভাগ থেকে সাখাওয়াত হোসেন,
সিলেট বিভাগ থেকে রাহাত শামস,
রাজশাহী বিভাগ থেকে মোখলেসুর রহমান,
এবং রংপুর বিভাগ থেকে হাসানুজ্জামান নির্বাচিত হয়েছেন।

ক্যাটাগরি-২ (ক্লাব প্রতিনিধি):
ঢাকা ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে ১২ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন—
ইশতিয়াক সাদেক, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, আমজাদ হোসেন, মোকসেদুল কামাল, মঞ্জুরুল আলম, আদনান রহমান দিপন, আবুল বাশার শিপলু, ইফতেখার রহমান মিঠু, ফয়জুর রহমান, এবং নাজমুল ইসলাম

ক্যাটাগরি-৩ (সংস্থা ও সাবেক ক্রিকেটার):
এই ক্যাটাগরিতে সাবেক ক্রিকেটার ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোনীত কাউন্সিলর দেবব্রত পালকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক জাতীয় দলের তারকা খালেদ মাসুদ পাইলট

এনএসসি মনোনয়ন:
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এম ইসফাক আহসান এবং ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক

এই ২৫ জন নির্বাচিত পরিচালকই পরবর্তী ধাপে বিসিবি সভাপতি ও দুই সহ-সভাপতি নির্বাচনে ভোট প্রদান করবেন। নতুন পরিচালনা পরিষদ এখন থেকে আগামী মেয়াদের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রশাসনিক ও কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে।

খেলা

জাতীয় বেইমানদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে, ভুয়া ক্রিকেট বোর্ড লাথি মেরে ছুড়ে ফেলা হবে: ইশরাক

“বিসিবির জালিয়াতির সিলেকশন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে সাধারণ জনগণ ও ক্রীড়া সংগঠকরা। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশকে স্থিতিশীল রাখতে এখন কিছু বলা হচ্ছে না। অচিরেই এই জাতীয় বেইমানদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের দেশের আইন মেনেই এই ভুয়া বোর্ড লাথি মেরে ছুড়ে ফেলে দেয়া হবে।”

নিউজ ডেস্ক

০৬ অক্টোবর ২০২৫, ২০:৫৮

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে আবারও সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। দীর্ঘ প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে পূর্বনির্ধারিত অন্যান্য প্রার্থীরাও বোর্ড পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানানো হয়।

সোমবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরি থেকে ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হন এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত হন আরও দুজন পরিচালক।

তবে ফলাফল ঘোষণার পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয় বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের প্রতিক্রিয়াকে ঘিরে। ফল ঘোষণার কিছুক্ষণ পর তিনি নিজের ফেসবুক পেজে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লেখেন—

“বিসিবির জালিয়াতির সিলেকশন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে সাধারণ জনগণ ও ক্রীড়া সংগঠকরা। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশকে স্থিতিশীল রাখতে এখন কিছু বলা হচ্ছে না। অচিরেই এই জাতীয় বেইমানদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের দেশের আইন মেনেই এই ভুয়া বোর্ড লাথি মেরে ছুড়ে ফেলে দেয়া হবে।”

তার এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সমর্থক ও সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। কেউ কেউ নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আবার অনেকে ইশরাকের ভাষার তীব্রতা নিয়ে সমালোচনা করেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দেশের ক্রীড়া প্রশাসনেও এখন রাজনৈতিক প্রভাব গভীরভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের নির্বাচনী প্রক্রিয়াগুলোতে আরও জটিলতা তৈরি করতে পারে।