সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

খেলা

নারী ফুটবলারদের সমস্যার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে: আসিফ মাহমুদ

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা খুব ধৈর্য সহকারে নারী ফুটবলারদের কথা শুনেছেন। বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনেছেন এবং সেগুলো লিখিতভাবে দেওয়ার জন্য বলেছেন। আমরা সেগুলো লিখিত পেলে খুব দ্রুত ব্যবস্থা যাতে নিতে পারি। নারী ফুটবলারদের সমস্যার বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। শনিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে সাফজয়ী নারী ফুটবল দলকে প্রধান উপদেষ্টার সংবর্ধনা […]

নিউজ ডেস্ক

০২ নভেম্বর ২০২৪, ১৪:১৬

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা খুব ধৈর্য সহকারে নারী ফুটবলারদের কথা শুনেছেন। বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনেছেন এবং সেগুলো লিখিতভাবে দেওয়ার জন্য বলেছেন। আমরা সেগুলো লিখিত পেলে খুব দ্রুত ব্যবস্থা যাতে নিতে পারি। নারী ফুটবলারদের সমস্যার বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

শনিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে সাফজয়ী নারী ফুটবল দলকে প্রধান উপদেষ্টার সংবর্ধনা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, নারী ফুটবলাররা প্রত্যেকের সাইন করা জার্সি এবং ফুটবল প্রধান উপদেষ্টাকে গিফট করেছেন। প্রধান উপদেষ্টাসহ আমরা সবাই নারী ফুটবলারদের সঙ্গে ব্রেকফাস্ট করেছি।

তিনি বলেন, আবাসন সমস্যা, অনুশীলন, বেতন কাঠামোসহ সব কিছু নিয়ে কথা হয়েছে। দুই-তিন দিনের মধ্যে ওনারা (ফুটবলার) আমাদেরকে তাদের সমস্যাগুলো লিখিতভাবে দেবেন। সেটা আমি সরাসরি স্যারকে পৌঁছে দেব।

ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, নারী ফুটবলাররা জানিয়েছেন যে, ক্যাম্পটা সারা বছর চলার কারণে এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। সেটাকে যেন সারা বছর চলমান রাখা যায়, সে আবদার তারা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বাফুফের নতুন কমিটির সঙ্গে মিলে নারী ফুটবল দলের সমস্যা এবং ফুটবলের যে সমস্যা সবগুলো আমরা সমাধান করব।

তিনি আরও বলেন, বাফুফের সভাপতি দেশে ছিলেন না, যে কারণে বাফুফের কেউ আজকে নেই। আমার কাছে যে ২৫ জনের তালিকা এসেছে, আমরা তাদেরকে এখানে আনার ব্যবস্থা করেছি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আমাদের যতটুকু সামর্থ্য আছে চেষ্টা করব। আমরা বাহির থেকে দেখি যে টিক্রেটের এত পি আর, এত কিছু, তাদের কিন্তু সমস্যা আছে। যেগুলো ছোট ছোট সমস্যা। স্পোর্টসের স্টেকহোল্ডার হচ্ছে আমাদের খেলোয়াড়রা। তারাই সবার ঊর্ধ্বে থাকবে। সবার ঊর্ধ্বে ছিল কমিটির মেম্বাররা, সেটা আর হবে না। এটা অন্তত আমার সময় নিশ্চিত করব ইনশাল্লাহ।

তিনি বলেন, আমি যতটুকু জানি যে দুই মাসের স্যালারি ডিউ আছে। আপনারা জানেন এতদিন বাফুফে সালাউদ্দিন সাহেবের কমিটি ছিল। এখন নতুন কমিটি এসেছে, নতুন কমিটির সঙ্গে আমরা এই কথাগুলো ওয়ার্ক আউট করব। ভবিষ্যতেও যেন ডিউ না হয়।

বাফুফের বিশাল অঙ্কের ঋণ রয়েছে, কেন হলো এরকম? কোন কোন জায়গায় আর্থিক অনিয়ম হয়েছে আপনারাই (মিডিয়া) বিভিন্ন সময়ে বলেছেন। সেগুলো নিয়ে অলরেডি নতুন কমিটিকে অডিট করার জন্য বলেছি। যদি কোথাও অনিয়ম হয়ে থাকে, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি।

এর আগে বেলা ১১টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাফজয়ী নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

খেলা

আসিফ আকবর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি পরিচালক

দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের আগে বুধবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা ছিল, এর মধ্যে তামিম ইকবালসহ মোট ১৬ জন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

নিউজ ডেস্ক

০১ অক্টোবর ২০২৫, ১৮:৪৪

দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের আগে বুধবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা ছিল, এর মধ্যে তামিম ইকবালসহ মোট ১৬ জন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন মীর হেলাল উদ্দিন। ফলে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে থেকে যান কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর আসিফ আকবর ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার আহসান ইকবাল চৌধুরী। দুই পরিচালক পদের বিপরীতে অতিরিক্ত প্রার্থী না থাকায় ভোটাভুটি ছাড়াই তারা নির্বাচিত হন।

চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে মোট চারটি মনোনয়ন জমা পড়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ে চাঁদপুরের শওকতের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় তিনজন বৈধ প্রার্থী ছিলেন। পরে আজ আরও একজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় নির্বাচনের প্রয়োজন হয়নি। ফলে আসিফ আকবর ও আহসান ইকবাল চৌধুরী সরাসরি পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য, গত তিন মেয়াদে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে বিসিবির পরিচালক ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার আকরাম খান ও আজম নাসির। এ বছর নতুন মুখ হিসেবে আসিফ আকবরের যোগদান দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে ভিন্নমাত্রা যোগ করল। একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে ক্রিকেট বোর্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ কেমন হয়, সেটি এখন ক্রীড়ামহলে আলোচনার কেন্দ্রে।

যে ১৫ জন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন

ক্যাটাগরি ১

মীর হেলাল (চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা)

তৌহিদ তারেক (পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থা)

ক্যাটাগরি ২

তামিম ইকবাল (ওল্ড ডিওএইচএস)

রফিকুল ইসলাম বাবু (ইন্দিরা রোড ক্রীড়াচক্র)

মাসুদুজ্জামান (মোহামেডান)

সাঈদ ইব্রাহীম আহমেদ (ফেয়ার ফাইটার্স)

সৈয়দ বুরহান হোসেন পাপ্পু (তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমি)

ইসরাফিল খশরু (এক্সিউম ক্রিকেটার্স)

সাব্বির আহমেদ রুবেল (প্রগতি সেবা সংঘ)

অসিফ রাব্বানী (শাইনপুকুর)

ইয়াসির আব্বাস (আজাদ স্পোর্টিং)

ফাহিম সিনহা (সুর্যতরুণ)

সাইফুল ইসলাম সপু (গোপীবাগ ফ্রেন্ডস)

ওমর শরীফ মোহাম্মদ ইমরান (বাংলাদেশ বয়েজ)

ক্যাটাগরি ৩

সিরাজউদ্দিন আলমগীর (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)।

খেলা

বিসিবি পরিচালক পদে জয়ী হলেন যারা

আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশনার। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরি থেকে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন

নিউজ ডেস্ক

০৬ অক্টোবর ২০২৫, ২০:১৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে পরিচালনা পরিষদের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশনার। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরি থেকে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন, পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে আরও দুজন পরিচালক মনোনীত হয়েছেন।

সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দিনের শেষে কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।

ক্যাটাগরি-১ (বিভাগীয় প্রতিনিধি):
ঢাকা বিভাগ থেকে নাজমুল আবেদিন ফাহিমআমিনুল ইসলাম বুলবুল,
চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে আহসান ইকবাল চৌধুরিআসিফ আকবর,
খুলনা বিভাগ থেকে আব্দুর রাজ্জাকজুলফিকার আলি খান,
বরিশাল বিভাগ থেকে সাখাওয়াত হোসেন,
সিলেট বিভাগ থেকে রাহাত শামস,
রাজশাহী বিভাগ থেকে মোখলেসুর রহমান,
এবং রংপুর বিভাগ থেকে হাসানুজ্জামান নির্বাচিত হয়েছেন।

ক্যাটাগরি-২ (ক্লাব প্রতিনিধি):
ঢাকা ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে ১২ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন—
ইশতিয়াক সাদেক, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, আমজাদ হোসেন, মোকসেদুল কামাল, মঞ্জুরুল আলম, আদনান রহমান দিপন, আবুল বাশার শিপলু, ইফতেখার রহমান মিঠু, ফয়জুর রহমান, এবং নাজমুল ইসলাম

ক্যাটাগরি-৩ (সংস্থা ও সাবেক ক্রিকেটার):
এই ক্যাটাগরিতে সাবেক ক্রিকেটার ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোনীত কাউন্সিলর দেবব্রত পালকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক জাতীয় দলের তারকা খালেদ মাসুদ পাইলট

এনএসসি মনোনয়ন:
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এম ইসফাক আহসান এবং ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক

এই ২৫ জন নির্বাচিত পরিচালকই পরবর্তী ধাপে বিসিবি সভাপতি ও দুই সহ-সভাপতি নির্বাচনে ভোট প্রদান করবেন। নতুন পরিচালনা পরিষদ এখন থেকে আগামী মেয়াদের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রশাসনিক ও কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে।

খেলা

জাতীয় বেইমানদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে, ভুয়া ক্রিকেট বোর্ড লাথি মেরে ছুড়ে ফেলা হবে: ইশরাক

“বিসিবির জালিয়াতির সিলেকশন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে সাধারণ জনগণ ও ক্রীড়া সংগঠকরা। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশকে স্থিতিশীল রাখতে এখন কিছু বলা হচ্ছে না। অচিরেই এই জাতীয় বেইমানদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের দেশের আইন মেনেই এই ভুয়া বোর্ড লাথি মেরে ছুড়ে ফেলে দেয়া হবে।”

নিউজ ডেস্ক

০৬ অক্টোবর ২০২৫, ২০:৫৮

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে আবারও সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। দীর্ঘ প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে পূর্বনির্ধারিত অন্যান্য প্রার্থীরাও বোর্ড পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানানো হয়।

সোমবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরি থেকে ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হন এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত হন আরও দুজন পরিচালক।

তবে ফলাফল ঘোষণার পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয় বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের প্রতিক্রিয়াকে ঘিরে। ফল ঘোষণার কিছুক্ষণ পর তিনি নিজের ফেসবুক পেজে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লেখেন—

“বিসিবির জালিয়াতির সিলেকশন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে সাধারণ জনগণ ও ক্রীড়া সংগঠকরা। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশকে স্থিতিশীল রাখতে এখন কিছু বলা হচ্ছে না। অচিরেই এই জাতীয় বেইমানদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের দেশের আইন মেনেই এই ভুয়া বোর্ড লাথি মেরে ছুড়ে ফেলে দেয়া হবে।”

তার এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সমর্থক ও সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। কেউ কেউ নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আবার অনেকে ইশরাকের ভাষার তীব্রতা নিয়ে সমালোচনা করেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দেশের ক্রীড়া প্রশাসনেও এখন রাজনৈতিক প্রভাব গভীরভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের নির্বাচনী প্রক্রিয়াগুলোতে আরও জটিলতা তৈরি করতে পারে।