মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

খেলা

আমাকে ঘৃণা করুন, পরোয়া করি না কিন্তু আমার সঙ্গে খেলবেন না

চরম নাটকীয়তার পর দেশে ফেরার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন সাকিব আল হাসান। বৃহস্পতিবার বিসিবির পরামর্শে দেশে ফেরার ফ্লাইট বাতিল করেছেন তারকা এই অলরাউন্ডার। তবে একই দিন এক ভিডিওতে কড়া বার্তা দিয়েছেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক। আবু ধাবি টি-টেন টুর্নামেন্টের আসন্ন আসরে সাকিবকে আইকন খেলোয়াড় হিসেবে দলে টেনেছে বাংলা টাইগার্স। সেই দলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৃহস্পতিবার সাকিবের একটি […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ অক্টোবর ২০২৪, ২৩:৫৬

চরম নাটকীয়তার পর দেশে ফেরার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন সাকিব আল হাসান। বৃহস্পতিবার বিসিবির পরামর্শে দেশে ফেরার ফ্লাইট বাতিল করেছেন তারকা এই অলরাউন্ডার। তবে একই দিন এক ভিডিওতে কড়া বার্তা দিয়েছেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক।
আবু ধাবি টি-টেন টুর্নামেন্টের আসন্ন আসরে সাকিবকে আইকন খেলোয়াড় হিসেবে দলে টেনেছে বাংলা টাইগার্স। সেই দলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৃহস্পতিবার সাকিবের একটি ভিডিও দেওয়া হয়েছে। ভিডিওর বার্তা অনেকটা এমন, ভালোবাসুক কিংবা ঘৃণা করুক; সেটার পরোয়া নেই তার। কিন্তু তার সঙ্গে কেউ যেন খেলা না করে।
ভিডিওটিতে কেবল সাকিবকেই দেখানো হয়েছে। সাকিব বলেন, আমার জীবন, আমার নিয়ম, আমার স্টাইল, আমার এটিচ্যুড। আপনি আমাকে ভালোবাসুন কিংবা ঘৃণা করুন, আমি পরোয়া করি না। কিন্তু আমার সঙ্গে খেলবেন না।
৩ ঘণ্টা আগে পোস্ট করা এই ভিডিওটি বাংলা টাইগার্সের কোনো প্রমোশনের অংশ কিনা সেটা পরিষ্কার করা হয়নি ফ্র্যাঞ্চাইটির পক্ষ থেকে। পোস্টটির ক্যাপশনেও সাকিবের কথা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট সিরিজ চলাকালীন টি-টোয়েন্টি এবং টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন সাকিব। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকেই ওই ফরম্যাটে তার শেষ বলে অভিহিত করে সাকিব জানান, নিরাপত্তা পেলে দেশের মাটিতে শেষ টেস্ট খেলতে চান তিনি।
সাকিবের এই ঘোষণার পরপরই তার দেশে ফেরার বিষয়টি আলোচনায় আসে। এই ইস্যুতে দেশের ক্রিকেট সমর্থকদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একপর্যায়ে বিসিবি তার নিরাপত্তায় অপারগতা প্রকাশ করে। তবে অনেক নাটকীয়তার পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সাকিবকে নিরাপত্তা দিতে রাজি হয়।
সাকিবের দেশে ফিরতে বাধা নেই–যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এমন আশ্বাসের পর গতকাল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের জন্য ১৫ সদস্যের দলে সাকিবকে রাখা হয়। তবে গত কয়েকদিনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সাকিবকে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্তের কথা জেনে ফুঁসে উঠেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। সাকিবের বিরুদ্ধে স্লোগান-ফেস্টুনে উত্তাল হয়ে উঠেছে মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়াম।
দেশের মাটিতে শেষ টেস্ট খেলার উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুবাইয়ে এসেছিলেন সাকিব। বৃহস্পতিবার বিকেলে সেখান থেকে তার রওনা দেয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের উদ্দেশে। কিন্তু পরিস্থিতি বিবেচনায় শেষ মুহূর্তে তাকে ফ্লাইট বাতিল করার পরামর্শ দিয়েছে বিসিবি।
দেশে ফেরার বিষয় নিয়ে সম্প্রতি ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোর সঙ্গে কথা বলেছেন সাকিব। সেখানে তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে কোথায় যাব, জানি না। তবে এটা প্রায় নিশ্চিত যে আমি দেশে ফিরছি না।

খেলা

আসিফ আকবর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি পরিচালক

দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের আগে বুধবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা ছিল, এর মধ্যে তামিম ইকবালসহ মোট ১৬ জন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

নিউজ ডেস্ক

০১ অক্টোবর ২০২৫, ১৮:৪৪

দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের আগে বুধবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা ছিল, এর মধ্যে তামিম ইকবালসহ মোট ১৬ জন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন মীর হেলাল উদ্দিন। ফলে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে থেকে যান কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর আসিফ আকবর ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার আহসান ইকবাল চৌধুরী। দুই পরিচালক পদের বিপরীতে অতিরিক্ত প্রার্থী না থাকায় ভোটাভুটি ছাড়াই তারা নির্বাচিত হন।

চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে মোট চারটি মনোনয়ন জমা পড়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ে চাঁদপুরের শওকতের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় তিনজন বৈধ প্রার্থী ছিলেন। পরে আজ আরও একজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় নির্বাচনের প্রয়োজন হয়নি। ফলে আসিফ আকবর ও আহসান ইকবাল চৌধুরী সরাসরি পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য, গত তিন মেয়াদে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে বিসিবির পরিচালক ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার আকরাম খান ও আজম নাসির। এ বছর নতুন মুখ হিসেবে আসিফ আকবরের যোগদান দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে ভিন্নমাত্রা যোগ করল। একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে ক্রিকেট বোর্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ কেমন হয়, সেটি এখন ক্রীড়ামহলে আলোচনার কেন্দ্রে।

যে ১৫ জন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন

ক্যাটাগরি ১

মীর হেলাল (চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা)

তৌহিদ তারেক (পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থা)

ক্যাটাগরি ২

তামিম ইকবাল (ওল্ড ডিওএইচএস)

রফিকুল ইসলাম বাবু (ইন্দিরা রোড ক্রীড়াচক্র)

মাসুদুজ্জামান (মোহামেডান)

সাঈদ ইব্রাহীম আহমেদ (ফেয়ার ফাইটার্স)

সৈয়দ বুরহান হোসেন পাপ্পু (তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমি)

ইসরাফিল খশরু (এক্সিউম ক্রিকেটার্স)

সাব্বির আহমেদ রুবেল (প্রগতি সেবা সংঘ)

অসিফ রাব্বানী (শাইনপুকুর)

ইয়াসির আব্বাস (আজাদ স্পোর্টিং)

ফাহিম সিনহা (সুর্যতরুণ)

সাইফুল ইসলাম সপু (গোপীবাগ ফ্রেন্ডস)

ওমর শরীফ মোহাম্মদ ইমরান (বাংলাদেশ বয়েজ)

ক্যাটাগরি ৩

সিরাজউদ্দিন আলমগীর (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)।

খেলা

বিসিবি পরিচালক পদে জয়ী হলেন যারা

আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশনার। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরি থেকে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন

নিউজ ডেস্ক

০৬ অক্টোবর ২০২৫, ২০:১৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে পরিচালনা পরিষদের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশনার। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরি থেকে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন, পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে আরও দুজন পরিচালক মনোনীত হয়েছেন।

সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দিনের শেষে কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।

ক্যাটাগরি-১ (বিভাগীয় প্রতিনিধি):
ঢাকা বিভাগ থেকে নাজমুল আবেদিন ফাহিমআমিনুল ইসলাম বুলবুল,
চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে আহসান ইকবাল চৌধুরিআসিফ আকবর,
খুলনা বিভাগ থেকে আব্দুর রাজ্জাকজুলফিকার আলি খান,
বরিশাল বিভাগ থেকে সাখাওয়াত হোসেন,
সিলেট বিভাগ থেকে রাহাত শামস,
রাজশাহী বিভাগ থেকে মোখলেসুর রহমান,
এবং রংপুর বিভাগ থেকে হাসানুজ্জামান নির্বাচিত হয়েছেন।

ক্যাটাগরি-২ (ক্লাব প্রতিনিধি):
ঢাকা ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে ১২ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন—
ইশতিয়াক সাদেক, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, আমজাদ হোসেন, মোকসেদুল কামাল, মঞ্জুরুল আলম, আদনান রহমান দিপন, আবুল বাশার শিপলু, ইফতেখার রহমান মিঠু, ফয়জুর রহমান, এবং নাজমুল ইসলাম

ক্যাটাগরি-৩ (সংস্থা ও সাবেক ক্রিকেটার):
এই ক্যাটাগরিতে সাবেক ক্রিকেটার ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোনীত কাউন্সিলর দেবব্রত পালকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক জাতীয় দলের তারকা খালেদ মাসুদ পাইলট

এনএসসি মনোনয়ন:
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এম ইসফাক আহসান এবং ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক

এই ২৫ জন নির্বাচিত পরিচালকই পরবর্তী ধাপে বিসিবি সভাপতি ও দুই সহ-সভাপতি নির্বাচনে ভোট প্রদান করবেন। নতুন পরিচালনা পরিষদ এখন থেকে আগামী মেয়াদের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রশাসনিক ও কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে।

খেলা

জাতীয় বেইমানদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে, ভুয়া ক্রিকেট বোর্ড লাথি মেরে ছুড়ে ফেলা হবে: ইশরাক

“বিসিবির জালিয়াতির সিলেকশন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে সাধারণ জনগণ ও ক্রীড়া সংগঠকরা। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশকে স্থিতিশীল রাখতে এখন কিছু বলা হচ্ছে না। অচিরেই এই জাতীয় বেইমানদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের দেশের আইন মেনেই এই ভুয়া বোর্ড লাথি মেরে ছুড়ে ফেলে দেয়া হবে।”

নিউজ ডেস্ক

০৬ অক্টোবর ২০২৫, ২০:৫৮

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে আবারও সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। দীর্ঘ প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে পূর্বনির্ধারিত অন্যান্য প্রার্থীরাও বোর্ড পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানানো হয়।

সোমবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরি থেকে ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হন এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত হন আরও দুজন পরিচালক।

তবে ফলাফল ঘোষণার পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয় বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের প্রতিক্রিয়াকে ঘিরে। ফল ঘোষণার কিছুক্ষণ পর তিনি নিজের ফেসবুক পেজে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লেখেন—

“বিসিবির জালিয়াতির সিলেকশন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে সাধারণ জনগণ ও ক্রীড়া সংগঠকরা। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশকে স্থিতিশীল রাখতে এখন কিছু বলা হচ্ছে না। অচিরেই এই জাতীয় বেইমানদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের দেশের আইন মেনেই এই ভুয়া বোর্ড লাথি মেরে ছুড়ে ফেলে দেয়া হবে।”

তার এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সমর্থক ও সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। কেউ কেউ নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আবার অনেকে ইশরাকের ভাষার তীব্রতা নিয়ে সমালোচনা করেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দেশের ক্রীড়া প্রশাসনেও এখন রাজনৈতিক প্রভাব গভীরভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের নির্বাচনী প্রক্রিয়াগুলোতে আরও জটিলতা তৈরি করতে পারে।