সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

গুরুত্বপূর্ণ দুজন উপদেষ্টা আজ দেশ ছাড়বেন, সাংবাদিক সায়েরের পোস্ট

অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুইজন উপদেষ্টা সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দেশত্যাগ করতে পারেন বলে দাবি করেছেন কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান। সকালে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কথা জানিয়েছেন। সায়েরের দাবি তিনি, উপদেষ্টাদের ঘনিষ্ঠ মহল থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হয়েছেন। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক […]

গুরুত্বপূর্ণ দুজন উপদেষ্টা আজ দেশ ছাড়বেন, সাংবাদিক সায়েরের পোস্ট

গুরুত্বপূর্ণ দুজন উপদেষ্টা আজ দেশ ছাড়বেন, সাংবাদিক সায়েরের পোস্ট

নিউজ ডেস্ক

১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৭

অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুইজন উপদেষ্টা সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দেশত্যাগ করতে পারেন বলে দাবি করেছেন কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান।

সকালে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কথা জানিয়েছেন। সায়েরের দাবি তিনি, উপদেষ্টাদের ঘনিষ্ঠ মহল থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হয়েছেন। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সাংবাদিক সায়ের তার পোস্টে নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে জানিয়েছেন, ওই দুই উপদেষ্টার মধ্যে একজন আজ দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের চায়না ইস্টার্নের ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় জন আজ সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে ওই দুই উপদেষ্টার নাম তিনি সরাসরি প্রকাশ করেননি। উপদেষ্টাদের এমন হুট করে দেশত্যাগের খবরের নেপথ্যে কী কারণ থাকতে পারে, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।

জুলকারনাইন সায়ের তার পোস্টে এই দেশত্যাগের প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বর্তমান প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে লিখেছেন, যথাযথ অডিট ক্লিয়ারেন্স এবং নিরাপত্তা ছাড়পত্র ছাড়া এই ব্যক্তিদের দেশ ত্যাগ করতে দেওয়া উচিত হবে না।

দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার স্বার্থে সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের বিদেশ যাত্রার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন। সাংবাদিক সায়ের দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার কর্মী হিসেবে কাজ করছেন এবং তার এমন পোস্টের পর বিমানবন্দর ও সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর অবস্থান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।

বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক রদবদলের মধ্যে এমন তথ্য সরকারের ভেতর ও বাইরে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন। যদিও এখন পর্যন্ত সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক সূত্র থেকে এই দুই উপদেষ্টার বিদেশ সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের এই দাবি যদি সত্য হয়, তবে তা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়া

হাসনাতকে মাথায় নয়, ঘাড়ে গুলি করার পরামর্শ : ভারতীয় সাবেক কর্ণেল

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহকে পরবর্তী টার্গেট হিসেবে উল্লেখ করে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকিসংক্রান্ত মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে ভারতের সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়নার বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে বাংলাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এক্সে দেওয়া ওই পোস্টে কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়না দাবি […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১:৩৯

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহকে পরবর্তী টার্গেট হিসেবে উল্লেখ করে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকিসংক্রান্ত মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে ভারতের সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়নার বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে বাংলাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এক্সে দেওয়া ওই পোস্টে কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়না দাবি করেন, ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির পরবর্তী টার্গেট হতে পারেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। পোস্টে তিনি কোথায় গুলি করা উচিত—সে সম্পর্কেও মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই বক্তব্যে বলা হয়, “মাথায় নয়, ঘাড়ে গুলি করতে হবে। প্রথমে তাকে নিশ্চুপ করতে হবে।” এমন মন্তব্যকে অনেকেই সরাসরি মৃত্যুহুমকি হিসেবে দেখছেন।

পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। বাংলাদেশের একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মিডিয়া হ্যান্ডলার দাবি করেন, এটি কোনো সাধারণ মতামত নয়; বরং আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য হত্যার হুমকি। কেউ কেউ ইনকিলাব মঞ্চের নেতা হাদির ওপর সাম্প্রতিক হামলার সঙ্গেও এই বক্তব্যের সম্ভাব্য যোগসূত্র থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে—একজন সাবেক ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকের এমন বক্তব্যের দায় ভারতীয় কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মহল এড়াতে পারে কি না। বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্ক ও নিরাপত্তা সংবেদনশীলতার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

এ বিষয়ে কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়নার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সরাসরি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অন্য একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি বিষয়টিকে তুচ্ছ আখ্যা দিয়ে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট নিয়ে অতিরিক্ত সংবেদনশীল হওয়ার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের প্রতি ভারতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে ‘বাড়াবাড়ি না করার’ পরামর্শ দেন, নতুবা উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন।

সোশ্যাল মিডিয়া

আমি দরকার হলে জামায়াতের সাথে কথা বলবো, যেন হাদির আসনে কোন প্রার্থী না দেয় : ইলিয়াস হোসেন

মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির সুস্থতা ও প্রত্যাবর্তনের কামনায় আবেগঘন মন্তব্য করেছেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জামায়াতের নেতাদের পায়েও ধরবেন, তবু হাদিকে ফিরে আসতেই হবে। ফেসবুক পোস্টে ইলিয়াস হোসেন জানান, ঢাকা–৮ আসনে সাদিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:৪১

মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির সুস্থতা ও প্রত্যাবর্তনের কামনায় আবেগঘন মন্তব্য করেছেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জামায়াতের নেতাদের পায়েও ধরবেন, তবু হাদিকে ফিরে আসতেই হবে।

ফেসবুক পোস্টে ইলিয়াস হোসেন জানান, ঢাকা–৮ আসনে সাদিক কায়েমের নাম প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসার পর ওসমান হাদি তাকে স্বাগত জানিয়ে একটি পোস্ট করেন। ওই পোস্টটি করার পর হাদি কেন জানি পোস্টের লিংক তাকে পাঠান। ইলিয়াসের ভাষ্য অনুযায়ী, এতে হয়তো হাদি বোঝাতে চেয়েছিলেন—সাদিক কায়েমের মতো শক্তিশালী প্রার্থীর বিপরীতে যেন জামায়াত কোনো প্রার্থী না দেয়।

ইলিয়াস হোসেন লেখেন, কোনো কিছু জিজ্ঞেস না করেই তিনি হাদিকে রিপ্লাই দিয়েছিলেন যে, তিনি জামায়াতের সঙ্গে কথা বলবেন, যাতে হাদির আসনে জামায়াত কোনো প্রার্থী না দেয়। ওই বার্তায় হাদি একটি লাভ রিঅ্যাক্ট দেন। ইলিয়াস জানান, ডিসেম্বরের ৬ তারিখে সেটিই ছিল তাদের শেষ যোগাযোগ।

পোস্টের শেষ অংশে ইলিয়াস হোসেন আবেগঘন ভাষায় লেখেন, “হাদি, ভাই আমার—আমি দরকার হলে জামায়াতের নেতাদের পায়ে ধরবো ভাই, তবে তোকে কিন্তু ফিরে আসতে হবে। প্লিজ ভাই, তুই আবার আগের মতো ফোন করবি, টেক্সট করবি, আবদার করবি, প্রোগ্রামের সূচি পাঠাবি—আমি আমার পেইজে শেয়ার দেবো ইনশাআল্লাহ।”

ইলিয়াস হোসেনের এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মন্তব্য করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া

ডিসি মাসুদের ফোনালাপ ভাইরাল,‘ এরা তো শিবির স্যার, আমাদের এখানে নতুন কিছু ফোর্স লাগবে,

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ছাত্র–জনতার ওপর লাঠিচার্জের আগমুহূর্তে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনালাপের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে শোনা যায়—তিনি বলছেন, “এরা তো শিবির স্যার, আমাদের এখানে নতুন কিছু ফোর্স লাগবে।” সোমবার (১৭ নভেম্বর) […]

ডিসি মাসুদের ফোনালাপ ভাইরাল,‘ এরা তো শিবির স্যার, আমাদের এখানে নতুন কিছু ফোর্স লাগবে,

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ নভেম্বর ২০২৫, ১৫:৪৫

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ছাত্র–জনতার ওপর লাঠিচার্জের আগমুহূর্তে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনালাপের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে শোনা যায়—তিনি বলছেন, “এরা তো শিবির স্যার, আমাদের এখানে নতুন কিছু ফোর্স লাগবে।”

সোমবার (১৭ নভেম্বর) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সামনে দুটি এক্সকাভেটর নিয়ে যেতে চাইলে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের বাধা দেয় সেনা ও পুলিশ। এরপর দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই সময়ই ঘটনাস্থলেই ডিসি মাসুদের ফোনালাপটি ধারণ করা হয় এবং মুহূর্তেই এটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

‘বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’ নামে একটি ফেসবুক পেজ ভিডিওটি পোস্ট করে লিখেছে—“কোনো আন্দোলন দমনের জন্য ‘শিবির ট্যাগ’ এখনো কার্যকর। গতকাল ফ্যাসিস্ট আমলের পাবনার ডিসি, বর্তমান রমনা ডিসি মাসুদ আন্দোলনকারীদের শিবির বলে আখ্যায়িত করে দমন অভিযানের অনুমোদন নিয়েছেন।” ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নেটিজেনদের বড় একটি অংশ তার সমালোচনায় সরব।

ডিসি মাসুদকে এ বিষয়ে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো কল রিসিভ করেননি।

এর আগে মাসুদ আলমকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় তার হাতে এক শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরার ছবি প্রকাশ পেয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। আবার ২০২৪ সালের কোটা ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় পাবনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানোর অনুমতি না দিয়ে উল্টো তাদের নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়ায় তিনি প্রশংসাও পেয়েছিলেন। ভাইরাল এক ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়—“যদি তোমাদের অ্যাটাক করার জন্য কেউ আসে, আগে আমাকে মারতে হবে।”

এর বাইরে রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলায় মাঠে দ্রুত উপস্থিত হওয়া এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখার কারণে তিনি বিভিন্ন সময় আলোচনায় এসেছেন। আবার কখনো মন্তব্য ঘিরে বিতর্কেও জড়িয়েছেন—যেমন সায়েন্সল্যাব মোড়ে কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের সময় তার মন্তব্য, “এই সংঘর্ষের কারণ আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারবে না।”

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। র‍্যাব-৬ ঝিনাইদহ ক্যাম্পে দায়িত্ব পালন শেষে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হন। পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর গত বছরের ৫ আগস্ট ডিএমপিতে বদলি হয়ে রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগ দেন। ভাইরাল সাম্প্রতিক ভিডিওটি তার সম্পর্কে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—আন্দোলনকারীদের শনাক্ত না করেই ‘শিবির’ আখ্যা দিয়ে দমন অভিযান চালানো কি পেশাদার পুলিশের আচরণ? এই প্রশ্নই এখন সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার প্রধান বিষয়।