জনগণ ব্যালটের অধিকার ফিরে পাবে বলে আশা করেছিলাম। কিন্তু জনগণের সাথে নির্মম তামাশা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, এই নির্বাচনের পর সারা দেশে পৈশাচিকতা হয়েছে। নারীদের নিপীড়ন, বাড়িঘর জ্বালানোর মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ ফেরানোর চেষ্টা চলছে।
কিন্তু জনগণ ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ করবে। যারা ফ্যাসিবাদের পথ তৈরি করবে তারাই সে পথে দিল্লিতে পালাবে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। সারা দেশে নির্বাচন-পরবর্তী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান লুটপাটের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ হয়।
মামুনুল হক বলেন, ‘বিতর্কিত নির্বাচনের পর এই প্রতিবাদ সমাবেশ। আমরা আশা করেছিলাম জনগণ ব্যালটের অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু জনগণের সাথে নির্মম তামাশা করা হয়েছে। সারাদিন শান্তিপূর্ণ ভোটের পর টার্গেটকৃত প্রার্থীদের সংসদে যাওয়া ঠেকাতে ডিপস্টেট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে।
বিক্ষোভ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ও পটুয়াখালী-২ আসনের নিবনির্বাচিত এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ,
এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা-১২ আসন থেকে নির্বাচিত ও জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, কর্নেল অলি আহমেদের ছেলে ও এলডিপি নেতা ওমর ফারুক, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান এবং জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।