ভোটের মাঠে বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ভোটের মাধ্যমে যে সংসদ গঠিত হবে, সেই সংসদই আগামী পাঁচ বছর দেশের আইন প্রণয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনার দিকনির্দেশনা দেবে। সংসদে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে, তারাই সরকার গঠন করবে।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন কোথায় হবে, কীভাবে হবে—সে সিদ্ধান্ত সরকারের হাতেই থাকে। কিন্তু সরকার যদি জনগণের পক্ষে না থাকে, তাহলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বর্তমান রাজনৈতিক হাওয়া স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন—ইনশাআল্লাহ।
এ সময় তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজ নির্বাচনী মাঠে নৌকা নেই, আছে দাঁড়িপাল্লা।
রাজনৈতিক দল থাকতেই পারে, এতে আপত্তি নেই। তবে প্রশ্ন হলো—১৯৭১ সালে যখন ত্রিশ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছেন এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি হয়েছে, তখন জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান কী ছিল?
তিনি আরও বলেন, সে সময় জামায়াত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছে এবং স্বাধীনতার পক্ষে ছিল না। তাই এমন দলের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া যায় না এবং তাদের সরকার গঠনের সুযোগও দেওয়া উচিত নয়।
শেষে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশকে রক্ষা করতে হলে, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা বজায় রাখতে হলে ভোট দিতে হবে ধানের শীষ প্রতীকে।