লীগ এক্টিভ হয়েছে। সাধারণ জনতার সঙ্গে মিশে তারা পরিস্থিতি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। শহিদ ওসমান হাদির হত্যার বিচারকে ভিন্ন দিকে নেওয়া এবং একই সঙ্গে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে বলে সতর্ক করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। এই পরিস্থিতিতে সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়। পোস্টে বলা হয়, বর্তমান অবস্থায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে এবং পরিকল্পিতভাবে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা চলছে।
এর আগে দেওয়া আরেক পোস্টে ইনকিলাব মঞ্চ স্পষ্ট করে জানায়,
‘নির্বাচন হতেই হবে। কোনোভাবেই নির্বাচন বানচাল করতে দেওয়া হবে না। নির্বাচন ১২ তারিখেই হবে।’ সংগঠনটি দাবি করে, নির্বাচন ও শহিদ হাদির হত্যার বিচার ইস্যুকে ঘিরে একটি মহল সচেতনভাবে অরাজকতা তৈরির পথে হাঁটছে।
এদিকে শহিদ উসমান হাদির হত্যার বিচার এবং জাতিসংঘের অধীনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার দিকে যাত্রা শুরু করলে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের বাধা দেয় পুলিশ। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় পুলিশ ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যেতে চাইলে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নামে পুলিশ একপর্যায়ে জলকামান ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে।
এই সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ সংগঠনটির একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের কয়েকজনকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।