সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

একটি পক্ষ আমাদের মা-বোনদের ভয় পাচ্ছে : নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেনছেন, কেউ যদি ভোট চুরি কিংবা জালিয়াতির চেষ্টা করে, তাহলে তার পরিণতি ফ্যাসিস্টদের মতো হবে। আসন্ন নির্বাচন হবে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন, সংস্কারের নির্বাচন, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে জনগণের রায়ের নির্বাচন। মা-বোনদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে রায়ের নির্বাচন। দেশকে আধিপত্যবাদী ও ফ্যাসিবাদি থেকে মুক্ত হওয়ার নির্বাচন। ইনসাফের পক্ষে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে […]

একটি পক্ষ আমাদের মা-বোনদের ভয় পাচ্ছে : নাহিদ ইসলাম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:৩৭

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেনছেন, কেউ যদি ভোট চুরি কিংবা জালিয়াতির চেষ্টা করে, তাহলে তার পরিণতি ফ্যাসিস্টদের মতো হবে।

আসন্ন নির্বাচন হবে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন, সংস্কারের নির্বাচন, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে জনগণের রায়ের নির্বাচন। মা-বোনদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে রায়ের নির্বাচন।

দেশকে আধিপত্যবাদী ও ফ্যাসিবাদি থেকে মুক্ত হওয়ার নির্বাচন। ইনসাফের পক্ষে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে আমরা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। দেশের মানুষ এখন নতুনদের সূযোগ দিতে চায়।

তিনি বলেন, একটি পক্ষ আমাদের মা-বোনদের ভয় পাচ্ছে। তাই তারা মা-বোনদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে। তারা ভয় পেয়ে শেরপুরে আমাদের এক ভাইকে হত্যা করেছে। যারা হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে চায়, তাদের রাজনীতি রুখে দিতে হবে। হত্যার রাজনীতি বন্ধ করতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন। তাদের রুখে দেওয়ার দিন ১২ ফেব্রুয়ারি।

শহিদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের এখনো ধরতে পারেনি সরকার। বিচারের দাবিতে তার পরিবার যমুনার সামনে অবস্থান করেছে। হত্যাকারীদের ধরতে না পারা অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম ব্যর্থতা।

ওসমান হাদির হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে এখনো দেশবাসী ও তার পরিবার রাজপথে রয়েছে। ওসমান হাদির নীতি, আদর্শ ও জুলাই অভ্যুত্থানের আদর্শে নির্বাচনে রায় আসবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আজাদি ও আধিপাত্যবাদ বিষয়ে এক বিন্দুও ছাড় দেব না।’

আপনারা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসবেন। আমাদের বিরুদ্ধে ভোট দিলেও আসবেন। ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। গোলামির বিরুদ্ধে রায় দিতে ভোটকেন্দ্রে যাবেন।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ দাবি প্রতিষ্ঠায় জালেমের বিরুদ্ধে রায় দেবেন। বর্তমান সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময়। আসন্ন সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে আধিপত্য দূর করতে পারব। দিল্লির তাঁবেদারি দূর করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো রক্তচক্ষুকে ভয় পাই না। একটি দলের নেতা বিদেশ থেকে এসে বলেছেন, আমার একটি প্ল্যান আছে। আমরা সাধুবাদ জানিয়েছিলাম। সম্প্রীতির রাজনীতি করতে চেয়েছিলাম। তাই বলেছিলাম শেয়ার করেন।

কিন্তু এখন দেখছি তিনি দেশের কোথায় চিনিকল আছে, কোথায় ইপিজেড আছে, কোথায় সয়াবিন চাষ হয়, কোথায় ভুট্টা চাষ বেশি হয়, তা তিনি কিছুই জানেন না। তিনি দেশ ও জনগণ সম্পর্কে জানেন না।

তিনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না। এমন কোনো প্ল্যান আমরা কাউকে বাস্তবায়ন করতে দেব না, যাতে দেশে আবার ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠা পাবে। দুর্নীতির রাজনীতি আবার ফিরে আসবে। দেশ পিছিয়ে যাবে এমন প্ল্যান বাস্তবায় হতে দেব না।’

এ জন্য সবাইকে তিনি প্রস্তুত হতে আহ্বান জানান। নাহিদ ইসলাম বলেন, আর কোনো দুর্বৃত্ত যেন দেশের রাজনীতিতে ফেরত না আসে। এ দেশের মানুষ আর কোনো বেঈমান প্রতারকের হাতে ক্ষমতা দিতে চায় না।

১১দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে দক্ষ লোকের অভাব হবে না। দেশের ও বিদেশের অভিজ্ঞ লোকদের সংযুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, ঢাকা ১৯ আসনে ১১দলীয় প্রার্থী দিলশানা পারুল দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে বিদেশ থেকে দেশবাসীর সেবা করার জন্য ফিরে এসেছেন। তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।

তিনি আজ শুক্রবার সাভারে ঢাকা-১৯ আসনে ১১দলীয় জোটের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী দিলশানা পারুলের শাপলা কলি প্রতীকের নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন। সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগে মাতৃবাগান মসজিদসংলগ্ন মাঠে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপি সাভার উপজেলা আহ্বায়ক জুলকারনাইন।

সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা-১৯ আসনে ১১দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির নেত্রী দিলশানা পারুল, জামায়াতের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও ঢাকা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আফজাল হোসেন, জেলা জামায়াতের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম, সাভার জেলা রাজনৈতিক সেক্রেটারি হাসান মাহবুব মাস্টার প্রমুখ।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫১

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫১

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫১