রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুইটা ভূত রয়েছে : মামুনুল হক

১৪৭, ময়মনসিংহ-২ ( তারাকান্দা-ফুলপুর ) আসনের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১০ দলীয় ঐক্য জোটের নির্বাচনীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১০ টায় তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের ঐতিহ্যেবাহী তালদিঘি বহুমুখী স্কুল মাঠে ১০ দলীয় ঐক্য জোটের নির্বাচনীয় রিকশা প্রতীকের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমিরে মজলিস মাওলানা মামুনুল হক। মাওলানা মামুনুল […]

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুইটা ভূত রয়েছে : মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪:৫৮

১৪৭, ময়মনসিংহ-২ ( তারাকান্দা-ফুলপুর ) আসনের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১০ দলীয় ঐক্য জোটের নির্বাচনীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১০ টায় তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের ঐতিহ্যেবাহী তালদিঘি বহুমুখী স্কুল মাঠে ১০ দলীয় ঐক্য জোটের নির্বাচনীয় রিকশা প্রতীকের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমিরে মজলিস মাওলানা মামুনুল হক।

মাওলানা মামুনুল হক জনসভায় বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুইটা ভূত রয়েছে। যেমন ১। সন্ত্রাস ও গুন্ডামী তন্ত্র ২। দুর্নীতি এবং লুটপাট তন্ত্র। ২৪-এর বিপ্লবের মাধ্যমে পুনর্বাসিত কিছু মানুষ আবারও নতুন করে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ নামক স্বৈরাতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে মারিয়া হয়ে উঠেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই 

দেখা গেল-ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরতন্ত্র ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে- রাজনীতির দুই ভূত কাঁধ থেকে নামাতে কেউ রাজি নয় লুটপাট, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি  আজও অব্যাহত।

তিনি আরও বলেন, বিপ্লবের মাধ্যমে স্বাধীনতা এলেও সেই বিপ্লবের সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে পৌঁছেনি। দিনমজুর, হকারসহ খেটে খাওয়া মানুষ আজও 

চাঁদাবাজি থেকে মুক্ত থাকতে পারছে না। গোটা দেশে শোষকের মুখ বদলালেও শোষণের ধরন একই রয়ে গেছে। শাসকের চেহারা বদলালেও শোষণের চরিত্র বদলায়নি। আবারও নতুন করে হেলমেট বাহিনী, হাতুড়ি বাহিনী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যা দেশের মানুষের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড় সালে ব্রিটিশ শাসন 

থেকে মুক্তি পেলেও মানুষের প্রকৃত মুক্তি আজও নিশ্চিত হয়নি। ১৯৭ সালে পাকিস্তানি শাসনের 

বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জনের পর মানুষ আশা 

করেছিল এবার তারা নিজেদের শাসন নিজেরাই 

প্রতিষ্ঠা করবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, স্বাধীনতার এত বছর পরও সাধারণ মানুষ শোষণ, দুর্নীতি ও বৈষম্যের 

শিকার হয়ে আছে আজও।

তিনি আরও বলেন, ইতিহাসের এই সংকটময় সময়ে দেশের ১১টি রাজনৈতিক দল হাত মিলিয়েছে। আমরা শপথ করেছি। বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম থেকে পিছপা হবো-না। এই ১১ দলীয় ঐক্য কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস 

তারাকান্দা উপজেলা 

শাখার সভাপতি এ এইচ এম আব্দুস সবুর খাঁনের 

সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন-

দলের কেন্দ্রীয় সংসদের ড. খলিলুর রহমান মাদানি,

কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাও. এনামুল হক 

(মূসা), কেন্দ্রীয় সহ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক 

নূর মুহাম্মদ আজিজি, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম,ছাত্র মজলিসের মাহদী হাসান শিকদার, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত,

ময়মনসিংহ-২ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার হোসেন (সুজন), খেলফত মজলিসের মাও. মতিউর রহমান, এনসিপি’র ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শহীদুল ইসলাম,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তারাকান্দা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন খাঁন, জামায়াতে ইসলামী ফুলপুর শাখার সভাপতি আব্দুল হান্নান সাহেব, সাধারণ সম্পাদক মাও. সাইফুল ইসলাম মাস্টার, খেলাফত মজলিস তারাকান্দা উপজেলা শাখার সভাপতি মাও. সাইফুদ্দিন সাহেব,যুব মজলিসের তারাকান্দা উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ জহিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আতাহার আলী, ফুলপুর উপজেলা শাখা সভাপতি আজিম উদ্দিন শাহ, সাধারণ সম্পাদক মাও. আনিছুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় ও ১০ দলীয় ঐক্য জোটে বিভিন্ন পর্যয়ের নেতৃবৃন্দ।

সভা শেষে মামুনুল হক প্রার্থী মুফতি মুহাম্মদুল্লাহর হাতে

রিক্সা প্রতীক তুলে দিয়ে রিকশা মার্কা ভোট চেয়ে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী করে সংসদে পাঠানোর আহ্বান জানান দেশবাসীসহ ভোটারদের কাছে। নির্বাচনে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে সন্ত্রাস ও দুর্নীতিকে বিদায় করা হবে। সেই সাথে তালদিঘির সারা মাঠে রিকশা রিকশা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে জনতার উচ্চ আওয়াজে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২৬

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২৬