শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জিয়া নন, স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক ড. অলি আহমদ: ডা. শফিকুর রহমান

জিয়াউর রহমান নন, একাত্তরে চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা দিয়েছিলেন এলডিপি চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম। এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম […]

জিয়া নন, স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক ড. অলি আহমদ: ডা. শফিকুর রহমান

জিয়া নন, স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক ড. অলি আহমদ: ডা. শফিকুর রহমান

নিউজ ডেস্ক

০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০৫

জিয়াউর রহমান নন, একাত্তরে চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা দিয়েছিলেন এলডিপি চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম। এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের সংগ্রামী ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে এখান থেকেই স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা উচ্চারিত হয়েছিল। চট্টলাবাসীর এক গর্বিত সন্তান ড. কর্নেল অলি আহমদ সবার আগে ‘উই রিভল্ট’ বলে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। তিনি জিয়াউর রহমানকে হাতে ধরে সামনে এগিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি (কর্নেল অলি) আজকে আক্ষেপ করে বলেন, আমি লড়াই করেছি রণাঙ্গনে। জাতীয়তাবাদী দল গঠনে আমি ছিলাম জিয়াউর রহমানের পরে দ্বিতীয় ব্যক্তি। কর্নেল অলি এখন বলেন, আমি এখন বিএনপিতে নেই। আমি থাকতে পারি না। কারণ এটি জিয়াউর রহমান সাহেবের বিএনপি নয়। এটি বেগম জিয়ারও বিএনপি নয়।

জামায়াত আমির বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আমাদের ওপর তাণ্ডব শুরু হয়েছিল। জিরো পয়েন্টে প্রকাশ্য দিবালোকে আমাদের ছয় জন ভাইকে খুন করা হয়েছিল। খুনের রাজনীতির এখানেই সূচনা। পেছনের দরজা দিয়ে এসে এরপর আওয়ামী লীগ যা করেছে তার সাক্ষী বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ। তারা তাদের পাওনার একাংশ এখন পেয়ে গেছে। বাংলাদেশ এখন মুক্ত হয়েছে। আপনারা কি চান যে বাংলাদেশ পুরোপুরি মুক্তি পাক? এই দেশ স্বাধীন, সার্বভৌম দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াক। যদি তাই চান তাহলে ফ্যাসিবাদের খাসলতের এদেরকে চিরতরে লাল কার্ড দেখাতে হবে।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর যে বার্তা দিয়েছিল, আজকে একটি দলও সেই একই বার্তা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, সেই দলের নেতাদের বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারা সাম্যের পথে মানুষকে সম্মান ও ভালোবাসার পথে তারা আসছেন না। এখন তারা লেগেছেন আমাদের পেছনে। আমাদের মা-বোনদের পেছনে। তারা মা-বোনদের গায়ে হাত দেয়। হুমকি দেয় কাপড় খুলে ফেলবে। তোমার যদি পারিবারিক শিক্ষা না থাকে তাহলে তুমি মানুষ নও। এরা চার পেয়ে জন্তুর মতো, কিংবা তার চেয়ে নিকৃষ্ট। আমি যখন এর প্রতিবাদ করি তখন আমার আইডি হ্যাক করে আমার নামে জঘন্য একটা বিষয় চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। জামায়াত আমির বলেন, ইতিমধ্যে আবিষ্কার হয়ে গেছে কারা করেছে।

সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ শেষে বৃহত্তর চট্টগ্রামের ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন ডা. শফিকুর রহমান।

‘একটি দল বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে’: সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, বিকালে সীতাকুণ্ড পৌরসদরের ডেবারপাড় মাঠে চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী আলাউদ্দিন সিকদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত জনসভায় জামায়াত প্রধান বলেন, আজকে একটি দল বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। কিন্তু তাদের কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র সফল হবে না। দেশের মানুষ চাঁদাবাজমুক্ত, দখলবাজমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং সুশাসনের বাংলাদেশ দেখতে চায়। আমরা নির্বাচিত হলে দুর্নীতি করব না, দুর্নীতি কাউকে করতে দেব না। চাঁদা দেব না, চাঁদাবাজি কাউকে করতে দেব না। একটি দল তাদের জনসমর্থন তলানিতে দেখে এখন তারা মায়ের জাতকে হেনস্তা করতে শুরু করেছে। এবার তারা কালো টাকা দিয়ে ভোট কিনতে এলে তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেবেন। জনসভায় দল ও ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আনোয়ার ছিদ্দিক চৌধুরীর, ডা. এ টি এম রেজাউল করিম, অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান, শাহাজান মঞ্জু, মাওলানা নাসির উদ্দিন মনির প্রমুখ।

হেভিওয়েটরা আমাদের প্রার্থীকে ভয় দেখাচ্ছে

কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ২০১৮ বা ২০২৪-এর নির্বাচন নয়। এ নির্বাচন ফ্যাসিবাদকে লাল কার্ড দেখানোর নির্বাচন। জুলাই যোদ্ধাদের প্রত্যাশা পূরণের নির্বাচন। ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে, সবখানেই ইনসাফ কায়েম করা হবে। সবকিছু ক্ষমা করা হলেও জুলাই হত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে। গতকাল সোমবার কক্সবাজার পৌর শহরের বাহারছড়াস্থ মুক্তিযোদ্ধা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা জামায়াত আমির অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারির সভাপতিত্বে বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ‘কক্সবাজারের অনেক আসনে নাকি হেভিওয়েট প্রার্থী আছে। তারা আমাদের প্রার্থীকে ভয় দেখাচ্ছে। আমাদের দাঁড়িপাল্লায় রায় দিয়ে তাদের ওয়েট মাপবে জনগণ।’ তিনি বলেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন বাংলাদেশ পাবে দেশবাসী। আমরা সরকার গঠনের সুযোগ পেলে নারীদের মাস্টার্স পর্যন্ত ফ্রি পড়ালেখার সুব্যবস্থা করা হবে। ইনসাফের মাধ্যমে ন্যায় প্রতিষ্ঠাই হবে আমাদের মূল কাজ।’

ডা. শফিক বলেন, ‘নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে কথা বলায় গোপনে আমার পেছনে লাগা হয়েছে। পেছনের লোকেরা পেছনে পড়ে থাকবে, আমরা ক্ষমতায় গেলে নারীদের মাথার ওপর করে রাখা হবে।’ তিনি বলেন, জুলাইযোদ্ধাদের দাবি ছিল কাজ, বেকার ভাতা নয়। শিক্ষিত যুবকদের হাতে কাজ তুলে দিয়ে বলব—এবার এগিয়ে যাও। কক্সবাজার কেন সিংগাপুর ও সাংহাই হতে পারল না—এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, কক্সবাজারের চারটি আসন ১১ দলকে তুলে দিলে একটি সুশৃঙ্খল পর্যটন জেলা উপহার দেওয়া হবে।

সকাল ১০টায় শুরু হয় সমাবেশে কার্যক্রম। সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা দলে দলে সমাবেশস্থলে জড়ো হন। দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান, জেলা সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, কক্সবাজার-৩ আসনের প্রার্থী শহিদুল আলম বাহাদুর, কক্সবাজার-১ আসনের প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক ও কক্সবাজার-৪ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারি। জামায়াত আমির গতকাল কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাঁচটি জনসভায় বক্তব্য রাখেন। আগামীকাল বুধবার তার টাঙ্গাইলে যাওয়ার কথা রয়েছে।

‘শাসক নয়, সেবক হতে চাই’: লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, গতকাল চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় জামায়াত আমির বলেন, দেশের জনগণ জামায়াতকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিলে শাসক নয়, সেবক হব।

দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্ব জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনম শামশুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১২ আসনের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান, বান্দরবান আসনের প্রার্থী আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ইমরান ইসলামাবাদি, ডাকসুর জিএস এসএম ফরহাদ প্রমুখ। পরে জামায়াত আমির জোটের দাঁড়িপাল্লা, শাপলাকলি ও ছাতা প্রতীক প্রার্থীদের হাতে তুলে দেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২১

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২১

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২১

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৭