বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হ্যাঁ ভোটের ডাকে সরকারে স্বস্তি

নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকে গণভোট ইস্যুতে অনেকটা নীরব ছিল বিএনপি। অন্যান্য দলের পাশাপাশি জুলাই সনদে সই করলেও গণভোটে দলটির অবস্থান ভোটের প্রচারে পরিষ্কার করে বলা হচ্ছিল না। গণভোট ইস্যুতে বিএনপির এই আপাত-নীরবতা ঘিরে নানা মহলে প্রশ্ন ছিল। দলটির এই অবস্থানকে একপর্যায়ে ভোটের মাঠে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। এই বাস্তবতার মুখে অবশেষে […]

নিউজ ডেস্ক

০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৪

নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকে গণভোট ইস্যুতে অনেকটা নীরব ছিল বিএনপি। অন্যান্য দলের পাশাপাশি জুলাই সনদে সই করলেও গণভোটে দলটির অবস্থান ভোটের প্রচারে পরিষ্কার করে বলা হচ্ছিল না। গণভোট ইস্যুতে বিএনপির এই আপাত-নীরবতা ঘিরে নানা মহলে প্রশ্ন ছিল।

দলটির এই অবস্থানকে একপর্যায়ে ভোটের মাঠে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। এই বাস্তবতার মুখে অবশেষে বিষয়টিতে আনুষ্ঠানিকভাবে নীরবতা ভাঙল বিএনপি। বিএনপি অবস্থান স্পষ্ট করায় দৃশ্যত সরকারের মধ্যেও স্বস্তি এসেছে।

এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারের শুরুতে রাজনৈতিক দলগুলো গণভোটের ব্যাপারে তাদের অবস্থান তুলে ধরবে, এমনটাই কথা ছিল। কিন্তু দেখা গেল, বিশেষত বিএনপি ও জামায়াতকে দলীয় মনোনয়ন ও আসন সমঝোতা নিয়ে বেশি সময় দিতে হয়েছে। এই প্রক্রিয়া শেষে দলগুলো প্রচার শুরু করেছে। জামায়াতে ইসলামী এবং অন্যান্য দল আগে থেকে (গণভোটের প্রচার) করছিল। বিএনপির প্রচারণায়ও আমরা দেখলাম যে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুব সুস্পষ্টভাবে বলেছেন হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য।’

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, গণভোটের প্রশ্নে বিএনপির নীরবতা ভালোভাবে নিচ্ছিল না জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী অন্য রাজনৈতিক দলগুলো। হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জোরেশোরে প্রচার চালানো অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যেও এ নিয়ে একধরনের অস্বস্তি ছিল।

গত শুক্রবার রাতে রংপুরের নির্বাচনী জনসভায় স্পষ্ট ভাষায় গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রংপুরের আবু সাঈদ, চট্টগ্রামের ওয়াসিমসহ হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘তাঁদের জীবন উৎসর্গকে মূল্যায়ন করতে হলে আমরা যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছি, সেই জুলাই সনদকেও আমাদের সম্মান করতে হবে।

সে জন্যই আপনাদের সকলকে অনুরোধ করব যে ধানের শীষে যেমন সিলটা দেবেন ১২ তারিখে, একই সঙ্গে আপনাদের যে দ্বিতীয় ব্যালট পেপারটি দেবে “হ্যাঁ” এবং “না”, সেখানে হ্যাঁ-এর পক্ষে দয়া করে আপনারা রায় দেবেন।’

গণভোটে হ্যাঁ রায়ের পক্ষে বিএনপির চেয়ারম্যানের দ্ব্যর্থহীন এই বক্তব্যের পর হঠাৎ করে এই অবস্থান নেওয়ার কারণ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারের প্রথম সপ্তাহ কেটে যাওয়ার পর হ্যাঁ-এর পক্ষে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরাকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকেরা।

তাঁরা বলছেন, ৫ আগস্টের আলোড়ন তোলা রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আগামী নির্বাচনে জুলাই ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনে ভোটারদের বড় অংশ তরুণ। তাঁদের অনেকে জীবনে প্রথম ভোট দিতে যাচ্ছেন। তাই ভোটের হিসাবসহ কৌশলগত বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে কিছুটা সময় নিয়ে হলেও বিএনপি বিষয়টি স্পষ্ট করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আয়নুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এ বিষয়ে বলেন, ‘বিষয়টা তো রাজনৈতিক। তাই সময় নিয়েছে বিষয়টা পরিষ্কার করতে। বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। নিজেদের রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে তারা এটা স্পষ্ট করেছে…যেহেতু একটা কথা উঠেছে যে বিএনপি কেন তাদের অবস্থান পরিষ্কার করছে না। প্রতিপক্ষও যখন বারবার বিষয়টি সামনে আনছে, তখন দলের চেয়ারম্যান জনগণের সামনে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন।’

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, গণভোটের প্রশ্নে বিএনপির নীরবতা ভালোভাবে নিচ্ছিল না জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী অন্য রাজনৈতিক দলগুলো। হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জোরেশোরে প্রচার চালানো অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যেও এ নিয়ে একধরনের অস্বস্তি ছিল।

বিএনপির কর্মী-সমর্থকসহ জনমনেও এ নিয়ে সংশয় বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিল। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই প্রতিপক্ষ বেশি করে এই নীরবতাকে বিএনপির বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছিল। নির্বাচনী সভা, প্রচারপত্র থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই ‘বিএনপি গণভোট নিয়ে দ্বিচারিতা করছে’—এমন বয়ান ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল।

এতে নির্বাচনে দলটির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয় নীতিনির্ধারকদের মধ্যে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনজনিত একটি উদ্বেগও ছিল তাঁদের। সব মিলিয়ে গণভোট ইস্যুতে স্পষ্ট অবস্থান না নিলে রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি—এমন মূল্যায়নে পৌঁছায় বিএনপি। তাই শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান।

গণভোট নিয়ে বিএনপির জনসমক্ষে অবস্থান পরিষ্কার করার ঘোষণা আসার পেছনে অন্তর্বর্তী সরকারেরও চেষ্টা ছিল বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। সূত্রটি বলছে, উত্তরবঙ্গ সফরের আগে গণভোটের বিষয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন সরকারের উচ্চপর্যায়ের দুজন ব্যক্তি।

বৈঠকে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’—কোনটি জয়ী হলে কী হতে পারে, তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন তারেক রহমানের কাছে। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন নেতাও চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বসেন। এর পরেই ঠিক হয়, উত্তরাঞ্চল সফরকালে রাজশাহীর জনসভায় বিএনপির পক্ষ থেকে হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট চাইবেন তারেক রহমান। তবে পরে রংপুরের জনসভায় এ ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু অবশ্য হ্যাঁ-এর পক্ষ নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগে থেকেই ছিল বলে দাবি করেছেন। গতকাল শনিবার আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘শুরু থেকে বিএনপির অবস্থান জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে।

বিএনপি আগে থেকেই হ্যাঁ-এর পক্ষে ছিল, যদিও তা সেভাবে প্রচারে আসেনি। দলীয় প্রধান নিজে কোনো বিষয়ে কথা বললে সেটা বেশি হাইলাইট হয়। অন্যান্য নেতা যখন বলেন, সেটা ওইভাবে হয় না। এ ক্ষেত্রে তাই-ই হয়েছে।’

বিষয়টি নিয়ে প্রতিপক্ষের প্রচারণা ও সমালোচনা প্রসঙ্গে দুদু বলেন, ‘ফলভরা গাছে ঢিল পড়ে বেশি। বিএনপি ফলভরা গাছ। অন্য দলগুলোকে ফলভরা গাছ বলা যাবে না। সে কারণে বিএনপিকে বেশি ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং বেশি সহ্য করতে হবে। গণতন্ত্রের প্রধান শক্তি হচ্ছে বিএনপি। সহনশীলতার সঙ্গেই বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে।’

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানও কয়েক দিন আগে বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ ভোটের বিষয়ে আমরা তো অঙ্গীকারবদ্ধ।’

বিএনপির নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা একাধিক ব্যক্তি তখন বলেছিলেন, গণভোটের প্রচার নিয়ে দলের পক্ষ থেকে তেমন সরাসরি নির্দেশনা নেই। এখন দলীয় মার্কার পক্ষেই প্রচারকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে গণভোট নিয়ে প্রচার করলে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে করা হবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৯