বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আপনারা এক সময় মজলুম ছিলেন! এখন আপনারা জালেম হওয়ার চেষ্টা করবেন না: ডা. শফিকুর রহমান

‘দেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদ কায়েমের চেষ্টা চলছে। কিন্তু জুলাই যোদ্ধারা তা বাস্তবায়ন হতে দেবে না। আপনারা এক সময় মজলুম ছিলেন। এখন আপনারা জালেম হওয়ার চেষ্টা করবেন না। মানুষের অধিকার হরণের চেষ্টা করবেন না। রাজার ছেলে রাজা হবে এই প্রথায় বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করেছে। আগামীতে অপরাধ করলে প্রধানমন্ত্রী-প্রেসিডেন্টও ছাড় পাবে না। অপরাধ করে কেউ দায় মুক্তি পাবে না।’

নিউজ ডেস্ক

৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৪

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন,

‘দেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদ কায়েমের চেষ্টা চলছে। কিন্তু জুলাই যোদ্ধারা তা বাস্তবায়ন হতে দেবে না। আপনারা এক সময় মজলুম ছিলেন। এখন আপনারা জালেম হওয়ার চেষ্টা করবেন না। মানুষের অধিকার হরণের চেষ্টা করবেন না। রাজার ছেলে রাজা হবে এই প্রথায় বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করেছে। আগামীতে অপরাধ করলে প্রধানমন্ত্রী-প্রেসিডেন্টও ছাড় পাবে না। অপরাধ করে কেউ দায় মুক্তি পাবে না।’

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল ময়দানে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আগের একটি সরকার দেশ এবং জাতির ওপরে প্রতিশোধের রাজনীতি করেছে। আমরা প্রতিশোধের রাজনীতি করবো না। আমরা প্রতিশোধের রাজনীতিকে হারাম মনে করি। রাজনীতি হবে নীতির রাজ। ওই নীতি দিয়েই দেশ পরিচালনা করব। যে যায় লংকায় সেই হয় রাবণ। কিন্তু আমরা কথা দিয়ে কথা রাখবো।’

আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে নিজ দলের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন,

‘সবচাইতে মজলুম দলের নাম হচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আর কোন দলের এক থেকে ধরে ১১ পর্যন্ত খুন করা হয় নাই। আর কোন দলের অফিস তালা দেওয়া হয় নাই, কোন দলের নিবন্ধন কেড়ে নেওয়া হয় নাই। আর কোন দলকে নিষিদ্ধ করা হয় নাই। আর কোন দলের নেতার বাড়ি ভেঙ্গে দেওয়া হয় নাই। একমাত্র জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে তা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি গুমের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। শহীদদের রক্ত এবং যুবসমাজের তাজা রক্তে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের বিদায় হয়েছে।’

ক্ষমতায় গেলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন,

‘আমরা কথা দিচ্ছি কারও ওপর প্রতিশোধ নেব না। কেউ অপরাধ করলে আইন তার বিচার করবে। আমরা আইন হাতে তুলে নেব না। আমরা বলে যাচ্ছি একজন নাগরিকও যেন কোন মামলায় হয়রানির শিকার না হয়। আমরা বিশ্বাস করি কেউ আমাদের ওপর জুলুম করে থাকলে আখেরাতের ময়দানে এর বিচার পাবো।’

জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন,

‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামীর রাষ্ট্র গঠন করলে সমাজ থেকে চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, লুটতরাজ বন্ধ করা হবে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা, ফ্যাসিবাদী নীতি কায়েম করে দেশের জনগণের অধীকার হরণ করার নীতি সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে। রাষ্ট্র চলবে নাগরিক ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, কোন দল মত, বর্ণ বিবেচনায় কাউকে অধিক সুবিধা দেওয়া হবে না।’

তিনি আরও বলেন,

‘আমরা মামলা বাণিজ্য করিনি, চাঁদাবাজি করিনি, আমরা নির্যাতন সহ্য করেছি। আমরা সমাজে ইনসাফ কায়েম করব, একজন শ্রমিক ও রিক্সাচালক অন্যায় করলে যেমন শাস্তি হবে তেমনি একজন উচ্চবিত্ত নাগরিকের ক্ষেত্রেও সেই বিধান মানতে হবে। দরকার হয় ব্যক্তিগত ছোটখাটো ভুল ক্ষমা করা হবে, কিন্তু দেশকে নিয়ে কোন অন্যায় কাজ করা হলে তাকে ক্ষমা করা হবে না। আমরা আর কোন পরিবারতন্ত্র রাজনীতি চাই না। একজন কৃষকের ছেলেও যেন প্রধানমন্ত্রী হতে পারে আমরা সেই রকম সরকার ব্যবস্থা চাই।’

গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

‘আপনারা দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলেই দায়িত্ব শেষ হবে না। এই দেশকে বাঁচাতে, দেশের বিজয়কে টিকিয়ে রাখতে সবাই গণভোটে হ্যা ভোট দিবেন। হ্যা মানে আজাদী, না মানে গোলামী। আমরা আর গোলামী থাকতে চাই না। আমরা আজাদি হয়ে এই দেশকে, দেশের মানুষকে নিয়ে স্বাধীনভাবে বাঁচতে চাই।’

তিনি বলেন,

‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর আমরা প্রত্যেকটা শহীদ পরিবারের কাছে গিয়ে হাজির হয়েছি। আমরা বলেছি আজ থেকে আমরাও আপনাদের পরিবারের সদস্য। গণঅভ্যুত্থানে দেশের বহু নিরপরাধ মানুষ প্রাণ দিয়েছে। তাদের রক্তের বিনিময়ে আজকে আমরা কথা বলতে পারছি। ইনশাআল্লাহ আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নতুন সুর্য উদয় হবে।’

প্রশাসন ও গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,

আপনারা কোন দলের আনুকূল্য করবেন না। দেশের মানুষের পক্ষে থাকুন। আপনারা জাতির চোখ, দর্পণ, আয়না। মিডিয়া জাতির বিবেক। আপনারা অন্যায়কে সমর্থন করবেন না। আমরা চাই আপনারা ন্যায়ের পক্ষে থাকেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে থাকেন। কল্যাণের পথে থাকেন।

তিনি বলেন, জামায়াত সরকার গঠন করলে সরকারি খরচে মেয়েরা মাস্টার্স পর্যন্ত লেখাপড়া করবে।

কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কুমিল্লা নামেই বিভাগ হবে। যেহেতু ঘোষণা দিয়েছি এটা পবিত্র দায়িত্ব। অন্য কেউ যদি সরকার গঠনও করে এটা আমরা করাতে বাধ্য করব। কুমিল্লা বিমানবন্দর চালুর দাবিও তিনি তুলে ধরেন এবং বলেন, কুমিল্লার সবকটি দাবি যুক্তিসঙ্গত। আমরা কথা দিচ্ছি কোন এলাকাকে অযৌক্তিক কারণে বঞ্চিত করব না।

বক্তব্য শেষে তিনি কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন। সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারি সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুম, এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর শাহজাহান, ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম প্রমুখ।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৫

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৫

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২