শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

এই দেশ আমার প্রথম ঠিকানা, এই দেশে আমার শেষ ঠিকানা : তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, গত ১৫ বছর ধরে জনগণের ভোটাধিকার জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এখন যখন আবার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথচলা শুরু হয়েছে, তখন একটি মহল নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তিনি ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোট দেওয়ার অধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যেন কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আবারও হরণ না হয়—সে বিষয়ে সবাইকে […]

এই দেশ আমার প্রথম ঠিকানা, এই দেশে আমার শেষ ঠিকানা : তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০০

বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, গত ১৫ বছর ধরে জনগণের ভোটাধিকার জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এখন যখন আবার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথচলা শুরু হয়েছে, তখন একটি মহল নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তিনি ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোট দেওয়ার অধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যেন কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আবারও হরণ না হয়—সে বিষয়ে সবাইকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে।

শনিবার সন্ধ্যায় ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত এই সমাবেশে ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীরা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে ফেনীসহ আশপাশের জেলা থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বাস জনসভাস্থলে পৌঁছায়। মাগরিবের নামাজ আদায়ের পর তিনি মঞ্চে ওঠেন। প্রায় দুই দশক পর ফেনীতে কোনো রাজনৈতিক সমাবেশে অংশ নিয়ে টানা প্রায় ২৫ মিনিট বক্তব্য দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, “বিএনপি সরকার গঠন করলে দেশের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধানে কাজ শুরু করবে। আমাদের একটাই লক্ষ্য—দেশ গড়া। আমরা যদি এই দেশ গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাবে। এই দেশই আমার, আপনার, আমাদের সবার শেষ ঠিকানা। এই দেশেই আমাদের জন্ম, এই দেশেই আমাদের মৃত্যু। এই দেশই আমাদের প্রথম ঠিকানা, এই দেশই আমাদের শেষ ঠিকানা। তাই দেশ গড়তে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একযোগে কাজ করতে হবে।”

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফেনী-৩ আসনের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-২ আসনের প্রার্থী জয়নুল আবেদিন ফারুক, ফেনী-২ আসনের প্রার্থী জয়নাল আবেদিন (ভিপি জয়নাল), নোয়াখালী-১ আসনের প্রার্থী মাহবুব উদ্দিন খোকন, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ফেনী-১ আসনের প্রার্থী মুন্সী রফিকুল আলম (মজনু)সহ দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর বড় সন্তান তারেক রহমান ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “ভোটের দিন যারা তাহাজ্জুদ পড়েন না, তারাও তাহাজ্জুদের সময় ঘুম থেকে উঠবেন। যারা পড়েন, তারা নামাজ শেষ করে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে যাবেন। ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করে সকাল সাতটার পর ভোটের লাইনে দাঁড়াবেন। ভোট দিয়ে হিসাব বুঝে না নেওয়া পর্যন্ত কেউ ঘরে ফিরবেন না। আগামী দিনের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে দেশের মানুষের সঠিক সিদ্ধান্তের ওপর।”

ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের ভোটারদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, “এই তিন জেলায় ধানের শীষ বিজয়ী হলে সেটি হবে খালেদা জিয়ার বিজয়।” ফেনীবাসীর দাবির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পাশাপাশি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা হবে। গ্রাম পর্যায়ে চিকিৎসক পাঠিয়ে মা-বোনদের ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

ফেনীর সঙ্গে নিজের পারিবারিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “ফেনী আমার নানার বাড়ি। এখানে চট্টগ্রামের মতো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই। ফেনীতে ইপিজেড স্থাপন, তরুণদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে চাই। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশের ভাগ্য বদলে যাবে।”

বক্তব্য শেষে তিনি ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের বিএনপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “এঁরা নির্বাচিত হলে আপনাদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন। এলাকার সমস্যা নিয়ে সরাসরি তাঁদের কাছে যাবেন এবং সমাধানের দাবি জানাবেন।”

জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বক্তব্য শেষ করে তারেক রহমান কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দেন। এর আগে দুপুরে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে জনসভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। সমাবেশ মঞ্চের পাশে গুমের শিকার পরিবার, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত জুলাই যোদ্ধারাও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সিলেটে জনসভার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করেন তারেক রহমান। পরদিন ঢাকায় সমাবেশ শেষে শনিবার চট্টগ্রাম হয়ে ফেনীতে জনসভায় অংশ নেন তিনি। এরপর কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক জনসভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে তার।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০