শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শাকসু নির্বাচন স্থগিতের পেছনে এক ‘লিডারের’ হাত, রয়েছে : সাদিক কায়েম

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (শাকসু) নির্বাচন স্থগিত হওয়ার পর এর পেছনে এক ‘লিডারের’ হাত রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাধা দেওয়া হলে জাতীয় নির্বাচনেও এর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন সংগঠনটির নেতারা। শাকসু নির্বাচন স্থগিতে হাইকোর্টের আদেশের পর ‘শাকসু নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে আজ সোমবার বিকেলে […]

নিউজ ডেস্ক

২০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:২৮

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (শাকসু) নির্বাচন স্থগিত হওয়ার পর এর পেছনে এক ‘লিডারের’ হাত রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাধা দেওয়া হলে জাতীয় নির্বাচনেও এর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন সংগঠনটির নেতারা।

শাকসু নির্বাচন স্থগিতে হাইকোর্টের আদেশের পর ‘শাকসু নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে আজ সোমবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগর শাখা। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

এর আগে এদিন দুপুরে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির এক সংবাদ সম্মেলনে শাকসু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে ছাত্রদল ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ তোলা হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর ঢাকা মহানগর ছাত্রশিবিরের মিছিল শেষে সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আবু সাদিক কায়েম এর নেপথ্যে এক ‘লিডার’–এর কথা তোলেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের “লিডার” নামে খ্যাত যিনি, আমরা শুনতে পেয়েছি, তাঁর নির্দেশে এই নির্বাচনকে (শাকসু) স্থগিত করার জন্য অপপ্রয়াস শুরু হয়েছে।’ ছাত্র সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত না করতেও ‘লিডার’–এর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সাদিক কায়েম ‘লিডার’–এর নাম বলেননি। তবে তাঁর বক্তব্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকে ইঙ্গিত করে। ১৭ বছর নির্বাসন শেষে তারেক রহমান গত ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সময় তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে বিএনপির পোস্টার–বিলবোর্ডে তাঁকে ‘লিডার’ সম্বোধন করা হয়। ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরাও তারেক রহমানকে ‘আমাদের লিডার’ সম্বোধন করছেন।

‘লিডার’–এর উদ্দেশে সাদিক কায়েম বলেন, ‘আমরা আপনাকে সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি। বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে আপনি জুলুমের শিকার হয়েছেন। কিন্তু আপনি জালেম হয়ে উঠবেন না।’

শাকসু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করা হলে জাতীয় নির্বাচনে তার পরিণতি ভালো হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন ডাকসু ভিপি। তিনি বলেন, ‘এবারের যে জাতীয় নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ আপনাদের পরিণতি দেখিয়ে দেবে। আমরা চাই না আপনাদের বনাম ছাত্রসমাজ—এ ধরনের একটা সাংঘর্ষিক অবস্থান তৈরি হোক।’

২৮ বছর পর আগামীকাল মঙ্গলবার শাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণের কথা ছিল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির মধ্যে এই ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন অনুমতি দেওয়ায় ক্ষোভ জানিয়ে আসছিল ছাত্রদল। এর প্রতিবাদে গতকাল ও আজ ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও করে তারা। তার মধ্যেই একটি রিট আবেদনে হাইকোর্টের আদেশে শাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন আটকে যায়।

আদালতের রায়ের বিষয়ে সাদিক কায়েম বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী সব সংগঠনের পক্ষ থেকে এই রায়কে প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

ছাত্রদলকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, নির্বাচনে একদল হারবে, একদল জিতবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে নির্বাচন কমিশনের সামনে দাঁড়িয়ে, মব তৈরি করে জুলাই বিপ্লব–পরবর্তী চার কোটি তরুণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নির্বাচন বন্ধ করে দেবে, সেটা ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না।

সমাবেশে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ বলেন, ‘আমরা সরকারকে বলতে চাই, শাকসু নিয়ে টালবাহানা বন্ধ করুন। যদি বন্ধ না করেন, আমরা আগামীকাল থেকে দেশব্যাপী লাগাতার কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। এমন কর্মসূচি দেব, দেশ চালাতে আপনাদের হিমশিম খেতে হবে।’

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর এজিএস ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মো. মহিউদ্দিন খান। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ।

এদিকে শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে আগামীকাল মঙ্গলবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানববন্ধন, বুধবার সব জেলা সদরে বিক্ষোভ এবং বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগরে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রশিবির।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৯

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৯

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২৩