মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

১৭০০ কোটি টাকা ঋণ, ফেরত দেওয়ার শর্তে মনোনয়ন! সব চেকই বাউন্স বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর

প্রায় এক হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি ঋণের দায়ে ১৩টি ব্যাংকের খেলাপি তালিকাভুক্ত হওয়ার পর নিজের মনোনয়ন বাতিল ঠেকাতে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। আদালত দুই মাসের জন্য তার খেলাপি পরিচয়ের ওপর স্থগিতাদেশ দিলেও শর্ত হিসেবে মোট ঋণের দুই শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৫০ কোটি টাকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:৪৬

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আসলাম চৌধুরী হাইকোর্টের দেওয়া শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তার নির্বাচনি মনোনয়ন ঘিরে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রায় এক হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি ঋণের দায়ে ১৩টি ব্যাংকের খেলাপি তালিকাভুক্ত হওয়ার পর নিজের মনোনয়ন বাতিল ঠেকাতে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। আদালত দুই মাসের জন্য তার খেলাপি পরিচয়ের ওপর স্থগিতাদেশ দিলেও শর্ত হিসেবে মোট ঋণের দুই শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৫০ কোটি টাকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

গত বছরের ১ ডিসেম্বর দেওয়া অন্তর্বর্তী আদেশ অনুযায়ী চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ওই অর্থ পরিশোধ করে ‘এফিডেভিট অব কমপ্লায়েন্স’ দাখিল করার কথা ছিল। তবে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মো. আসলাম চৌধুরী ১৩টি ব্যাংকে যে চেক জমা দেন, সেগুলোর কোনোটিই অনার হয়নি। অন্তত পাঁচটি ব্যাংকের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, জমা দেওয়া চেকগুলো বাউন্স হয়ে ফেরত এসেছে।

জনতা ব্যাংকের লালদীঘি শাখার ম্যানেজার সুব্রত দাশ এবং কক্সবাজার অগ্রণী ব্যাংক শাখার ম্যানেজার শাকওতুল আমিন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার পর্যন্ত পাওয়া চেকগুলো ডিসঅনার হয়েছে। এর মধ্যে শুধু অগ্রণী ব্যাংকেই বাউন্স হওয়া টাকার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকা। একইভাবে বেসিক ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক ও এবি ব্যাংকের চেকও বাউন্স হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব চেক জমা দেওয়া হয় গত ৩০ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি। সরকারি ছুটির কারণে রোববার ব্যাংক খোলার পর দেখা যায়, কোথাও পর্যাপ্ত ব্যালান্স নেই, আবার কোথাও কোনো টাকাই জমা ছিল না। এসব কারণে চেকগুলো ফেরত দেওয়া হয়। হাইকোর্টে করা রিটে আসলাম চৌধুরী দাবি করেছিলেন, তাকে জোরপূর্বক ‘ঋণখেলাপি’ বানানো হয়েছে এবং তিনি ইচ্ছাকৃত খেলাপি নন। সেই যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে আদালত সাময়িক সুরক্ষা দিলেও শর্ত পূরণ না হওয়ায় সেই সুরক্ষা এখন ঝুঁকিতে পড়েছে।

১ ডিসেম্বর দেওয়া রায়ে আদালত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছিলেন, আবেদনকারীদের নাম বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) রিপোর্টে ডিফল্টার হিসেবে অন্তর্ভুক্তি দুই মাসের জন্য স্থগিত থাকবে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৫০ কোটি টাকা পরিশোধ করে তার প্রমাণ হিসেবে হলফনামা দাখিল করতে হবে। সময়সীমার মধ্যে অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে আলাদা কোনো আদেশ ছাড়াই ওই স্থগিতাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

এই রিটের প্রধান আবেদনকারী ছিলেন রাইজিং গ্রুপের চেয়ারম্যান আসলাম চৌধুরী। তার সঙ্গে সেভেনবি অ্যাসোসিয়েটস, সোনালি স্টিল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, লার্ক পেট্রোলিয়াম কোম্পানি লিমিটেড, ফিশ প্রিজার্ভার্স লিমিটেড, কনসেপশন সি ফুডস লিমিটেড ও কনফিডেন্স এডিবল অয়েল লিমিটেডও আবেদনকারী হিসেবে যুক্ত ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আসলাম চৌধুরী স্বীকার করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ব্যবসায়িক দুরবস্থার কারণে কিছু পেমেন্ট আটকে গেছে, ফলে ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত ব্যালান্স ছিল না। তাই চেকগুলো অনার হয়নি, বিষয়টি ইচ্ছাকৃত নয়। তিনি দাবি করেন, বৃহস্পতিবারের মধ্যেই আদালতের শর্ত পূরণে প্রয়োজনীয় অর্থ পরিশোধের চেষ্টা চলছে।

অন্যদিকে বিভাগীয় কমিশনার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মো. জিয়াউদ্দীন জানান, গত ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ কার্যকর ছিল। সে কারণে তখন মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা ছাড়া তাদের কোনো বিকল্প ছিল না। তিনি বলেন, আদালতের আদেশ নির্বাচন কমিশনের জন্য বাধ্যতামূলক। এখন নতুন যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়। আদালত যে নির্দেশ দেবে, নির্বাচন কমিশন সেটিই বাস্তবায়ন করবে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা তার বিপুল ঋণের পরিমাণ নিয়ে। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী তার ও পরিবারের সদস্যদের হাতে নগদ সম্পদ রয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকা। বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে মাত্র ৪৮ লাখ টাকা, আর স্ত্রী ও কন্যার আয় মিলিয়ে ১৯ লাখ টাকার কিছু বেশি। তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৪৫৬ কোটি টাকা হলেও বিপরীতে তার ঋণের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৬৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৪৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৬৮

রাজনীতি

১১ দলীয় জোটেই যাচ্ছে জামায়াত, শিগগিরই ঘোষণা

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান। মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিছিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:০৬

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। জামায়াতের আমিরের এই জনসভা আরও বেশি ত্বরান্বিত করবে।

একটি দল শিরক করছে তারেক রহমানের এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম বলেননি৷ আর জামায়াতে ইসলাম কিভাবে পরিচালনা হয়, দেশের মানুষ তা জানেন।

এসময় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, জামায়াত মনোনীত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী-দেলাওয়ার হোসেনসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৬৮