আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তাঁর আশঙ্কা, বর্তমান পরিস্থিতিতে অতীতের মতো আরেকটি ‘পাতানো নির্বাচন’ আয়োজনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা দেশকে নতুন করে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিতে পারে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীতে জামায়াতে আমিরের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়েছে এবং প্রশাসন যেভাবে প্রকাশ্য আনুগত্য দেখাচ্ছে, তাতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি জানান, বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের কাছে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। দলটি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে—এমন প্রত্যাশা করে। তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ অবস্থায় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ডা. তাহের আরও বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে সরকার গঠন করা হবে। এদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ১০টি আসন ছাড় দেওয়ার যে গুঞ্জন রয়েছে, সেটিকে তিনি সম্পূর্ণ ‘কাল্পনিক’ বলে আখ্যা দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী আসন সমঝোতা খুব শিগগিরই চূড়ান্ত হবে।