জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে জোট গঠনের সময় প্রাথমিকভাবে প্রায় ৩০টি আসনে সমঝোতার কথা থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে সেই সংখ্যা দশের নিচে নেমে আসতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এতে এনসিপির একাধিক আলোচিত নেতা মনোনয়ন থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা নিয়ে দলটির অন্দরমহলে আবারও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
যদিও নির্বাচনি কৌশলের কথা বিবেচনা করে এ বিষয়ে এখনই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বা এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনভিত্তি ও জনপ্রিয়তা রয়েছে—এমন প্রার্থীদেরই চূড়ান্ত তালিকায় রাখতে চায় দলটি।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার বলেন, আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং কিছু আসনে ইতোমধ্যে অনানুষ্ঠানিক সমঝোতা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েক দিনের মধ্যেই বিষয়টি চূড়ান্ত হলে জোটের শরিকরা একসঙ্গে প্রচারণায় নামবে।
অন্যদিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন বলেন, সংগঠনের সিদ্ধান্তের প্রতি জামায়াত অটল থাকে। প্রয়োজনে জোটের স্বার্থে ছাড় দিতেও তারা প্রস্তুত। তিনি জানান, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।
এনসিপি নেতারা বলছেন, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আসনসংখ্যা পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। তবে সমঝোতার সংখ্যা কমে যাওয়ায় দলটির ভেতরে নতুন করে চাপা উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে।