ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই–শাল্লা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির-এর দাখিল করা হলফনামায় তার ও তার স্ত্রীর আয়-সম্পদের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, অ্যাডভোকেট শিশির মনিরের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৫১ লাখ টাকা। তার হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ৯ লাখ ৫২ হাজার ৪ টাকা এবং ব্যাংকে জমা রয়েছে মাত্র ২ হাজার ৩০০ টাকা।
এছাড়া তার নামে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি যানবাহন, ৪ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং উপহার হিসেবে পাওয়া ২৫ ভরি সোনার উল্লেখ রয়েছে। তবে নিজের নামে কোনো স্থাবর সম্পদ বা জমি নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি।
অন্যদিকে, তার স্ত্রী সুমাইয়া সাদিয়া রায়হানের আয় ও সম্পদের পরিমাণ স্বামীর তুলনায় অনেক বেশি। তার নামে নগদ অর্থ রয়েছে ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৫৬৫ টাকা এবং ব্যাংকে জমা আছে ৩৮ লাখ ২৬ হাজার ৩১৭ টাকা। সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানতে রয়েছে ৯১ লাখ ৯০ হাজার ৫৯৫ টাকা। এছাড়া বন্ড ও ঋণপত্রে বিনিয়োগ রয়েছে ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে, তার স্ত্রীর নামে ১ কোটি ৮১ লাখ ৮৭ হাজার ৪২০ টাকা মূল্যের অকৃষি জমি রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে ৪৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি যানবাহন, ২৫ ভরি সোনা এবং ৭ লাখ ২০ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সামগ্রী।
হলফনামার মামলার তথ্যে অ্যাডভোকেট শিশির মনির উল্লেখ করেছেন, তার বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুটি মামলা রয়েছে। এর একটি মামলায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ আনা হলেও সেটি বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগের আদেশে স্থগিত রয়েছে। অপর মামলাটি তদন্তাধীন।