বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সম্ভাবনাময় আসন ছাড়ায় জামায়াতে চাপা অসন্তোষ তৈরি হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন দলের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে অংশ নিতে বেশ আগেই শতাধিক আসন ছাড়ার প্রস্তুতি নেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১০ দলীয় (প্রক্রিয়াধীন ১১ দলীয়) নির্বাচনি সমঝোতার ঘোষণা দেওয়ার পর সেই সিদ্ধান্তের প্রতিফলন দেখা যায়—কয়েকটি আসনে দলটি মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি। সমঝোতা চূড়ান্ত হলে আরও আসন ছাড়ার সিদ্ধান্তও রয়েছে। তবে এর মধ্যেই সম্ভাবনাময় অনেক […]

সম্ভাবনাময় আসন ছাড়ায় জামায়াতে চাপা অসন্তোষ তৈরি হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৭

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন দলের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে অংশ নিতে বেশ আগেই শতাধিক আসন ছাড়ার প্রস্তুতি নেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১০ দলীয় (প্রক্রিয়াধীন ১১ দলীয়) নির্বাচনি সমঝোতার ঘোষণা দেওয়ার পর সেই সিদ্ধান্তের প্রতিফলন দেখা যায়—কয়েকটি আসনে দলটি মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি। সমঝোতা চূড়ান্ত হলে আরও আসন ছাড়ার সিদ্ধান্তও রয়েছে। তবে এর মধ্যেই সম্ভাবনাময় অনেক আসন ছেড়ে দেওয়ায় দলটির তৃণমূল নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যে চাপা অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

নির্বাচনি জোটের স্বার্থে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মেনে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র না দিলেও দীর্ঘদিনের গণসংযোগ, মাঠপর্যায়ের তৎপরতা ও আবেগঘন স্মৃতির কথা তুলে ধরছেন অনেকেই। ছেড়ে দেওয়া আসনে প্রার্থীদের জন্য শুভকামনা জানালেও মাঠের বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান উঠছে তৃণমূলে।

এদিকে প্রত্যাশামতো আসন নিশ্চিত না হওয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি দলের নেতাকর্মীদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। শেষদিনের আগে সমঝোতা চূড়ান্ত না হওয়ায় অনেক দল বাড়তি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়, যা নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়। সামাজিক মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনাও চলছে। দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানালেও জামায়াত মনে করছে, আলোচনায় বসলে জটিলতা কাটবে।

মনোনয়নপত্র জমার শেষদিনের আগে গত রোববার সংবাদ সম্মেলনে ১০ দলীয় নির্বাচনি সমঝোতার ঘোষণা দেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। এতে আগে থেকে আন্দোলনরত আট দলের সঙ্গে যুক্ত হয় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। অন্য শরিকদের মধ্যে রয়েছে খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)। পরদিন অনানুষ্ঠানিকভাবে এবি পার্টি যুক্ত হয়।

ওই সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির বলেন, এটি জোটের চেয়েও শক্ত একটি নির্বাচনি সমঝোতা; আসন বণ্টন প্রায় সম্পন্ন, বাকি বিষয়গুলো মনোনয়ন জমার পর সমাধান হবে।

সূত্র জানায়, মনোনয়ন জমার শেষ দিনে ১১ দল মিলে ৩০০ আসনে সাত শতাধিক প্রার্থী দিয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ২৭৬, ইসলামী আন্দোলন ২৭২, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৯০, খেলাফত মজলিস ৬৭, এনসিপি ৪৭ ও এলডিপি প্রায় ২৫টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। সমঝোতার কিছু আসনে একক প্রার্থী থাকলেও বহু জায়গায় একাধিক দলের প্রার্থী রয়েছে।

মনোনয়ন জমার পরদিনই আসন সমঝোতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম। দলটির দাবি, তারা ১৪৩টি আসনে ‘এ-ক্যাটাগরি’। এ নিয়ে সমালোচনার প্রেক্ষাপটে প্রেস ব্রিফিং আহ্বান করা হলেও খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে তা স্থগিত হয়। তবে সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া অব্যাহত থাকে।

ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, আসন সমাধানে তারা সন্তুষ্ট নন বলেই ২৭২টি আসনে মনোনয়ন দিয়েছেন। আলোচনার পথ খোলা থাকলেও সন্তোষজনক সমাধান না হলে আলাদাভাবে নির্বাচনে যাওয়ার প্রস্তুতির কথা জানান তিনি।

এদিকে ইসলামী আন্দোলনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর তৃণমূলে অসন্তোষ বাড়ছে বলে জানা গেছে। সম্ভাবনাময় আসন ছাড়ার পাশাপাশি জোটের কিছু শরিকের বিতর্কিত মন্তব্যের সমালোচনাও করছেন তারা। ভোটের বাস্তবতা বিবেচনা না করে অবাস্তব দাবি তোলার অভিযোগ উঠেছে।

‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলের পোস্টে বলা হয়, ১১ দলীয় জোটে জামায়াতের তথাকথিত ‘গ্রিন সিট’ নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। গত পাঁচ বছরে সংগঠনটি অন্তত ৭০টি আসনে শক্ত অবস্থান তৈরি করলেও সেসব আসনে ছোট দলগুলোর দাবি চাপ সৃষ্টি করেছে।

তবে জামায়াতের মিডিয়া সেল এক ফেসবুক পোস্টে বলেছে, জোটের বৃহত্তর স্বার্থে প্রার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিশ্চিত আসন ছেড়ে দিয়ে আদর্শভিত্তিক রাজনীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন—ক্ষমতার চেয়ে আদর্শই তাদের চালিকাশক্তি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ জানান, ঐক্য অটুট রাখতে সম্মানজনক আসন বণ্টনের জন্য দ্রুত সমাধান প্রয়োজন। যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল জলিল বলেন, আলোচনা চলমান রয়েছে এবং মনোনয়ন বাছাইয়ের পর সমাধান হবে বলে তারা আশাবাদী।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর বড় কোনো সমস্যা নেই; আলোচনায় বসলে সব জটিলতারই সমাধান হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪০