দাদা–দাদির কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল–আশুগঞ্জ–বিজয়নগর একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে মাঠে নামেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে দাদা–দাদির কবর জিয়ারত করে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করেন। যদিও তার দাদা–দাদির বাড়ি ইসলামপুর গ্রামে, রুমিন ফারহানার স্থায়ী বসবাস সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে।
এ সময় রুমিন ফারহানা বলেন, গ্রামের বাড়িতে দাদা–দাদির কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়েই তিনি তার নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করেছেন। গত ১৭ বছর ধরে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন এবং দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি এলাকার ও দেশের মানুষের দোয়া কামনা করেন। তিনি জানান, নির্বাচন চালিয়ে যাবেন এবং জনগণের কাছে যাবেন।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে তার বাবা ভাষাসংগ্রামী অলি আহাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন। তবে ফল ঘোষণার পরদিন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এর আগে বুধবার রুমিন ফারহানার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। সরাইল উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন তার পক্ষে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু বকর সরকার–এর কাছ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।