দীর্ঘ ৬ হাজার ৩শ ১৪ দিন পর প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে স্বপরিবারে ফিরলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রায় দেড় দশকের নির্বাসন শেষে তার এই প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দর থেকেই সরাসরি বাসে করে ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’র সংবর্ধনা মঞ্চে যাওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। এ উপলক্ষে বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালের সামনে প্রস্তুত রাখা হয়েছে একটি লাল রঙের বাস, যার সামনে বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে—‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই ভিআইপি টার্মিনাল এলাকায় কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বাসটি প্রস্তুত রাখা হয়। বিমানবন্দর থেকে নেমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সরাসরি এই বাসে উঠেই সংবর্ধনা মঞ্চের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।
এর আগে তারেক রহমানকে বহনকারী বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যাত্রাবিরতি শেষে সিলেট থেকে রওনা হয়ে ফ্লাইটটি দুপুর পৌনে ১২টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
জানা গেছে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় বিজি-২০২ ফ্লাইটটি। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার এই যাত্রায় তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
এ ছাড়া সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন তারেক রহমানের মিডিয়া টিমের প্রধান আবু আবদুল্লাহ সালেহ, ব্যক্তিগত সহকারী রহমান সানি এবং তাবাসসুম ফারহানা।
এদিকে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থলে সকাল থেকেই বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী জড়ো হতে শুরু করেছেন। দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার আশায় সেখানে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।