বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ করলেন কাদের মির্জা

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসাইনের বিরুদ্ধে সাত শিবির নেতাকর্মী হত্যায় দায়ের হওয়া মামলা নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছেন সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র পলাতক আবদুল কাদের মির্জা। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হলে টক ‘অব দ্য কোম্পানীগঞ্জে’ পরিণত হয়। এসময় […]

জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ করলেন কাদের মির্জা

জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ করলেন কাদের মির্জা

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:১০

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসাইনের বিরুদ্ধে সাত শিবির নেতাকর্মী হত্যায় দায়ের হওয়া মামলা নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছেন সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র পলাতক আবদুল কাদের মির্জা।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হলে টক ‘অব দ্য কোম্পানীগঞ্জে’ পরিণত হয়। এসময় অভিযোগ অস্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াত নেতা মাওলানা মোশাররফ হোসাইন। এর আগে কাদের মির্জা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক থেকে ওই অভিযোগ করে স্ট্যাটাস দেন।

কাদের মির্জা তার ফেসবুকে লেখেন, ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর বসুরহাটে পুলিশের গুলিতে সাত শিবিরকর্মী নিহত হওয়ার ঘটনায় আমাকে জড়িয়ে বক্তব্য দিয়েছেন জামায়াত নেতা মাওলানা মোশাররফ হোসাইন। আমি ওই ঘটনার দিনে অসুস্থ হয়ে বাড়িতে ছিলাম। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশের লোক ও আমাদের নেতা-কর্মীদের থেকে মামলায় দিবে না বলে এবং মামলা থেকে অব্যহতি দেয়ার কথা বলে মাওলানা মোশাররফ হোসাইন কত টাকা নিয়েছে তার হিসাব আমাদের দলের কাছে আছে।

কাদের মির্জা জামায়াতের ওই নেতাকে উদ্দেশ্য করে আরও লেখেন, ‘তোরা তো ইসলামের রাজনীতি করিস, আয় আমি আর তুই মসজিদে ঢুকি। মসজিতে কুরআন মাথায় নিয়ে আমি বলতে পারব আমাদের দলের কোন নেতা-কর্মী এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিল না। তুই মিথ্যুক সেজন্য তুই কুরআন মাথায় নিয়ে সত্য কথা বলতে পারবি না, তোর সেই ঈমানি শক্তি নাই কারণ তুই মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছিস। তোর প্ররোচনায় আমাকে ১নং আসামী করে ১১২ জনকে মূল আসামী করে ও অজ্ঞাত আরও ১০০/১৫০ জনকে আসামী করে মিথ্যা মামলা করেছিস। তুইও রেডি থাক মামলার জন্য।’

জবাবে মাওলানা মোশাররফ হোসাইন নিজের ফেসবুকে লেখেন, আপনি আপনার বক্তব্যে প্রমাণ করলেন ৭ শহীদের ঘটনা আপনারা জড়িত। আপনার অনুমতি ছাড়া পুলিশ গুলি করে নাই। পুলিশ নিজেই আপনার কথা বলেছেন। আপনি অনেকগুলো মিথ্যা মামলা দিয়েছেন। আপনি প্রমাণ দিন কাদের থেকে টাকা নিয়েছি। অযথা, অহেতুক মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে নিজের ইজ্জত আর নষ্ট করবেন না। আপনার জন্য আপনি দায়ী। আত্মসমালোচনা করুন। আপনি অনেক ভালো কাজ করেছেন, আমরা অস্বীকার করি না। আপনাকে ধন্যবাদ। কিন্তু আপনি আপনার দলের সাথে ও বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের সাথে কি আচরণ করেছেন একটু চিন্তা করুন। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না, প্রতিযোগিতার রাজনীতি করি। প্রতিহিংসা থেকে বেরিয়ে আসুন।’

এদিকে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ‘টক অব দ্য কোম্পানীগঞ্জ’ হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত নেতাদের এমন বাকযুদ্ধ। জামায়াত নেতা মাওলানা মোশাররফ হোসাইন এলাকায় থাকলেও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল কাদের মির্জা বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের দিন থেকে পলাতক। তিনি আওয়ামী লীগের পলাতক সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই।

জানতে চাইলে বসুরহাট পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসাইন বলেন, ‘আবদুল কাদের মির্জাকে সামনে এসে প্রমাণ দিতে বলুন কার থেকে টাকা নিয়েছি। প্রয়োজনে মসজিদে ঢুকে প্রমাণ হবে টাকা নিয়েছি কি না। তার ফেসবুক অবান্তর স্ট্যাটাসে জনগণ বিভ্রান্ত হতে পারে তাই আমিও ফেসবুকে এর প্রতিবাদ করে স্ট্যাটাস দিয়েছি।’

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনকে বারবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা জামায়াতের এক নেতা বলেন, এসব বিষয় দলের জেলা নেতারা অবগত আছেন। সময় হলে সব বিষয়ে খোলাসা বক্তব্য দেওয়া হবে।

২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ সদস্য এবং পুলিশের গুলিতে সাত শিবিরকর্মী নিহত হন। তারা হলেন আব্দুস সাত্তার, সাইফুল ইসলাম, মতিউর রহমান সজিব, আব্দুর নুর রাসেল, আব্দুল আজিজ রায়হান, সাইফুল ইসলাম ও মো. মিশু।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৪৭

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৮১

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৮১

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৮১