দীর্ঘ ১৮ বছর যুক্তরাজ্যের লন্ডনে নির্বাসিত থাকার পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই দিন সকালে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার অবতরণের কথা রয়েছে।
দেশে পৌঁছে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি সরাসরি রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন, যেখানে তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিএনপি সূত্র জানায়, মায়ের শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করেই দেশে ফিরে প্রথমেই হাসপাতালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারেক রহমান। এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়া বর্তমানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিএনপি একটি অভ্যর্থনা কমিটি গঠন করেছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদকে এবং সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
অভ্যর্থনা কমিটিতে বিএনপির ১০ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবরা সদস্য হিসেবে থাকবেন।
দলীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে অভ্যর্থনা কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে অভ্যর্থনার সার্বিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিমানবন্দর থেকে বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে বিএনপির নেতাকর্মীরা সুশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে তাদের নেতা তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাবেন। তবে তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন না।
বিএনপি সূত্র আরও জানায়, ঢাকায় আসার পর তারেক রহমান গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় উঠবেন। এই বাসার কাছেই তার মায়ের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’। এছাড়া গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় ও নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তারেক রহমানের জন্য আলাদা ‘চেম্বার’ কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে।