বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নীতিগত পরিবর্তন ছাড়া শুধু আইন করে সমাজে প্রকৃত রূপান্তর আনা যায় না। তিনি জানান, জামায়াত মানুষের নৈতিকতা ও মূল্যবোধে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চায় এবং এজন্য দেশের ১৮ কোটি মানুষের হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।
শুক্রবার রাজধানীর মিন্টু রোডের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে ন্যাশনাল নার্সেস ফোরাম (এনএনএফ) আয়োজিত জাতীয় নার্সেস সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক ড. মো. ইউনুছ আলী।
সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. মো. রফিকুল ইসলাম “Ethical Message of Humanity from The Holy Quran” শীর্ষক আলোচনা উপস্থাপন করেন। নার্সিং পেশার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিএমইউর প্রভাষক বুশরা-ই-জান্নাত।
জামায়াত আমির বলেন,
“ক্ষমতায় গেলে আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত পুনর্গঠন। আমরা সরকারে থাকি বা না থাকি—মানুষের পক্ষে কথা বলার কাজ চালিয়ে যাব।”
তিনি আরও বলেন,
“আমরা জনগণের পেট ভরানোর জন্য কাজ করতে চাই। ব্রুনাইয়ের সুলতান যেমন জনগণের পেট ভরানোর চিন্তায় থাকেন, নিজের নয়—আমরাও তেমনটাই করতে চাই। সরকারের দায়িত্বে থাকি বা বিরোধী দলে থাকি, নীতির জায়গায় পরিবর্তন হবে না।”
নার্সদের উদ্দেশে তিনি বলেন,
“আপনাদের কাজকে ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করুন। জাতি যেন আপনাদের প্রিয়জন হিসেবে অনুভব করতে পারে।”
সম্মেলনে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, এফডিএফের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. সাজেদ আ. খালেক, এফডিএফ ঢাকা মহানগরী সভাপতি ডা. জিএম ফারুক হোসেন, বারডেম নার্সিং কলেজের আহত জুলাই যোদ্ধা মো. শাহরিয়াতুর রহমান শিপু, এনএনএফের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, এনএনএফ ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মো. নিয়াজ মাখদুম, উত্তরের সভাপতি আলাউদ্দিন ইবনে আবু তাহের, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ফোরামের সভাপতি সোহেল রানা, বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. মো. শরিফুল ইসলাম এবং মহাসচিব মো. আসাদুজ্জামান জুয়েল বক্তব্য দেন।
বক্তারা নার্সিং পেশার মর্যাদা, কর্মপরিবেশ, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা ও পেশাগত উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।