বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ঢাকায় আসছেন—গত কয়েক দিন ধরে এমন গুঞ্জন রাজনীতির অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ। তবে তিনি কবে দেশে ফিরবেন কিংবা আদৌ কোনো তারিখ নির্ধারিত হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নতুন প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “মিডিয়াটা কোন জায়গায় নিয়ে গিয়েছে, এটা আল্লাহতালা জানেন।
” তিনি স্পষ্ট জানান, জুবাইদা রহমানের ঢাকায় আগমন নিয়ে দলের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য প্রচার করা হয়নি, এবং এ বিষয়ে মিডিয়ার অতিরিক্ত আগ্রহ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়েও বিস্তারিত জানান বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, কাতারের আমিরের সহায়তায় একটি অত্যাধুনিক এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আজ রাতের মধ্যেই ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এ অ্যাম্বুলেন্সে অপারেশন থিয়েটারের সুবিধা পর্যন্ত রয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুসারে রাতেই বা ভোরে বেগম জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হতে পারে। সেখানে তাকে একাধিক বিশেষায়িত হাসপাতালের মধ্যে যেকোনো একটিতে ভর্তি করা হবে।
তিনি আরও জানান, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে—খালেদা জিয়ার শারীরিক জটিলতা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা উন্নত চিকিৎসা ছাড়া মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তার লিভার, কিডনি ও শ্বাসযন্ত্রের অবস্থা এখনও অত্যন্ত নাজুক। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানও উপস্থিত ছিলেন।