বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার–১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, “আপনাদের ভালোবাসায় সারাজীবন আবদ্ধ ছিলাম, সারাজীবন থাকতে চাই।
জনগণের সেবা করার সুযোগ যদি আল্লাহ দেন—এটাই হবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।” বুধবার পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাগুজারা সাঁকোরপাড় এলাকায় নির্বাচনি জনসংযোগ শুরুর বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে মঙ্গলবার মা–বাবার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে নিজ জন্মভূমি পেকুয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি কর্মসূচি শুরু করেন তিনি। দীর্ঘ সময় পর এলাকায় ফিরে কর্মী–সমর্থকদের উচ্ছ্বসিত উপস্থিতি তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে।
বুধবারের কর্মসূচিতে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, তিনি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এ দেশের মানুষের খেদমত করতে চান। তিনি বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে চকরিয়া–পেকুয়ার সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হবে এবং এসব পরিকল্পনা জনগণের সঙ্গে আলোচনা করেই বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি প্রচারণা পুরো দমে শুরু হলে ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের কাছে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দেবেন। এর আগে তিনি অনুরোধ করেন—তার পক্ষ থেকে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে, ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে প্রতিটি ঘরে সালাম পৌঁছে দিতে। একই সঙ্গে অসুস্থ খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া চান তিনি।
বিকেলে শিলখালী ও বারবাকিয়া বাজারে জনসংযোগ শেষে টইটং ইউনিয়নের ধনিয়াকাটা স্টেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১২–১৪ বছর পর আপনাদের সামনে আসতে পেরে আল্লাহর কাছে লাখো শুকরিয়া।
জনগণের দোয়া এবং আল্লাহর রহমতেই তিনি গুম থেকে ফিরে এসেছেন। অভিযোগ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুম করেছিল, কিন্তু মানুষের দোয়া তাকে বাঁচিয়ে ফিরিয়েছে।
দিনব্যাপী গণসংযোগে অংশ নেন সাবেক সংসদ সদস্য হাছিনা আহমেদ, পেকুয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার তিনি মগনামা ও উজানটিয়া ইউনিয়নে গণসংযোগ চালাবেন।