দাড়িপাল্লা ব্যবহার নিয়ে মন্তব্য করে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন আম জনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রতারণার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ায় দাড়িপাল্লা বাতিল করা হয়েছে—এটাই বাস্তবতা। আর দাড়িপাল্লার সমালোচনা করায় জামায়াত–শিবিরের নেতাকর্মীরা তাঁর ওপর অযথা ক্ষোভ দেখাচ্ছেন।
সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, “দাড়িপাল্লার বিরুদ্ধে বলায় ওরা এমন আচরণ করছে যেন আমি তাদের বিজয়টা কেড়ে নিয়েছি। আমি তো শুধু বলেছি—কেন দাড়িপাল্লা এখন আর ব্যবহার হয় না। কারণ এটা দিয়ে জালিয়াতি করা যায়, চুরি করা যায়, প্রতারণা করা যায়—এটা সবাই জানে।”
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, “আপনি যদি মাংসের দোকানে যান, আর তারা দাড়িপাল্লায় মাংস মাপতে চায়—আপনি সেখান থেকে কিনবেন না। সবজির দোকানেও একই কথা। কারণ এই পাল্লায় একটা সুতা প্যাঁচ দিলেই বা একটু বাঁকা করে ধরলেই মানুষকে ঠকানো সম্ভব। এই কারণেই এটি বাতিল হয়েছে।”
তারেক রহমান অভিযোগ করেন, জামায়াতের কিছু নেতাকর্মী দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে এমনভাবে মন্তব্য করছে যেন তারা ‘আল্লাহর সিদ্ধান্ত’ও আগেভাগে জেনে গেছে। তিনি বলেন, “কেউ কেউ বলছে—আল্লাহ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জামায়াত ক্ষমতায় আসবে। আবার আরেকদল সেটা শুনে তালী দিচ্ছে। এই যদি অবস্থা হয়, তাহলে মনে হচ্ছে আল্লাহর সিদ্ধান্তের ঘোষণাও এরা আগেই পেয়ে যাচ্ছে!”
তিনি আরও বলেন, কিছু ধর্মীয় বক্তা এমন বক্তব্য দিচ্ছেন যা গণতন্ত্র, প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি হুমকিমূলক। “এক হুজুর তো বললেন—তাদের কথায় পুলিশ উঠবে-বসবে, মামলা দিতে হবে, মামলা নিতে হবে। এটা কেমন ঔদ্ধত্য? রাষ্ট্র কি তাদের কথায় চলবে?”—প্রশ্ন রাখেন তারেক রহমান।