আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতা ঘোষণার পর থেকেই নিজ নির্বাচনি এলাকায় ব্যাপকভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি। ঢাকা–৮ (রমনা–সেগুনবাগিচা) এলাকায় প্রতিদিনই ভোটারযোগ, ঘর–দোরে যোগাযোগ ও সরাসরি মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন তিনি। এসব প্রচারণায় যে অভিজ্ঞতা হচ্ছে, তা নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন এই তরুণ রাজনীতিক।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সারাদিন সেগুনবাগিচায় প্রচারণা শেষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিনি লিখেছেন—মানুষের ভালোবাসা, আতিথেয়তা ও আন্তরিকতা দেখে তিনি ও তার দল অত্যন্ত আপ্লুত হয়েছেন।
হাদি জানান, সারাদিনে কোনোভাবেই তাদের টাকা খরচ করার সুযোগ হয়নি। যেখানে বিল দেওয়ার প্রয়োজন হয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারাই আগেই বিল পরিশোধ করেছেন। এমনকি ফেরার সময় অনেক ভোটার দলের কর্মীদের হাতে টাকা গুঁজে দিয়েছেন যেন পরের দিনের ভোটারযোগে চা–নাশতার খরচ মেটানো যায়।
তিনি লিখেছেন, “আমরা কোথাও কোনো টাকা খরচ করি না, কাউকে এক কাপ চা পর্যন্ত খাওয়াই না। বরং মানুষই আমাদের খাওয়ান, সময় দেন, পথ দেখিয়ে সহযোগিতা করেন। ফেরার সময় অনেকেই জোর করে রিক্সাভাড়া দিয়ে দেন।” তার ভাষায়, এই ভালোবাসা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একদিন রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) সকালে আরেক পোস্টে তিনি জানান, রমনা এলাকায় ভোটারযোগ শেষে স্থানীয়রা তাদের বাতাসা ও মুড়ির ‘হাদিয়া’ দিয়েছেন। হাদি হাস্যরস করে লেখেন, “এভাবে চলতে থাকলে ইলেকশনের আগেই আমরা বড়লোক হয়ে যাব!”
দলীয় সূত্র জানায়, ঢাকা–৮ আসনে ইনকিলাব মঞ্চের প্রার্থী হিসেবে শরীফ ওসমান হাদি ইতোমধ্যে এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন তরুণসমর্থিত, ব্যতিক্রমী প্রচারণার জন্য। তফসিল ঘোষণার আগেই তিনি সক্রিয়ভাবে এলাকায় গণসংযোগ চালাচ্ছেন।
স্থানীয়দের দাবি, রাজনীতিতে অর্থব্যয়ের বদলে মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্পর্ক ও স্বচ্ছতার যে মডেল হাদি তুলে ধরছেন, তা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা তৈরি করছে।