বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ১৩তম দিনেই খুন হয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়া

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার মাত্র ১৩তম দিনেই খুন হন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, ইসলামী দুনিয়ায় গ্রহণযোগ্যতা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গঠন এবং মুজিব আমলের ভয়াবহ গুম–খুন–দুর্ভিক্ষের রাজনীতি থেকে দেশকে বের করে আনায় আন্তর্জাতিক আধিপত্যবাদী মহল তাকে কখনোই মেনে নিতে পারেনি। ফলে তারা জিয়াকে নির্মূল করার নীলনকশা তৈরি করছিল এবং অপেক্ষা করছিল ঠিক সেই একটি মুহূর্তের—শেখ […]

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ১৩তম দিনেই খুন হয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়া

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:৩৮

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার মাত্র ১৩তম দিনেই খুন হন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, ইসলামী দুনিয়ায় গ্রহণযোগ্যতা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গঠন এবং মুজিব আমলের ভয়াবহ গুম–খুন–দুর্ভিক্ষের রাজনীতি থেকে দেশকে বের করে আনায় আন্তর্জাতিক আধিপত্যবাদী মহল তাকে কখনোই মেনে নিতে পারেনি। ফলে তারা জিয়াকে নির্মূল করার নীলনকশা তৈরি করছিল এবং অপেক্ষা করছিল ঠিক সেই একটি মুহূর্তের—শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের।

১৯৮১ সালের ১৭ মে নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। আর মাত্র ১২ দিন পর, ৩০ মে ১৯৮১ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
এর আগে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাকশাল পতনের সময় শেখ হাসিনা, তার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়া ও বোন শেখ রেহানা পশ্চিম জার্মানিতে ছিলেন। পরে তারা ইন্দিরা গান্ধীর আশ্রয়ে ছয় বছর দিল্লিতে অবস্থান করেন।

মুজিব আমলের (১৯৭২–১৯৭৫) শাসনব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। বহু দেশ বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি; বরং ধারণা ছিল—ঢাকা দিল্লির নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। সেই সময়ে গুম–খুন ছিল নিয়মিত ঘটনা। ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি জহির রায়হান নিখোঁজ হওয়ার মাধ্যমে দেশে গুমের রাজনীতি শুরু হয়।

১৯৭৫ সালের ২ জানুয়ারি সিরাজ সিকদারকে রাষ্ট্রীয় হেফাজতে হত্যা রাজনৈতিক হত্যার এক ভয়াবহ অধ্যায় হয়ে ওঠে। হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যার পাশাপাশি ১৯৭৪ সালের কৃত্রিম দুর্ভিক্ষে রাস্তায় লাশের সারি, মানুষের খাবারের জন্য কুকুর–কাকের সঙ্গে লড়াই—সব মিলিয়ে দেশ অরাজকতার মধ্যে ডুবে যায়। একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।

১৫ আগস্টের পর খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কোচিত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনেন। এর ফলে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মর্যাদা অর্জন করে এবং অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়। শ্রমশক্তি রপ্তানি ও তৈরি পোশাকশিল্প (RMG)—এই দুটি সেক্টর জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশের অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভে পরিণত হয়। মুজিব আমলে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াতে থাকে।

১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা এখনও দিল্লিতে অবস্থানকালে আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ১৭ মে তিনি দেশে ফিরলে জিয়াউর রহমান সরকার কোনো বাধা দেয়নি; বরং অনেকের মতে জিয়ার অনুমতিতেই দেশে ফেরেন তিনি। কিন্তু তার আগমনের মাত্র ১২ দিন পরই জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড ঘটলো—যা বহিঃশক্তির প্রত্যক্ষ মদদে সংঘটিত হয়েছিল বলে বিশ্লেষকদের মত।

বিবিসির সাংবাদিক সিরাজুর রহমান তার গ্রন্থ ‘এক জীবন এক ইতিহাস’-এ শেখ হাসিনার প্রথম লন্ডন সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকার তুলে ধরেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন—স্টুডিওতে শেখ হাসিনা বলেন যে, রাজনীতি তার ভালো লাগে না; বরং তিনি রাজনীতিকে ঘৃণা করেন। প্রশ্ন করা হলে কেন রাজনীতিতে এলেন, উত্তরে তিনি বলেন—“ওরা আমার পিতাকে হত্যা করেছে, মাকে হত্যা করেছে, ভাইদের হত্যা করেছে—আমি প্রতিশোধ নিতে চাই।”
এই বক্তব্য বিবিসি কর্তৃপক্ষকে বিস্মিত করেছিল। পরে সাংবাদিকরা অনুরোধ করে ওই অংশ রেকর্ডিং থেকে বাদ দেন।

দীর্ঘ চার দশক পরেও একই ধরনের প্রশ্ন নতুন করে সামনে আসছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আবারও শেখ হাসিনা দিল্লিতে আশ্রয় নেন। কিন্তু দেশের ভেতরে অনেক নেতা ভুলতে বসেছেন—হাসিনার বাংলাদেশে আগমনের ১৩তম দিনে কী ভয়াবহ ঘটেছিল।

যদি আবার কোনো রাজনৈতিক পালাবদলের পর তার প্রত্যাবাসন ঘটে—
তবে কি আবারও ‘সেই ১৩তম দিনের’ পুনরাবৃত্তি ঘটবে?
এবার কারা লক্ষ্যবস্তু হতে পারে?
এ প্রশ্ন এখনো অনেকের মনে গভীর শঙ্কার জন্ম দিচ্ছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৪